সাম্প্রতিক
তিতাসের ‘সিস্টেম লস’ বছরে ১০ কার্গো এলএনজির সমপরিমাণ গ্যাস হাম ও উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, প্রাণহানি ছাড়াল ১ হাজার জুলাই জাদুঘরে অশ্রুসজল রাষ্ট্রপতি, বললেন ‘মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি’ সালমান শাহর মৃত্যু: ডনের বিরুদ্ধে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ গোপনের অভিযোগ ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ‘দিগোস’ মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ‘ক্রিটিক্যাল’, ৪৬ পিলারে ফাটল: সংসদে মন্ত্রী আশির দশকে ফিরছে সোশ্যাল মিডিয়া, এআই ছবির ট্রেন্ডে নেটিজেনরা বিএনপি ক্ষমতায় আর বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংকট হবে না, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে না— সেটা হতে পারে না: রুমিন ফারহানা ডিসেম্বরে হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

ত্রয়োদশ সংসদেও ব্যবসায়ীদের আধিপত্য, নীতি প্রণয়নে স্বার্থান্বেষী প্রভাবের আশঙ্কা

ছবিটি এআই দিয়ে তৈরি

 

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে ব্যবসায়ীদের প্রভাব আরও বেড়েছে। নির্বাচিত ২৯৭ জন সংসদ সদস্যের মধ্যে ১৭৪ জন বা ৫৯ শতাংশ নিজেদের মূল পেশা হিসেবে ব্যবসা উল্লেখ করেছেন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এতে নীতি ও আইন প্রণয়নের ক্ষেত্রে স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠীর প্রভাব বেড়ে যেতে পারে।

টিআইবি’র সতর্কতা

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান বলেন, “সংসদে ব্যবসায়ীদের প্রভাব বাড়লে ব্যবসা ও রাজনীতি একাকার হয়ে যায়। সরকারি ক্রয় খাত রাজনৈতিক প্রভাবের আওতায় চলে আসে এবং প্রতিযোগিতামূলক ব্যবসা পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়।”

নির্বাচনী ফলাফলের বিশ্লেষণ

  • মোট ২৯৭ আসনের মধ্যে ১৭৪ জন ব্যবসায়ী।
  • বিএনপি: ২০৯ জনের মধ্যে ১৪৫ জন ব্যবসায়ী (৬৯%)।
  • বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী: ৬৮ জনের মধ্যে ২০ জন ব্যবসায়ী (২৯%)।
  • জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনিসিপি): ৬ জনের মধ্যে ২ জন ব্যবসায়ী।

স্বতন্ত্র জয়ী ৭ জনের মধ্যে ৫ জন ব্যবসায়ী, যাদের বেশিরভাগ পূর্বে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

ঐতিহাসিকভাবে, স্বাধীনতার পর প্রথম সংসদে ব্যবসায়ীর অংশগ্রহণ ছিল ১৮ শতাংশ, যা ১৯৯১ সালে বেড়ে দাঁড়ায় ৩৮ শতাংশে। ২০২৪ সালের দ্বাদশ সংসদে এই হার ছিল ৬৭ শতাংশ, যা ত্রয়োদশ নির্বাচনে আরও বৃদ্ধি পেয়েছে।

সম্ভাব্য প্রভাব

ইফতেখারুজ্জামান আশঙ্কা করছেন, “সংসদে ব্যবসায়ীদের আধিপত্য বাড়লে জ্বালানি, বিদ্যুৎ, ব্যাংক ও আর্থিক খাতে অনিয়মের ঝুঁকি বাড়তে পারে। কর ফাঁকি ও অর্থ পাচারের প্রবণতাও বৃদ্ধি পেতে পারে।”

তিনি আরও যোগ করেন, “নতুন সরকার কীভাবে এই বাস্তবতায় ভারসাম্য রক্ষা করবে, সেটাই এখন দেখার বিষয়।”

এনএনবাংলা/