সাম্প্রতিক
তিতাসের ‘সিস্টেম লস’ বছরে ১০ কার্গো এলএনজির সমপরিমাণ গ্যাস হাম ও উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, প্রাণহানি ছাড়াল ১ হাজার জুলাই জাদুঘরে অশ্রুসজল রাষ্ট্রপতি, বললেন ‘মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি’ সালমান শাহর মৃত্যু: ডনের বিরুদ্ধে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ গোপনের অভিযোগ ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ‘দিগোস’ মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ‘ক্রিটিক্যাল’, ৪৬ পিলারে ফাটল: সংসদে মন্ত্রী আশির দশকে ফিরছে সোশ্যাল মিডিয়া, এআই ছবির ট্রেন্ডে নেটিজেনরা বিএনপি ক্ষমতায় আর বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংকট হবে না, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে না— সেটা হতে পারে না: রুমিন ফারহানা ডিসেম্বরে হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

গুম করার অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড

ফাইল ফটো

 

গুমের মতো ঘৃণ্য অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা রাখতে ‘গুম প্রতিরোধ, প্রতিকার ও সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫’-এর খসড়াকে চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ। প্রস্তাবিত আইনে গুমের অপরাধে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড এবং বিশেষ ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে দ্রুত বিচার নিশ্চিতের বিধান রাখা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে অধ্যাদেশটির অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠক শেষে প্রেস ব্রিফিংয়ে এই তথ্য জানান প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। এ সময় সহকারী প্রেস সচিব ফয়েজ আহম্মদ ও সুচিস্মিতা তিথি উপস্থিত ছিলেন।

প্রেস সচিব জানান, অধ্যাদেশ অনুযায়ী বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন করে ১২০ দিনের মধ্যে গুমের মামলার বিচার সম্পন্ন করতে হবে। এছাড়া, জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকেও গুমের ঘটনায় তদন্তের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে—যা দেশে মানবাধিকার রক্ষায় নতুন দিগন্ত খুলে দেবে।

প্রেস সচিব বলেন, “গুমকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে, এটি বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি ঐতিহাসিক আইন। এই আইনের ফলে ভবিষ্যতে কোনো সরকার গুমের রাজত্ব চালাতে পারবে না।”

নতুন আইনে গুমের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সহায়তাকারী, পরিকল্পনাকারী ও প্ররোচনাকারীর বিরুদ্ধেও কঠোর দণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।

এনএনবাংলা/