সাম্প্রতিক
তিতাসের ‘সিস্টেম লস’ বছরে ১০ কার্গো এলএনজির সমপরিমাণ গ্যাস হাম ও উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, প্রাণহানি ছাড়াল ১ হাজার জুলাই জাদুঘরে অশ্রুসজল রাষ্ট্রপতি, বললেন ‘মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি’ সালমান শাহর মৃত্যু: ডনের বিরুদ্ধে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ গোপনের অভিযোগ ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ‘দিগোস’ মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ‘ক্রিটিক্যাল’, ৪৬ পিলারে ফাটল: সংসদে মন্ত্রী আশির দশকে ফিরছে সোশ্যাল মিডিয়া, এআই ছবির ট্রেন্ডে নেটিজেনরা বিএনপি ক্ষমতায় আর বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংকট হবে না, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে না— সেটা হতে পারে না: রুমিন ফারহানা ডিসেম্বরে হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ড ‘খুবই উদ্বেগজনক’ ঘটনা: শশী থারুর

 

ভারতের সিনিয়র কংগ্রেস নেতা শশী থারুর বাংলাদেশে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে ঘোষিত মৃত্যুদণ্ডের রায়কে ‘অত্যন্ত উদ্বেগজনক ও হতাশাজনক’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। এনডিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তিনি এ রায়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

গত বছরের আগস্টে দেশ ছাড়ার পর শেখ হাসিনা ভারতে আশ্রয় নেন। সোমবার (১৭ নভেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ তাকে ‘মানবতাবিরোধী অপরাধে’ মৃত্যুদণ্ড প্রদান করে। অনুপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণার প্রসঙ্গে শশী থারুর বলেন, তিনি দেশে বা विदेश—কোনো ক্ষেত্রেই মৃত্যুদণ্ডের পক্ষে নন। তাই এ রায় তাকে বিশেষভাবে ব্যতিব্যস্ত করেছে। অভিযুক্ত ব্যক্তি নিজের পক্ষে সাফাই দেওয়ার সুযোগ না পেলে সে ধরনের বিচারকে ইতিবাচক বলা কঠিন বলেও মন্তব্য করেন তিনি। থারুর আরও বলেন, অন্য দেশের বিচারব্যবস্থা নিয়ে মন্তব্য করা তার ঠিক নয়, তবে এ রায়কে কোনোভাবেই ইতিবাচক বলা যায় না—বরং এটি অত্যন্ত উদ্বেগজনক।

এদিকে বিবিসির বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ডের রায় ভারতের জন্য জটিল কূটনৈতিক পরিস্থিতি তৈরি করেছে। বাংলাদেশ যদি তাকে ফেরত চায়, তবে ভারতের সামনে কঠিন প্রত্যর্পণ–সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নিতে হবে। ২০২৪ সালের আগস্টে গণঅভ্যুত্থানের পর হাসিনা ভারতে আশ্রয় নেন। বাংলাদেশ এরপর দুই দফায় তাকে প্রত্যর্পণের অনুরোধ জানালেও ভারত সাড়া দেয়নি।

প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, শেখ হাসিনা ক্ষমতায় থাকাকালে বাংলাদেশ–ভারত সম্পর্ক ছিল ঘনিষ্ঠ। ভারতের কংগ্রেসসহ বেশ কয়েকটি রাজনৈতিক দলও তাকে ফেরত না পাঠানোর পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। এই রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক টানাপোড়েন ভবিষ্যতে দুই দেশের সম্পর্কেও প্রভাব ফেলতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এনএনবাংলা/