সাম্প্রতিক
জামায়াত-শিবির নিষিদ্ধের দাবি নুরের, বললেন ‘সুযোগ দিলে ভয়ংকর বিপর্যয়’ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফরের বিজ্ঞপ্তি দিয়েও প্রত্যাহার ভারতের রাষ্ট্রপতি ভবনের ডিম–মুরগির-সবজির দাম বাড়তি, বাজারে হাঁসফাঁস ক্রেতার ‘হিট আইল্যান্ডে’ পরিণত হচ্ছে ঢাকা, কী উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার ‘ক্রেজি পিল’ ইয়াবায় বিপর্যস্ত বাংলাদেশ, বাড়ছে আসক্তির ঝুঁকি রাষ্ট্রপতির শপথ নিলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর শপথ নিলেন নতুন চার মন্ত্রী ও দুই প্রতিমন্ত্রী রাজধানীর সড়কে এআই ক্যামেরার ‘অদৃশ্য চোখ’, কোন অপরাধে কত জরিমানা হোটেল রুম নোংরা ও জরিমানার অভিযোগ, জেমসের দাবি—‘এটা কোনো বিষয়ই না’ আর্জেন্টিনার পারেদেস ১০ ম্যাচ নিষিদ্ধ, আরও যারা শাস্তি পেলেন
Skip to content

সুন্দরবনে হরিণ শিকারের নেপথ্যে ভয়ংকর চক্র! ১০৩ কেজি মাংসসহ ১ শিকারি আটক

খুলনা ব্যুরো:

সুন্দরবনে বন্যপ্রাণী নিধন কোনোভাবেই থামছে না। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কয়রা উপজেলায় যৌথ অভিযান চালিয়ে কোস্টগার্ড ও বন বিভাগ ১০৩ কেজি হরিণের মাংসসহ এক শিকারিকে আটক করেছে। এ সময় উদ্ধার করা হয়েছে হরিণের একটি মাথা এবং তিনশ মিটার হরিণ শিকারের ফাঁদ। আটককৃত ব্যক্তি হলেন কয়রা উপজেলার ছোট আংটিহারা গ্রামের মিজানুর রহমান (৩০)।

গতকাল রাত ১টার দিকে উপজেলার দক্ষিণ বেদকাশি ইউনিয়নের ছোট আংটিহারা এলাকার রাস্তার ওপর থেকে এই বিপুল পরিমাণ মাংসসহ তাকে আটক করা হয়। স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করেছেন, বন বিভাগের নজর এড়িয়ে অপরাধীরা নিয়মিত সুন্দরবনে প্রবেশ করছে এবং বন্যপ্রাণী শিকার করছে। তাদের মতে, লোকালয়ে কেবল কিছু মাংস ধরা পড়ছে, কিন্তু বনের ভেতরে প্রতিদিন কত হরিণ মারা হচ্ছে তা অজানা। পরিবেশ ও বন রক্ষায় প্রশাসনকে আরও কঠোর এবং দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

আন্দারমানিক বন টহল ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, মোঃ রাশিদুল হাসান, জানিয়েছেন যে আটককৃত ব্যক্তির বিরুদ্ধে বন্যপ্রাণী নিধন আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং তাকে কয়রা উপজেলা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পাঠানো হয়েছে। উদ্ধারকৃত মাংস আদালতের নির্দেশে মাটির নিচে পুঁতে নষ্ট করা হয়েছে।

কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সিয়াম-উল-হক বলেন, “সুন্দরবনে বন্যপ্রাণী হত্যা ও পাচার রোধে কোস্টগার্ডের অভিযান অব্যাহত থাকবে। ভবিষ্যতে আরও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।” এই ঘটনা আবারও প্রমাণ করে যে সুন্দরবনের বন্যপ্রাণী রক্ষায় আরও বেশি নজরদারি এবং সমন্বিত পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।