সাম্প্রতিক
তিতাসের ‘সিস্টেম লস’ বছরে ১০ কার্গো এলএনজির সমপরিমাণ গ্যাস হাম ও উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, প্রাণহানি ছাড়াল ১ হাজার জুলাই জাদুঘরে অশ্রুসজল রাষ্ট্রপতি, বললেন ‘মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি’ সালমান শাহর মৃত্যু: ডনের বিরুদ্ধে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ গোপনের অভিযোগ ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ‘দিগোস’ মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ‘ক্রিটিক্যাল’, ৪৬ পিলারে ফাটল: সংসদে মন্ত্রী আশির দশকে ফিরছে সোশ্যাল মিডিয়া, এআই ছবির ট্রেন্ডে নেটিজেনরা বিএনপি ক্ষমতায় আর বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংকট হবে না, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে না— সেটা হতে পারে না: রুমিন ফারহানা ডিসেম্বরে হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

পাকিস্তানকে মানচিত্র থেকে মুছে ফেলার হুমকি দিলেন ভারতের সেনাপ্রধান

 

পাকিস্তানের প্রতি কড়া সতর্কবার্তা দিয়েছেন ভারতের সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী। তিনি বলেন, সন্ত্রাসবাদে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা বন্ধ না করলে পাকিস্তানকে ভৌগোলিক মানচিত্র থেকেই মুছে যেতে হতে পারে।

শুক্রবার (৩ অক্টোবর) রাজস্থানের অনুপগড়ে একটি সেনা পোস্টে বক্তব্য রাখতে গিয়ে এ হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

দ্বিবেদী বলেন, ‘অপারেশন সিন্দুর ১.০-তে আমরা যে সংযম দেখিয়েছিলাম, এবার তা বজায় রাখা হবে না। এবার এমন পদক্ষেপ নেওয়া হবে যা পাকিস্তানকে ভাবতে বাধ্য করবে তারা ভূগোলে টিকে থাকতে চায় কি না। যদি টিকে থাকতে চায়, তবে অবশ্যই সন্ত্রাসবাদকে সমর্থন বন্ধ করতে হবে।’

শীর্ষ জেনারেল শুধু হুঁশিয়ারিই দেননি, সৈন্যদেরও প্রস্তুত থাকতে বলেছেন। তার ভাষায়, ‘ঈশ্বরের ইচ্ছা হলে, খুব শিগগিরই তোমরা (সেনারা) একটি সুযোগ পাবে। শুভকামনা রইল।’

এনডিটিভির প্রতিবেদন অনুযায়ী, এ বক্তব্যটি আসে ভারতের বিমান বাহিনীর প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল এপি সিং-এর মন্তব্যের একদিন পর।

ভারতের সেনাপ্রধান আরও জানান, অপারেশন সিন্দুরের সময় ভারত প্রতিশ্রুতি নিয়েছিল যেন কোনো নিরীহ প্রাণহানি না ঘটে এবং অপ্রয়োজনীয় সামরিক স্থাপনা ধ্বংস না হয়। সন্ত্রাসীদের ঘাঁটি, প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ও মূল পরিকল্পনাকারীদের নির্মূল করার দিকেই গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

উল্লেখ্য, গত মে মাসে কাশ্মীরের পেহেলগামে সশস্ত্র হামলার পর ভারত-পাকিস্তান প্রায় যুদ্ধের মুখোমুখি হয়ে পড়ে। উভয় দেশ বিমান হামলা চালায় এবং কয়েকটি যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করার দাবি করে। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলেও বৈশ্বিক চাপ ও পারস্পরিক বোঝাপড়ার ভিত্তিতে ১০ মে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়।

এনএনবাংলা/