সাম্প্রতিক
রূপপুরের ইউরেনিয়ামবাহী বিমানকে আটকে দেওয়ার কারণ জানাল পাকিস্তান হাসিনাকে ফেরানোর বিষয়টি বাংলাদেশ-ভারতের, তৃতীয় দেশের প্রয়োজন নেই: তথ্য উপদেষ্টা ডেঙ্গুর হটস্পট ঢাকার ৩৫ এলাকা, অক্টোবরে বাড়তে পারে ভয়াবহতা শেখ হাসিনার সাবেক সামরিক উপদেষ্টা তারিক সিদ্দিককে দুদকে তলব মধ্যপ্রাচ্য ছাড়তে হবে যুক্তরাষ্ট্রকে, হুঁশিয়ারি মোজতবা খামেনির আদালত থেকে বেরিয়ে তানজিন তিশা— ‘দরকার হলে আরও পাঁচবার আসব, ন্যায়বিচার নিয়ে বের হব’ আদাবরে চাপাতি নিয়ে বাড়িতে হামলা: পুলিশের অভিযানে গুলিবিদ্ধ ২, গ্রেপ্তার ১০ দলাদলি বন্ধ করুন, নইলে শিক্ষকতা ছেড়ে দিন: জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ২২ অক্টোবর নির্বাহী আদেশে ছুটি ঘোষণা তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের প্রক্রিয়া এখনো চূড়ান্ত হয়নি: সংবিধান কমিটির সভাপতি
Skip to content

আফগানিস্তানে মার্কিন দূতের পদত্যাগ

অনলাইন ডেস্ক :

আফগানিস্তানে মার্কিন দূত জালমে খলিলজাদ পদত্যাগ করছেন। সাবেক প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সময় থেকে তিনি এ দায়িত্ব পেয়েছিলেন। গতকাল মঙ্গলবার ডয়চে ভেলে জানায়, তিন বছর দায়িত্ব পালন শেষে চলতি সপ্তাহেই পদ থেকে সরে দাঁড়াবেন খলিলজাদ। ট্রাম্পের পর বাইডেন প্রশাসনেও তিনি এ দায়িত্ব পালন করে এসেছেন। তার স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন টমাস ওয়েস্ট। খলিলজাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি ট্রাম্পের আমলে তালেবানের উপর যথেষ্ট চাপ সৃষ্টি করতে পারেননি। তবে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এন্থনি ব্লিংকেন তার কাজের জন্য খলিলজাদকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। তিনি বলেন, খলিলজাদ কয়েক দশক ধরে যুক্তরাষ্ট্রের মানুষের সেবা করেছেন। কিছুদিন আগে দোহায় তালেবানের সঙ্গে আলোচনা করেছিলেন মার্কিন কূটনীতিকরা। সেখানে খলিলজাদকে রাখা হয়নি। তবে সাম্প্রতিক সময়ে তিনিই ছিলেন আফগানিস্তানের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান কূটনীতিক। গত সোমবার মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে মার্কিন কংগ্রেসকে জানানো হয়, আফগানিস্তান থেকে বিশৃঙ্খলভাবে সেনা প্রত্যাহার করা নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে। বিশেষ অভিবাসন ভিসা দেয়া নিয়েও তদন্ত হবে। যে আফগানরা গত ২০ বছর ধরে যুক্তরাষ্ট্রকে সাহায্য করেছিলেন, তাদের এ ভিসা দেয়া হয়েছে। তাদের জরুরি ভিত্তিতে যুক্তরাষ্ট্রে এনে পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। গত ১৫ আগস্ট কাবুলে ক্ষমতায় আসে তালেবান। এ প্রেক্ষাপটে অনেকটা তড়িঘড়ি করে যুক্তরাষ্ট্রকে সেনা ও নাগরিকদের দেশে ফিরিয়ে নিতে হয়েছে। এতে কাবুল বিমানবন্দরে চরম বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়। পরিস্থিতির জন্য যুক্তরাষ্ট্রের রিপাবলিকান দলের আইনপ্রণেতারা প্রেসিডেন্ট বাইডেনের কঠোর সমালোচনা করেছেন।