সাম্প্রতিক
তিতাসের ‘সিস্টেম লস’ বছরে ১০ কার্গো এলএনজির সমপরিমাণ গ্যাস হাম ও উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, প্রাণহানি ছাড়াল ১ হাজার জুলাই জাদুঘরে অশ্রুসজল রাষ্ট্রপতি, বললেন ‘মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি’ সালমান শাহর মৃত্যু: ডনের বিরুদ্ধে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ গোপনের অভিযোগ ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ‘দিগোস’ মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ‘ক্রিটিক্যাল’, ৪৬ পিলারে ফাটল: সংসদে মন্ত্রী আশির দশকে ফিরছে সোশ্যাল মিডিয়া, এআই ছবির ট্রেন্ডে নেটিজেনরা বিএনপি ক্ষমতায় আর বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংকট হবে না, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে না— সেটা হতে পারে না: রুমিন ফারহানা ডিসেম্বরে হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভে প্রায় ২ হাজার নিহত: ইরানি কর্মকর্তা

 

ইরানজুড়ে ছড়িয়ে পড়া সরকারবিরোধী বিক্ষোভে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যসহ প্রায় ২ হাজার মানুষের প্রাণহানি হয়েছে। মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে এক ইরানি কর্মকর্তা এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি দাবি করেন, বিক্ষোভকারী ও নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের মৃত্যুর জন্য ‘সন্ত্রাসীরা’ দায়ী। তবে নিহতদের পরিচয় বা বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেননি ওই কর্মকর্তা।

এর আগে একটি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা জানায়, বিক্ষোভে কয়েক শতাধিক মানুষ নিহত হয়েছেন এবং হাজার হাজার মানুষকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

গত এক সপ্তাহে রাতের বেলা বিক্ষোভকারী ও নিরাপত্তা বাহিনীর মধ্যে সংঘর্ষের একাধিক ভিডিও যাচাই করেছে রয়টার্স। ভিডিওতে বন্দুকধারীদের সহিংসতা, গাড়ি ও ভবনে আগুন লাগানোর দৃশ্য দেখা গেছে।

কয়েকদিনের টানা ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউটের পর সোমবার কিছুটা স্বাভাবিক হয়েছে পরিস্থিতি। এর ফলে বিক্ষোভকারীদের তাণ্ডবে সৃষ্ট ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির চিত্র প্রকাশ পাচ্ছে।

হাসপাতালগুলোতে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে আহতদের ভিড় দেখা গেছে। একই সঙ্গে মর্গগুলোতে জমেছে মরদেহের স্তুপ। বিক্ষোভ দমনে দেশজুড়ে ধরপাকড় ও অভিযান অব্যাহত রেখেছে ইরানের নিরাপত্তা বাহিনী।

যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, ইরানে বিক্ষোভকারীদের ওপর হামলার বিষয়টি এখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিবেচনায় রয়েছে। তবে তিনি আলোচনার মাধ্যমে সমাধানকে অগ্রাধিকার দিচ্ছেন।

হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র ক্যারোলিন লেভিট বলেন,“প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের টেবিলে সব বিকল্পই থাকে। এর মধ্যে বিমান হামলাও একটি। তবে কূটনীতিই তার প্রথম পছন্দ।”

তিনি আরও বলেন, ইরানি শাসকরা প্রকাশ্যে যা বলছেন, তা তাদের ব্যক্তিগত বার্তার সঙ্গে সাংঘর্ষিক। সেই বার্তাগুলো পর্যালোচনায় আগ্রহী প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প।

এনএনবাংলা/