সাম্প্রতিক
তিতাসের ‘সিস্টেম লস’ বছরে ১০ কার্গো এলএনজির সমপরিমাণ গ্যাস হাম ও উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, প্রাণহানি ছাড়াল ১ হাজার জুলাই জাদুঘরে অশ্রুসজল রাষ্ট্রপতি, বললেন ‘মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি’ সালমান শাহর মৃত্যু: ডনের বিরুদ্ধে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ গোপনের অভিযোগ ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ‘দিগোস’ মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ‘ক্রিটিক্যাল’, ৪৬ পিলারে ফাটল: সংসদে মন্ত্রী আশির দশকে ফিরছে সোশ্যাল মিডিয়া, এআই ছবির ট্রেন্ডে নেটিজেনরা বিএনপি ক্ষমতায় আর বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংকট হবে না, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে না— সেটা হতে পারে না: রুমিন ফারহানা ডিসেম্বরে হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যুতে সংসদে শোক প্রস্তাব

 

যুদ্ধের প্রথম দিনেই নিহত সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছে বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ।

বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের অধিবেশনে এই শোক প্রস্তাব সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়।

অধিবেশনের শুরুতেই আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির কর্মময় জীবন ও রাজনৈতিক সংগ্রামের ওপর ভিত্তি করে একটি বিস্তারিত শোক প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়।

প্রস্তাবে বলা হয়, খামেনির মৃত্যুতে বিশ্ব একজন মহান নেতা, বিচক্ষণ ব্যক্তিত্ব ও প্রভাবশালী ধর্মীয় নেতাকে হারিয়েছে। তার বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি আন্তরিক সহমর্মিতা প্রকাশ করে সংসদ।

শোকপ্রস্তাবে উল্লেখ করা হয়, ১৯৩৯ সালের ১৯ এপ্রিল ইরানের মাশহাদে জন্মগ্রহণ করেন আলী খামেনি। ২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি ৮৬ বছর বয়সে তিনি শাহাদাৎ বরণ করেন। তার মৃত্যুতে ইরানে ৭ দিনের সরকারি ছুটি ও ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছে।

তার শিক্ষাজীবন ও রাজনৈতিক উত্থান নিয়ে বলা হয়, মাশহাদের ইসলামী বিদ্যালয়ে প্রাথমিক শিক্ষা শেষে তিনি নাজাফ ও কোমের উচ্চতর শিক্ষা কেন্দ্রে ধর্মতাত্ত্বিক পড়াশোনা করেন। সেখানে থাকাকালীন আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনির সান্নিধ্যে আসেন এবং শাহ শাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলনে জড়িয়ে বেশ কয়েকবার কারাবরণ করেন।

সংসদীয় রেওয়াজ অনুযায়ী, এই শোক প্রস্তাবটি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ভাষান্তর করে ইরানের প্রয়াত নেতার শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের কাছে প্রেরণ করা হবে।

১৯৭৯ সালের ইসলামী বিপ্লবের পর খামেনি ইরানের রাষ্ট্রীয় কাঠামো গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। তিনি ১৯৮০ সালে প্রতিরক্ষামন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন এবং ইরান-ইরাক যুদ্ধের সময় ইসলামী বিপ্লবী বাহিনীর (আইআরজিসি) তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে কাজ করেন। ১৯৮৯ সালে খোমেনির মৃত্যুর পর তিনি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচিত হন। তার অধীনে আইআরজিসি একটি শক্তিশালী প্রতিরক্ষা ও রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়।

এনএনবাংলা/পিএইচ