সাম্প্রতিক
তিতাসের ‘সিস্টেম লস’ বছরে ১০ কার্গো এলএনজির সমপরিমাণ গ্যাস হাম ও উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, প্রাণহানি ছাড়াল ১ হাজার জুলাই জাদুঘরে অশ্রুসজল রাষ্ট্রপতি, বললেন ‘মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি’ সালমান শাহর মৃত্যু: ডনের বিরুদ্ধে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ গোপনের অভিযোগ ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ‘দিগোস’ মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ‘ক্রিটিক্যাল’, ৪৬ পিলারে ফাটল: সংসদে মন্ত্রী আশির দশকে ফিরছে সোশ্যাল মিডিয়া, এআই ছবির ট্রেন্ডে নেটিজেনরা বিএনপি ক্ষমতায় আর বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংকট হবে না, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে না— সেটা হতে পারে না: রুমিন ফারহানা ডিসেম্বরে হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

এক ম্যাচ আগেই বিপিএল থেকে বিদায় নোয়াখালী এক্সপ্রেস

 

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) অভিষেক মৌসুমেই হতাশার অধ্যায় লিখল নোয়াখালী এক্সপ্রেস। লিগ পর্বে এখনও এক ম্যাচ বাকি থাকলেও টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে গেছে দলটি। নিজেদের নবম ম্যাচে চট্টগ্রাম রয়্যালসের কাছে ৫ উইকেটে হারের ফলে প্লে-অফের স্বপ্ন ভেঙে যায় নোয়াখালীর।

এখন পর্যন্ত ৯ ম্যাচ খেলে মাত্র ২টিতে জয়ের দেখা পেয়েছে নোয়াখালী এক্সপ্রেস। বিপরীতে ৭ ম্যাচে হেরে ৪ পয়েন্ট নিয়ে পয়েন্ট টেবিলের তলানিতে অবস্থান করছে দলটি। অন্যদিকে, ৮ ম্যাচে ৬ জয় নিয়ে ১২ পয়েন্ট সংগ্রহ করে টেবিলের শীর্ষে রয়েছে চট্টগ্রাম রয়্যালস।

শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) মিরপুরের শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই চাপে পড়ে নোয়াখালী। চট্টগ্রামের পেসার শরীফুল ইসলামের বিধ্বংসী বোলিংয়ে মাত্র ১২৬ রানেই অলআউট হয়ে যায় দলটি।

নোয়াখালীর হয়ে এদিন কোনো ব্যাটারই বড় ইনিংস খেলতে পারেননি। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ২৫ রান করেন হাসান ইসাখিল। জাকের আলী অনিকের ব্যাট থেকে আসে ২৩ রান। বল হাতে শরীফুল ইসলাম ছিলেন দুর্দান্ত—৩ ওভার ৫ বলে মাত্র ৯ রান খরচ করে শিকার করেন ৫ উইকেট। এর মাধ্যমে বিপিএলের ইতিহাসে বাংলাদেশি পেসারদের মধ্যে সবচেয়ে কম রান দিয়ে ৫ উইকেট নেওয়ার রেকর্ড গড়েন তিনি।

এর আগে এই রেকর্ডটি ছিল আবু হায়দার রনির দখলে। ২০১৪ সালে ফরচুন বরিশালের বিপক্ষে রংপুরের হয়ে ১২ রান খরচায় ৫ উইকেট নিয়েছিলেন তিনি। আর বিপিএলের ইতিহাসে সেরা বোলিং ফিগারের মালিক তাসকিন আহমেদ, যিনি গত মৌসুমে দুর্বার রাজশাহীর হয়ে ১৯ রানে ৭ উইকেট শিকার করেন।

১২৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ভালো শুরু করতে পারেনি চট্টগ্রাম রয়্যালসও। মাত্র ২৯ রানেই ৪ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে বন্দরনগরীর দলটি। তবে এরপর মেহেদী হাসান ও হাসান নেওয়াজের জুটিতে ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করে চট্টগ্রাম।

১৪ বলে ১১ রান করে হাসান নেওয়াজ ফিরলেও, এরপর আসিফ আলিকে সঙ্গে নিয়ে ইনিংস সামাল দেন মেহেদী হাসান। শেষ পর্যন্ত আর কোনো বিপদ না ঘটিয়ে ১৮ বল হাতে রেখেই জয় নিশ্চিত করে চট্টগ্রাম রয়্যালস। মেহেদী হাসান ৩৬ বলে ৪৯ এবং আসিফ আলি ৩০ বলে ৩৬ রানে অপরাজিত থাকেন।

এই জয়ের মাধ্যমে শীর্ষস্থান আরও দৃঢ় করল চট্টগ্রাম, আর এক ম্যাচ আগেই বিপিএল অভিযান শেষ হলো নোয়াখালী এক্সপ্রেসের।

এনএনবাংলা/