সাম্প্রতিক
তিতাসের ‘সিস্টেম লস’ বছরে ১০ কার্গো এলএনজির সমপরিমাণ গ্যাস হাম ও উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, প্রাণহানি ছাড়াল ১ হাজার জুলাই জাদুঘরে অশ্রুসজল রাষ্ট্রপতি, বললেন ‘মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি’ সালমান শাহর মৃত্যু: ডনের বিরুদ্ধে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ গোপনের অভিযোগ ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ‘দিগোস’ মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ‘ক্রিটিক্যাল’, ৪৬ পিলারে ফাটল: সংসদে মন্ত্রী আশির দশকে ফিরছে সোশ্যাল মিডিয়া, এআই ছবির ট্রেন্ডে নেটিজেনরা বিএনপি ক্ষমতায় আর বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংকট হবে না, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে না— সেটা হতে পারে না: রুমিন ফারহানা ডিসেম্বরে হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

৭২ বছর বয়সে সেফ এক্সিট নিয়ে ভাবা দুঃখের বিষয়

 

সড়ক ও সেতু মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান বলেছেন, “৭২ বছর বয়সে যদি আমাকে ‘সেফ এক্সিট’-এর কথা ভাবতে হয়, সেটি হবে গভীর দুঃখের বিষয়।”

বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) সকালে নিজের ফেসবুক পেজে ‘উপদেষ্টার রোজনামচা, চালকের হেলমেট নাই ও সেফ এক্সিট’ শিরোনামে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই মন্তব্য করেন।

ফাওজুল কবির লেখেন, উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই তাঁর দিনযাপন একেবারেই ব্যস্ততায় ভরা। “গতকালও রাত ৮টায় বাসায় ফিরেছি। পদে থেকে কখনো অন্যায় সুবিধা গ্রহণ করিনি। আত্মীয়স্বজন বা বন্ধু-বান্ধব কাউকেই চাকরি বা ব্যবসায় সুযোগ করে দিইনি,” বলেন তিনি।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, “নিজের সীমিত সামর্থ্যের সবটুকু ব্যবহার করে জনগণের প্রতি দায়িত্ব পালন করেছি। শিক্ষকতার সূত্রে যুক্তরাষ্ট্র ও সিঙ্গাপুরের স্থায়ীভাবে বসবাসের সুযোগ থাকা সত্ত্বেও সেটি গ্রহণ করিনি। আজ ৭২ বছর বয়সে যদি আমাকে সেফ এক্সিট নিয়ে ভাবতে হয়, তা সত্যিই বেদনাদায়ক।”

সাবেক উপদেষ্টা ও বর্তমান এনসিপি নেতা নাহিদ ইসলামের বক্তব্য প্রসঙ্গে ফাওজুল কবির বলেন, “নাহিদ ইসলাম আমার অত্যন্ত স্নেহভাজন এবং জুলাই আন্দোলনের অগ্রসেনা হিসেবে শ্রদ্ধার পাত্র। তাই তাঁর বক্তব্য নিয়ে মন্তব্য করা আমার পক্ষে শোভন নয়। তাছাড়া আমি রাজনৈতিক বিষয়ে কোনো মন্তব্য করি না।”

ফেসবুক পোস্টে তিনি আরও ব্যাখ্যা দেন হেলমেটবিহীন মোটরসাইকেলে ওঠার ঘটনার প্রসঙ্গেও। তিনি বলেন, “৭-৮ কিলোমিটার পথের যানজটে প্রায় এক ঘণ্টা অপেক্ষার পর প্রথমে পায়ে হেঁটে, পরে মোটরসাইকেলে রওনা দিই। কিন্তু তখন ৮-১০টি মোটরসাইকেল ঘুরেও দেখি, চালক বা যাত্রীর কারোরই হেলমেট নেই। অবশেষে একটি হেলমেট পাওয়া গেলে সবার পরামর্শে সেটি আমি নিজেই পরে যাত্রা শুরু করি।”

তিনি জানান, এ ঘটনায় হেলমেটবিহীন মোটরসাইকেল চালকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পুলিশকে পরামর্শ দিয়েছেন এবং বিআরটিএ ও জেলা প্রশাসনকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনাও প্রদান করেছেন।

এনএনবাংলা/