সাম্প্রতিক
তেল-চিনি ও ডিমের বাড়তি দামে নাজেহাল ক্রেতা শাহজালালের বিমানবন্দরের ইডিকে হুমকি: জামায়াতের আখতারুজ্জামান গ্রেপ্তার ভারতে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ, আটক ৭০০ ১০ কোটি ব্যারেল তেল-ডিজেল ছাড়ার সিদ্ধান্ত জি-৭ দেশগুলোর অনলাইন ও ডিজিটাল সাংবাদিকতার ‘পথিকৃৎ’ হারালাম, তৌফিক ইমরোজ খালিদীর মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সম্পদের উৎস কী, ফেসবুক পোস্টে প্রশ্ন হাসনাতের অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে রপ্তানি বেড়েছে ৬ শতাংশের বেশি ডেঙ্গুতে ৯ মাসে প্রাণ গেল ২৫০ জনের মধ্যপ্রাচ্যের পথে নতুন রণতরী, ১০ হাজার মার্কিন সেনা: ইরান যুদ্ধ কি আরও তীব্র হচ্ছে? অক্টোবরে বৃষ্টি কমবে, কমবে তাপমাত্রাও; তবে ঘূর্ণিঝড়ের সম্ভাবনা
Skip to content

৯৫.১% ভোট পেয়ে টানা চতুর্থ মেয়াদে সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আসাদ

অনলােইন ডেস্ক :

সিরিয়ায় প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে চতুর্থ মেয়াদে সরকার গঠন করতে যাচ্ছেন বাশার আল আসাদ। বুধবার (২৬ মে) সিরিয়ায় প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ভোটে বিপুল ভোট পান আসাদ।

সংসদীয় স্পিকার হামৌদা সাববাগ লাইভ কনফারেন্সে প্রেসিডেন্ট আসাদের জয় ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, আসাদ ৯৫ দশমিক ১ শতাংশ ভোটে জয়লাভ করেছেন। আর ভোট পড়েছে ৭৮ দশমিক ৬ শতাংশ।

তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী আব্দুলাহ সল্লুম আব্দুল্লাহ ১ দশমিক ৫ শতাংশ ও মাহমুদ আহমেদ মারি ৩ দশমিক ৩ শতাংশ ভোট পেয়েছেন।

সিরিয়াবিরোধীরা এই ভোটকে প্রহসন বলে অভিহিত করেছে। অন্যদিকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় দেশগুলোও বলছে ভোট অবাধ ও সুষ্ঠু হয়নি।

বুধবার (২৬ মে) দামেস্কের দুমা শহরে ভোট দেয়ার সময় প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদ বলেছেন, পশ্চিমাদের মতামত শূন্য হিসেবে বিবেচনা করা হবে।

সিরিয়ায় ২০১১ সাল থেকে শুরু হয়েছে গণবিক্ষোভ। প্রায় ১০ বছর ধরে চলছে গৃহযুদ্ধ। এর মধ্যেও দ্বিতীয়বারের মতো সেখানে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এবারের নির্বাচনে বর্তমান প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদসহ তিনজন প্রার্থীর মধ্যে লড়াই হয়েছে। এ নির্বাচনে বাশার আল আসাদ চতুর্থবারের মতো সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট হিসেবে ক্ষমতায় আসার ফলে সিরিয়ায় তার ক্ষমতা আরও শক্তিশালী হতে যাচ্ছে বলেই ধারণা করা হচ্ছে।

২০০০ সালে সিরিয়ার ক্ষমতা গ্রহণ করেন বাশার আল আসাদ। ২০১১ সালে আসাদের একনায়কতান্ত্রিক শাসনের বিরুদ্ধে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ শুরু হওয়ার পর তা সিরিয়াজুড়ে ছড়িয়ে পড়া ব্যাপক যুদ্ধে রূপ নেয়। এক দশক ধরে চলা এ যুদ্ধে কয়েক লাখ মানুষ প্রাণ হারিয়েছে। এছাড়া প্রায় এক কোটি ১০ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে।