সাম্প্রতিক
তিতাসের ‘সিস্টেম লস’ বছরে ১০ কার্গো এলএনজির সমপরিমাণ গ্যাস হাম ও উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, প্রাণহানি ছাড়াল ১ হাজার জুলাই জাদুঘরে অশ্রুসজল রাষ্ট্রপতি, বললেন ‘মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি’ সালমান শাহর মৃত্যু: ডনের বিরুদ্ধে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ গোপনের অভিযোগ ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ‘দিগোস’ মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ‘ক্রিটিক্যাল’, ৪৬ পিলারে ফাটল: সংসদে মন্ত্রী আশির দশকে ফিরছে সোশ্যাল মিডিয়া, এআই ছবির ট্রেন্ডে নেটিজেনরা বিএনপি ক্ষমতায় আর বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংকট হবে না, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে না— সেটা হতে পারে না: রুমিন ফারহানা ডিসেম্বরে হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

১০ মার্চ দেশব্যাপী ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

 

আগামী ১০ মার্চ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশব্যাপী ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন।

মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নারী ও শিশু বিষয়ক ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

মন্ত্রী জানান, মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রিপরিষদের উপ-কমিটির সভায় ফ্যামিলি কার্ড প্রকল্প নিয়ে আলোচনা হয়। অর্থমন্ত্রীর নেতৃত্বে গঠিত উপ-কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী এই পাইলটিং কার্যক্রম অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

১৪ উপজেলায় একযোগে কার্যক্রম শুরু

মন্ত্রী বলেন, ১০ মার্চ একযোগে দেশের ১৪টি উপজেলার নির্ধারিত ইউনিয়ন ও ওয়ার্ডে সর্বজনীনভাবে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ শুরু হবে। এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া; ধাপে ধাপে সারা দেশে সম্প্রসারণ করা হবে।

ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে দেশের হতদরিদ্র, দরিদ্র ও নিম্নবিত্ত শ্রেণির সুবিধাভোগী মা-বোনরা প্রতি মাসে ২,৫০০ টাকা করে আর্থিক সহায়তা পাবেন।

নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নই মূল লক্ষ্য

মন্ত্রী বলেন, নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করাই এ প্রকল্পের মূল লক্ষ্য। একজন নারী স্বাবলম্বী হলে পুরো পরিবার স্বাবলম্বী হয়—এতে আগামী প্রজন্মও উপকৃত হবে বলে সরকারের বিশ্বাস। এটি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের অন্যতম নির্বাচনী অঙ্গীকার বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

তিনি আরও জানান, সুবিধাভোগীদের তালিকা সরাসরি মাঠ পর্যায়ে ‘ডোর টু ডোর’ পদ্ধতিতে সংগ্রহ করা হবে। কোনো রাজনৈতিক বা ধর্মীয় বৈষম্য রাখা হবে না।

পাইলটিং কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন করতে উপজেলা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে সরকারি কর্মকর্তাদের নেতৃত্বে পৃথক কমিটি গঠন করা হবে। তথ্যগত ভুলভ্রান্তি কমাতে দুই স্তরের ‘চেকিং ও রি-চেকিং’ ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

মন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, আগামী চার মাসের মধ্যে পাইলটিং কার্যক্রম শেষ করা সম্ভব হবে এবং পরে এটি সারা দেশে সম্প্রসারণ করা হবে।

এনএনবাংলা/