সাম্প্রতিক
তিতাসের ‘সিস্টেম লস’ বছরে ১০ কার্গো এলএনজির সমপরিমাণ গ্যাস হাম ও উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, প্রাণহানি ছাড়াল ১ হাজার জুলাই জাদুঘরে অশ্রুসজল রাষ্ট্রপতি, বললেন ‘মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি’ সালমান শাহর মৃত্যু: ডনের বিরুদ্ধে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ গোপনের অভিযোগ ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ‘দিগোস’ মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ‘ক্রিটিক্যাল’, ৪৬ পিলারে ফাটল: সংসদে মন্ত্রী আশির দশকে ফিরছে সোশ্যাল মিডিয়া, এআই ছবির ট্রেন্ডে নেটিজেনরা বিএনপি ক্ষমতায় আর বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংকট হবে না, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে না— সেটা হতে পারে না: রুমিন ফারহানা ডিসেম্বরে হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

দ্বিতীয় স্বামীর সঙ্গে বিচ্ছেদের গুঞ্জনে যা করলেন পূর্ণিমা

 

বাংলা সিনেমার জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা পূর্ণিমা আবারও আলোচনায়। সম্প্রতি তার দ্বিতীয় স্বামী আশফাকুর রহমান রবিন-এর সঙ্গে বিচ্ছেদের গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। তবে সেই গুঞ্জনের জবাব দিয়েছেন নায়িকা নিজেই।

বুধবার (২২ অক্টোবর) বিকেলে ফেসবুকে একটি ছবি পোস্ট করেন পূর্ণিমা। ছবিতে দেখা যায়, একটি রেস্তোরাঁয় স্বামীর হাত ধরে বসে আছেন তিনি। মুহূর্তেই ছবিটি ভাইরাল হয়। এতে স্পষ্ট বোঝা যায়—বিচ্ছেদের খবরটি সম্পূর্ণ মিথ্যা, এখনো একসঙ্গেই আছেন পূর্ণিমা ও রবিন।

২০২২ সালে পূর্ণিমা বিয়ে করেন রবিনকে। পেশায় রবিন বহুজাতিক একটি প্রতিষ্ঠানের মার্কেটিং বিভাগের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা। পড়াশোনা করেছেন অস্ট্রেলিয়ার সিডনির একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে।
কাজের সূত্র ধরেই তাদের পরিচয়, তিন বছরের বন্ধুত্ব থেকেই সম্পর্ক গড়ে ওঠে এবং শেষ পর্যন্ত পরিণতি ঘটে বিয়েতে। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, রবিনের বয়স পূর্ণিমার চেয়ে কিছুটা কম।

কথিত আছে, পূর্ণিমা ২০০৫ সালের ৬ সেপ্টেম্বর ব্যবসায়ী মোস্তাক কিবরিয়ার সঙ্গে প্রথমবার বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। পরে ২০০৭ সালে তিনি বিয়ে করেন আহমেদ জামাল ফাহাদকে।
২০১৪ সালে পূর্ণিমা ও ফাহাদের সংসারে জন্ম নেয় এক কন্যাসন্তান। তবে ২০২২ সালে পূর্ণিমা জানান, ফাহাদের সঙ্গে তার বিচ্ছেদ হয়েছে প্রায় আড়াই থেকে তিন বছর আগে।

বিচ্ছেদের গুঞ্জনের আগেই, এক সামাজিক মাধ্যমে পূর্ণিমা লিখেছিলেন— ‘মানুষের ভিড়ে কিছু মুখ থাকে, যাদের আমরা আপন ভেবে হৃদয়ের দরজা খুলে দিই। কিন্তু সময়ের কঠিন পরীক্ষায় টের পাই—তারা আসলে সম্পর্কের আবরণে লুকিয়ে থাকা বিষধর সাপ।’

তিনি আরও লেখেন, ‘এদের থেকে দূরে থাকাই শ্রেয়, কারণ মিথ্যা সম্পর্কের ভিড়ে নিজেকে হারিয়ে ফেলার চেয়ে নিঃসঙ্গতা অনেক বেশি শান্ত, নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ।’

এই পোস্টের পর থেকেই অনেকে ধরে নেন, তার দাম্পত্য জীবনে টানাপোড়েন চলছে। কিন্তু সাম্প্রতিক ছবিটি প্রকাশের মাধ্যমে পূর্ণিমা নিজেই সেই জল্পনার ইতি টেনেছেন।

এনএনবাংলা/