সাম্প্রতিক
তিতাসের ‘সিস্টেম লস’ বছরে ১০ কার্গো এলএনজির সমপরিমাণ গ্যাস হাম ও উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, প্রাণহানি ছাড়াল ১ হাজার জুলাই জাদুঘরে অশ্রুসজল রাষ্ট্রপতি, বললেন ‘মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি’ সালমান শাহর মৃত্যু: ডনের বিরুদ্ধে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ গোপনের অভিযোগ ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ‘দিগোস’ মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ‘ক্রিটিক্যাল’, ৪৬ পিলারে ফাটল: সংসদে মন্ত্রী আশির দশকে ফিরছে সোশ্যাল মিডিয়া, এআই ছবির ট্রেন্ডে নেটিজেনরা বিএনপি ক্ষমতায় আর বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংকট হবে না, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে না— সেটা হতে পারে না: রুমিন ফারহানা ডিসেম্বরে হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

দুবাই এয়ার শোতে ভারতের তেজস যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত, পাইলট নিহত

 

দুবাই এয়ার শো–২০২৫ চলাকালে ভারতের এইচএএল নির্মিত তেজস যুদ্ধবিমান প্রদর্শনী উড্ডয়নের সময় বিধ্বস্ত হয়ে পাইলট নিহত হয়েছেন। ভারতীয় বিমান বাহিনী (আইএএফ) এক বিবৃতিতে দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করে গভীর শোক প্রকাশ করেছে।

হিন্দুস্থান টাইমসের তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার (২১ নভেম্বর) স্থানীয় সময় বিকেল ২টা ১০ মিনিটে তেজস জেটটি আকস্মিকভাবে নিচে নেমে গিয়ে বিধ্বস্ত হয়। মুহূর্তের মধ্যেই আকাশে কালো ধোঁয়ার বিশাল স্তম্ভ দেখা দিলে দর্শকদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিমানটি নিয়মিত অ্যারোবেটিক প্রদর্শনী চালানোর সময় হঠাৎ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে। নেগেটিভ জি-ফোর্সের প্রভাবই নিয়ন্ত্রণ হারানোর অন্যতম কারণ হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এই ধরনের জি-ফোর্স মাধ্যাকর্ষণের বিপরীত দিকে চাপ সৃষ্টি করে, যা পাইলটের শারীরিক সক্ষমতাকে তাৎক্ষণিকভাবে প্রভাবিত করতে পারে।

আইএএফ জানিয়েছে, দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে।

বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ দুবাই এয়ার শোতে দুই বছর অন্তর বিলিয়ন ডলারের বিমান কেনাবেচার বড় চুক্তি ঘোষণা হয়ে থাকে। এমন একটি আন্তর্জাতিক আসরে তেজসের এই দুর্ঘটনা ভারতীয় প্রতিরক্ষা শিল্পের জন্য বড় ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

গত দুই বছরের মধ্যে এটিই তেজসের দ্বিতীয় বড় দুর্ঘটনা। এর আগে ২০২৪ সালের মার্চে রাজস্থানের জয়সালমেরে একটি তেজস বিধ্বস্ত হয়, যদিও তখন পাইলট ইজেকশন করে প্রাণে বেঁচে যান। ২০০১ সালে পরীক্ষামূলক উড্ডয়ন শুরুর পর এটি ছিল তৃতীয় বড় দুর্ঘটনা।

৪.৫-প্রজন্মের মাল্টি-রোল কমব্যাট এয়ারক্রাফট তেজস ভারতের প্রতিরক্ষা আধুনিকায়ন পরিকল্পনার একটি কেন্দ্রীয় অংশ। আকাশ প্রতিরক্ষা, গ্রাউন্ড অ্যাটাক ও নিকটবর্তী যুদ্ধ মিশনে সক্ষম এই বিমানটি ভারতীয় বাহিনীর পুরনো জেট প্রতিস্থাপনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। ২০১৬ সালে তেজসের প্রথম স্কোয়াড্রন ‘৪৫ ফ্লাইং ড্যাগার্স’ আনুষ্ঠানিকভাবে আইএএফের বহরে যুক্ত হয়।

দুবাই এয়ার শোতে নতুন এই দুর্ঘটনা ভবিষ্যতে তেজসের নিরাপত্তা মান ও অপারেশনাল সক্ষমতা নিয়ে নতুন প্রশ্ন তৈরি করেছে।

এনএনবাংলা/