সাম্প্রতিক
তিতাসের ‘সিস্টেম লস’ বছরে ১০ কার্গো এলএনজির সমপরিমাণ গ্যাস হাম ও উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, প্রাণহানি ছাড়াল ১ হাজার জুলাই জাদুঘরে অশ্রুসজল রাষ্ট্রপতি, বললেন ‘মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি’ সালমান শাহর মৃত্যু: ডনের বিরুদ্ধে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ গোপনের অভিযোগ ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ‘দিগোস’ মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ‘ক্রিটিক্যাল’, ৪৬ পিলারে ফাটল: সংসদে মন্ত্রী আশির দশকে ফিরছে সোশ্যাল মিডিয়া, এআই ছবির ট্রেন্ডে নেটিজেনরা বিএনপি ক্ষমতায় আর বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংকট হবে না, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে না— সেটা হতে পারে না: রুমিন ফারহানা ডিসেম্বরে হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

মালয়েশিয়া যেতে না পারা কর্মীদের কাওরান বাজারে সড়ক অবরোধ

 

রাজধানীর কারওয়ান বাজারে আবারও বিক্ষোভে নেমেছেন মালয়েশিয়া যেতে না পারা শ্রমিকরা।

রোববার (২৮ সেপ্টেম্বর) সকালে সার্ক ফোয়ারা এলাকায় জড়ো হয়ে তারা মহাসমাবেশ ও সড়ক অবরোধ কর্মসূচি শুরু করেন। এতে আশপাশের সড়কে যান চলাচল ব্যাহত হয় এবং সাধারণ মানুষ ভোগান্তিতে পড়েন।

অবস্থান কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া শ্রমিক মো. কাওসার জানান, তাদের মালয়েশিয়ায় যাত্রা হওয়ার কথা ছিল ২০২৪ সালের মে মাসের মধ্যে। কিন্তু নির্ধারিত সময় পার হয়ে গেলেও তারা যেতে পারেননি। তিনি বলেন, ইতিমধ্যে মালয়েশিয়া যাওয়ার জন্য ৫-৬ লাখ টাকা খরচ হয়েছে, যার বড় একটি অংশ ঋণ।

বিক্ষোভের নেতৃত্ব দেওয়া মাইন উদ্দিন বাবু বলেন, “আমরা নিঃস্ব হয়ে গেছি। সরকার বারবার আশ্বাস দিয়েছে, কিন্তু বাস্তবে কোনো অগ্রগতি হয়নি। আমাদের দাবি মানা না হলে আমরা রাজপথ ছাড়ব না।”

বিক্ষোভকারীরা জানান, তারা সেই ১৭ হাজার শ্রমিকের অন্তর্ভুক্ত, যারা মালয়েশিয়া কর্তৃপক্ষের নির্ধারিত ২০২৪ সালের ৩১ মে’র মধ্যে যেতে পারেননি।

এসময় তারা পাঁচ দফা দাবি উত্থাপন করেন—

১. যাদের ই-ভিসা ৩১ মে’র আগে ইস্যু হয়েছে কিন্তু বিএমইটির ছাড়পত্র পাননি, এবং যারা সব প্রক্রিয়া শেষ করেছেন, তাদের দ্রুত মালয়েশিয়ায় পাঠাতে হবে।

২. নতুন সাক্ষাৎকার হোক বা না হোক, কোনো শ্রমিককে প্রক্রিয়ার বাইরে রাখা যাবে না।

৩. অতি দ্রুত একটি নির্দিষ্ট তারিখ ঘোষণা করে লিখিতভাবে স্মারকলিপি দিতে হবে।

৪. প্রধান উপদেষ্টা ও প্রবাসীকল্যাণ উপদেষ্টার মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে সেই স্মারকলিপি জমা দিতে হবে।

৫. নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে শ্রমিকদের পাঠানো সম্ভব না হলে বিকল্প কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা ও ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।

 

এনএনবাংলা/