সাম্প্রতিক
তিতাসের ‘সিস্টেম লস’ বছরে ১০ কার্গো এলএনজির সমপরিমাণ গ্যাস হাম ও উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, প্রাণহানি ছাড়াল ১ হাজার জুলাই জাদুঘরে অশ্রুসজল রাষ্ট্রপতি, বললেন ‘মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি’ সালমান শাহর মৃত্যু: ডনের বিরুদ্ধে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ গোপনের অভিযোগ ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ‘দিগোস’ মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ‘ক্রিটিক্যাল’, ৪৬ পিলারে ফাটল: সংসদে মন্ত্রী আশির দশকে ফিরছে সোশ্যাল মিডিয়া, এআই ছবির ট্রেন্ডে নেটিজেনরা বিএনপি ক্ষমতায় আর বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংকট হবে না, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে না— সেটা হতে পারে না: রুমিন ফারহানা ডিসেম্বরে হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

‘সরকার বলছে দেশে পর্যাপ্ত তেল আছে, তবে ভোগান্তি কেন’—প্রশ্ন শবনম ফারিয়ার

ছবি: শবনম ফারিয়ার ফেসবুক থেকে নেওয়া

 

জ্বালানি তেলের সংকটের কারণে দেশের বিভিন্ন স্থানে চালক ও যাত্রীদের চরম ভোগান্তির মুখে পড়তে হচ্ছে। কোথাও তেল নিতে গিয়ে এক পাম্প থেকে আরেক পাম্পে ঘুরেও মিলছে না কাঙ্ক্ষিত জ্বালানি, আবার কোথাও ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে।

এমন পরিস্থিতিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী শবনম ফারিয়া।

পবিত্র রমজান মাসে হঠাৎ করে বিভিন্ন এলাকায় তেলের পাম্প বন্ধ থাকায় সাধারণ মানুষের দুর্ভোগের কথা তুলে ধরে গতকাল (৯ মার্চ) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি স্ট্যাটাসে তিনি লেখেন, ‘রমজানের পবিত্র মাস। মানুষ রোজা রাখছে, কাজ করছে, সময়মতো বাসায় ফিরতে চায়। আর ঠিক এই সময়েই হঠাৎ করে তেলের পাম্প বন্ধ! কাল সরাইল থেকে ঢাকা ঢোকার পথে প্রায় সব পাম্প বন্ধ ছিল। বৃহস্পতিবার মহাখালীর আমাদের নিয়মিত পাম্পটাও বন্ধ। রাস্তায় মাইলের পর মাইল গাড়ির লাইন, শুধু তেলের জন্য। অথচ বলা হয়েছে, দেশে পর্যাপ্ত তেল আছে। তাহলে এই ভোগান্তি কেন? কোনো কারণ নেই, কোনো ব্যাখ্যা নেই।’

স্ট্যাটাসে তিনি আরও লেখেন, ‘মনে হলো একটু সংকট তৈরি করি, মানুষকে হয়রানি করি—তাই করলাম। পবিত্র মাসে মানুষের কষ্ট বাড়িয়ে দেওয়াটাই কি এখন নতুন স্বাভাবিক?’

অভিনেত্রীর ওই পোস্ট দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। অনেকেই মন্তব্যে নিজেদের অভিজ্ঞতা শেয়ার করে জানান, বিভিন্ন এলাকায় তেলের পাম্প বন্ধ থাকায় একই ধরনের সমস্যার মুখে পড়েছেন তারাও।

এদিকে বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকার বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) দেশের গুরুত্বপূর্ণ তেল ডিপোগুলোর নিরাপত্তা জোরদারে সেনা মোতায়েনের প্রস্তাব দিয়েছে। পাশাপাশি ফিলিং স্টেশনগুলোতে পুলিশি টহল বাড়ানো এবং অবৈধ মজুত ও অতিরিক্ত দামে বিক্রি ঠেকাতে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এনএনবাংলা/