সাম্প্রতিক
তিতাসের ‘সিস্টেম লস’ বছরে ১০ কার্গো এলএনজির সমপরিমাণ গ্যাস হাম ও উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, প্রাণহানি ছাড়াল ১ হাজার জুলাই জাদুঘরে অশ্রুসজল রাষ্ট্রপতি, বললেন ‘মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি’ সালমান শাহর মৃত্যু: ডনের বিরুদ্ধে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ গোপনের অভিযোগ ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ‘দিগোস’ মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ‘ক্রিটিক্যাল’, ৪৬ পিলারে ফাটল: সংসদে মন্ত্রী আশির দশকে ফিরছে সোশ্যাল মিডিয়া, এআই ছবির ট্রেন্ডে নেটিজেনরা বিএনপি ক্ষমতায় আর বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংকট হবে না, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে না— সেটা হতে পারে না: রুমিন ফারহানা ডিসেম্বরে হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভে নিহত ২,৬৭৭ জন: মানবাধিকার সংস্থা

 

ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভে এখন পর্যন্ত অন্তত ২ হাজার ৬৭৭ জন নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে একটি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা। একই সঙ্গে এসব বিক্ষোভে ১৯ হাজার ৯৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলেও সংস্থাটি জানিয়েছে। তবে এসব তথ্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মানবাধিকার পর্যবেক্ষক সংস্থা হিউম্যান রাইটস অ্যাক্টিভিস্টস নিউজ এজেন্সি (এইচআরএএনএ) মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য তুলে ধরে।

দমন অভিযানে প্রাণহানি বাড়ছে

এইচআরএএনএ জানায়, বিক্ষোভ শুরুর পর থেকে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষ এবং সরকারের দমন অভিযানে বিপুল সংখ্যক মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। আহতদের প্রকৃত সংখ্যাও সরকারি তথ্যের অভাবে স্পষ্ট নয়।

এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত ইরানের সরকারি কর্তৃপক্ষ নিহত বা আহতদের কোনো আনুষ্ঠানিক পরিসংখ্যান প্রকাশ করেনি। ফলে হতাহতের প্রকৃত সংখ্যা জানতে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর তথ্যের ওপরই নির্ভর করতে হচ্ছে।

যেভাবে শুরু হয় বিক্ষোভ

গত ২৮ ডিসেম্বর ইরানের রাজধানী তেহরানের ঐতিহাসিক গ্র্যান্ড বাজারে প্রথম বিক্ষোভের সূচনা হয়। সেখানে দোকানদার ও ব্যবসায়ীরা ভয়াবহ মূল্যস্ফীতি, জাতীয় মুদ্রা রিয়ালের অবমূল্যায়ন এবং অর্থনৈতিক সংকটের প্রতিবাদে কর্মসূচি শুরু করেন।

পরবর্তীতে এই অর্থনৈতিক আন্দোলন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে দেশের বিভিন্ন শহরে। এতে শিক্ষার্থী, শ্রমিকসহ সমাজের নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেয়। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এই আন্দোলন ধীরে ধীরে সরকারবিরোধী বিক্ষোভে রূপ নেয়।

আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ

বিক্ষোভে হতাহতের এমন উচ্চ সংখ্যায় আন্তর্জাতিক অঙ্গনে গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। পরিস্থিতির ওপর নজর রেখে যুক্তরাষ্ট্র সতর্ক অবস্থান নিয়েছে, আর ইউরোপীয় দেশগুলো মধ্যপ্রাচ্যে তাদের সামরিক প্রস্তুতি পুনর্বিবেচনা করছে বলে জানা গেছে।

এদিকে ইরানের প্রতিবেশী দেশ তুরস্ক, যার সঙ্গে দেশটির দীর্ঘ সীমান্ত রয়েছে, এই সংকটকে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য বড় হুমকি হিসেবে দেখছে। বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের অভ্যন্তরীণ এই অস্থিরতা ভবিষ্যতে মানবিক সংকট ও নিরাপত্তাজনিত ঝুঁকি আরও বাড়াতে পারে।

এনএনবাংলা/