সাম্প্রতিক
তিতাসের ‘সিস্টেম লস’ বছরে ১০ কার্গো এলএনজির সমপরিমাণ গ্যাস হাম ও উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, প্রাণহানি ছাড়াল ১ হাজার জুলাই জাদুঘরে অশ্রুসজল রাষ্ট্রপতি, বললেন ‘মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি’ সালমান শাহর মৃত্যু: ডনের বিরুদ্ধে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ গোপনের অভিযোগ ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ‘দিগোস’ মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ‘ক্রিটিক্যাল’, ৪৬ পিলারে ফাটল: সংসদে মন্ত্রী আশির দশকে ফিরছে সোশ্যাল মিডিয়া, এআই ছবির ট্রেন্ডে নেটিজেনরা বিএনপি ক্ষমতায় আর বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংকট হবে না, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে না— সেটা হতে পারে না: রুমিন ফারহানা ডিসেম্বরে হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

বৈধ-অবৈধ সব মনোনয়নপত্রের বিরুদ্ধেই আপিল করা যাবে : ইসি সচিব

 

অঞ্চলভিত্তিকভাবে আপিল দাখিলের সুযোগ রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সচিব আখতার আহমেদ। তিনি বলেন, যেসব প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে কিংবা যাদের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে—উভয় পক্ষই আপিল করতে পারবেন। এই আপিল কার্যক্রম আগামী ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত চলবে।

সোমবার (৫ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে আপিল গ্রহণের বুথ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান ইসি সচিব।

তিনি জানান, আপিল সংক্রান্ত শুনানি আগামী ১০ জানুয়ারি থেকে শুরু হয়ে ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত চলবে। নির্বাচন কমিশনের অডিটোরিয়ামে এসব শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। এ সময় তিনি গণমাধ্যমের সহযোগিতা কামনা করে বলেন, সাংবাদিকদের দেওয়া তথ্য কমিশনের কাজকে আরও সমৃদ্ধ করবে।

প্রার্থীদের দাখিল করা হলফনামা যাচাই করা হবে কি না—এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে আখতার আহমেদ বলেন, বর্তমানে আপিল গ্রহণই মূল অগ্রাধিকার। হলফনামা যাচাই-বাছাই নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। তবে এসব তথ্য নিয়ে যদি কারও আপত্তি থাকে, তাহলে আপিলের মাধ্যমে তা উত্থাপন করা যাবে।

স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ক্ষেত্রে ১ শতাংশ ভোটার সমর্থন সংক্রান্ত বিষয়ে তিনি বলেন, প্রত্যেক প্রার্থীর পরিস্থিতি আলাদা হতে পারে। কোনো একটি কারণকে সামগ্রিকভাবে ব্যাখ্যা করা সম্ভব নয়। আপিলের ক্ষেত্রে কোনো বিষয়েই সীমাবদ্ধতা নেই। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি যেকোনো কারণ উল্লেখ করে আপিল করতে পারবেন। কমিশন প্রয়োজনীয় কাগজপত্র গ্রহণ করে যাচাই-বাছাই শেষে সিদ্ধান্ত নেবে।

কিছু প্রার্থীর অভিযোগ—১ শতাংশ ভোটার সমর্থন সংগ্রহের সময় তারা হামলার শিকার হয়েছেন এবং নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন—এ বিষয়ে জানতে চাইলে ইসি সচিব বলেন, এমন অভিযোগ তার কাছে আসেনি। তবে কোথাও কোনো অনিয়ম হয়ে থাকলে তা সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তা দেখবেন। এরপরও কেউ সংক্ষুব্ধ হলে আপিল শুনানিতে বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়া হবে। আপিলের সময় সংক্ষুব্ধতার কারণ স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে এবং তা যথাযথভাবে পর্যালোচনা করা হবে।

দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকা সত্ত্বেও কয়েকজন প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ হওয়ার বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে আখতার আহমেদ বলেন, এ সংক্রান্ত কোনো তথ্য যদি গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়ে থাকে, তাহলে সে বিষয়ে আপিল আসতে পারে। এ কারণেই ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত অপেক্ষা করা হচ্ছে।

এনএনবাংলা/পিএইচ