সাম্প্রতিক
তিতাসের ‘সিস্টেম লস’ বছরে ১০ কার্গো এলএনজির সমপরিমাণ গ্যাস হাম ও উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, প্রাণহানি ছাড়াল ১ হাজার জুলাই জাদুঘরে অশ্রুসজল রাষ্ট্রপতি, বললেন ‘মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি’ সালমান শাহর মৃত্যু: ডনের বিরুদ্ধে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ গোপনের অভিযোগ ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ‘দিগোস’ মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ‘ক্রিটিক্যাল’, ৪৬ পিলারে ফাটল: সংসদে মন্ত্রী আশির দশকে ফিরছে সোশ্যাল মিডিয়া, এআই ছবির ট্রেন্ডে নেটিজেনরা বিএনপি ক্ষমতায় আর বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংকট হবে না, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে না— সেটা হতে পারে না: রুমিন ফারহানা ডিসেম্বরে হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

তার মতো মানুষকে বন্ধু হিসেবে পাওয়া ভাগ্যের ব্যাপার: জয়া আহসান

 

টালিউডের অভিনেতা আবীর চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে বহু বছরের বন্ধুত্ব জড়িয়ে আছে অভিনেত্রী জয়া আহসানের জীবনে। পর্দায় এই জুটির রসায়নও দর্শকদের কাছে বেশ জনপ্রিয়। সম্প্রতি জয়া এক সাক্ষাৎকারে আবীরের প্রতি তার মুগ্ধতা নতুন মাত্রা পেয়েছে বলে জানান।

জয়া বলেন, ইন্ডাস্ট্রিতে বহু মানুষের সঙ্গে কাজ করার সুযোগ থাকলেও আবীর চট্টোপাধ্যায়ের ব্যক্তিত্ব সবদিক থেকেই আলাদা। তিনি অত্যন্ত নির্ঝঞ্ঝাট এবং ইতিবাচক দৃষ্টিকোণসম্পন্ন মানুষ।

জয়া আরও বলেন, আমাদের সবচেয়ে বেশি কাজ হয়েছে আবীরের সঙ্গে। সবচেয়ে বড় বিষয় হলো, আমার ইন্ডাস্ট্রিতে সবচেয়ে কমফোর্ট জোন আবীর। কখনও দেখিনি যে সে কোনো আড্ডায় বা অন্যের সঙ্গে সমালোচনা করছে। কেউ কষ্ট পেতে পারে এমন কোনো কথা আবীরকে বলতে শুনিনি। এ কারণে তার জায়গা আমার জীবনে অনেক উপরে। সে এক প্রকার সমালোচনামুক্ত মানুষ। তবে মাঝে মাঝে কিছু টক-ঝাল গল্প হলে তাতেও সবাই আনন্দ পায়। তবে ওর মধ্যে সেই ছোটখাটো দোষ অবশ্যই আছে, কিন্তু আমরা তা খুব সহজে দেখিনা।

জয়া পুতুল নাচের ইতিকথা অনুষ্ঠান প্রসঙ্গে বলেন, আমরা কিছুদিন আগে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়েছিলাম। ওরে বাবা! আবীর ঢোকার সঙ্গে সঙ্গে যা হলো, সবাই শুধু ওর দিকে তাকাচ্ছিল। আমাদের কথার কোনো গুরুত্ব তখন কারোর কাছে ছিল না। সে কেমন করে ভক্তদের এত ভালোভাবে সামলে রাখে এবং সবটুকু যত্নের সঙ্গে মেনটেন করে, সেটা সত্যিই বিস্ময়কর।

তিনি আরও যোগ করেন, আসলে আবীরের কাছ থেকে শেখার অনেক কিছু আছে। সংসার ও কর্মজীবন একসঙ্গে পরিচালনা করা সহজ নয়। কিন্তু আবীর তার পরিবারকে প্রাধান্য দিয়ে সুন্দরভাবে সংসার জীবন মেনটেন করে এবং কাজের জায়গাতেও ব্যালান্স বজায় রাখে। তার মতো একজন বন্ধুকে পাওয়াটা সত্যিই ভাগ্যের ব্যাপার।

জয়া শেষ করেন, ওর অনুভূতি সবসময় সত্যি এবং মন থেকে আসে। আমি চাই, সে সারাজীবন এমনই থাকুক। আমরা যা করতে পারি না বা কখনও চেষ্টা করি না, আবীর তা অতি যত্নের সঙ্গে প্রমাণ করে দেখায়। বারবার দেখিয়েছে, কর্মজীবন ও পরিবার একসঙ্গে সামলানো সম্ভব।

এনএনবাংলা/