সাম্প্রতিক
তিতাসের ‘সিস্টেম লস’ বছরে ১০ কার্গো এলএনজির সমপরিমাণ গ্যাস হাম ও উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, প্রাণহানি ছাড়াল ১ হাজার জুলাই জাদুঘরে অশ্রুসজল রাষ্ট্রপতি, বললেন ‘মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি’ সালমান শাহর মৃত্যু: ডনের বিরুদ্ধে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ গোপনের অভিযোগ ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ‘দিগোস’ মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ‘ক্রিটিক্যাল’, ৪৬ পিলারে ফাটল: সংসদে মন্ত্রী আশির দশকে ফিরছে সোশ্যাল মিডিয়া, এআই ছবির ট্রেন্ডে নেটিজেনরা বিএনপি ক্ষমতায় আর বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংকট হবে না, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে না— সেটা হতে পারে না: রুমিন ফারহানা ডিসেম্বরে হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

‘মানবিক বিচারক’ ফ্র্যাঙ্ক ক্যাপ্রিওর জীবনাবসান

 

আদালতের মানবিক ও হৃদয়স্পর্শী রায় দিয়ে বিশ্বজুড়ে আলোচিত মার্কিন বিচারক ফ্র্যাঙ্ক ক্যাপ্রিও মারা গেছেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৮ বছর। খবর এবিসি- এর।

যুক্তরাষ্ট্রের রোড আইল্যান্ড অঙ্গরাজ্যের প্রভিডেন্স শহরের সাবেক এই বিচারক দীর্ঘদিন অগ্ন্যাশয়ের ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াই করে মঙ্গলবার শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তার অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে শেয়ার করা এক বিবৃতিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘মানুষের প্রতি তার সহানুভূতি, নম্রতা ও অটল বিশ্বাস তাকে সবার প্রিয় করে তুলেছিল। বিচারক ক্যাপ্রিও আদালতের ভেতরে ও বাইরে তার কর্মের মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ মানুষের জীবন স্পর্শ করেছেন।’

ফ্র্যাঙ্ক ক্যাপ্রিও সবচেয়ে বেশি পরিচিত ছিলেন তার টিভি শো কট ইন প্রভিডেন্স-এর জন্য। আদালতের বিভিন্ন শুনানি নিয়ে নির্মিত এ অনুষ্ঠানটির ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয় এবং তিনি ‘বিশ্বের সবচেয়ে দয়ালু বিচারক’ হিসেবে খ্যাতি পান। দুঃস্থদের প্রতি তার উদারতা ও সহমর্মিতা সারা বিশ্বের মানুষের হৃদয় জয় করে নেয়।

২০০০ সালে সম্প্রচার শুরু হওয়া অনুষ্ঠানটি চারবার ডে-টাইম এমি অ্যাওয়ার্ডের মনোনয়ন লাভ করে। ক্যাপ্রিও পরে লিখেছিলেন কমপ্যাশন ইন দ্য কোর্ট: লাইফ-চেঞ্জিং স্টোরিজ ফ্রম আমেরিকাস নাইসেস্ট জাজ নামের বই। বইটির প্রচারণার সময় তিনি বলেন, ‘সহানুভূতি, বোঝাপড়া ও মমত্ববোধ আমার শৈশব থেকেই লালিত মূল্যবোধ। আমার বাবা-মা ইতালির মানুষ ছিলেন; তারা সবসময় প্রতিবেশীদের সাহায্য করতেন। সেই প্রভাবই আমার জীবনকে গড়ে দিয়েছে।’

তিনি ১৯৮৫ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত প্রায় ৫০ বছর প্রভিডেন্স মিউনিসিপ্যাল কোর্টে বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে, নিজের ৮৭তম জন্মদিনের অল্প কিছুদিন পর তিনি ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার খবর প্রকাশ করেন। ২০২৪ সালের মে মাসে তিনি শেষ রেডিয়েশন থেরাপি সম্পন্ন করেন।

তবে চলতি সপ্তাহে ক্যাপ্রিও তার অফিসিয়াল ইনস্টাগ্রামে জানিয়ে ছিলেন যে তার শারীরিক অবস্থা অবনতির দিকে যাচ্ছে এবং তিনি পুনরায় হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। অবশেষে দীর্ঘ লড়াই শেষে মৃত্যুবরণ করেন এই ‘সবচেয়ে দয়ালু বিচারক’।

ফ্র্যাঙ্ক ক্যাপ্রিও মৃত্যুকালে তার প্রায় ৬০ বছরের সঙ্গী স্ত্রী জয়েস ক্যাপ্রিও, পাঁচ সন্তান, সাত নাতি-নাতনি এবং দুই প্রপৌত্র-প্রপৌত্রী রেখে গেছেন।

এনএনবাংলা/