সাম্প্রতিক
তিতাসের ‘সিস্টেম লস’ বছরে ১০ কার্গো এলএনজির সমপরিমাণ গ্যাস হাম ও উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, প্রাণহানি ছাড়াল ১ হাজার জুলাই জাদুঘরে অশ্রুসজল রাষ্ট্রপতি, বললেন ‘মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি’ সালমান শাহর মৃত্যু: ডনের বিরুদ্ধে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ গোপনের অভিযোগ ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ‘দিগোস’ মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ‘ক্রিটিক্যাল’, ৪৬ পিলারে ফাটল: সংসদে মন্ত্রী আশির দশকে ফিরছে সোশ্যাল মিডিয়া, এআই ছবির ট্রেন্ডে নেটিজেনরা বিএনপি ক্ষমতায় আর বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংকট হবে না, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে না— সেটা হতে পারে না: রুমিন ফারহানা ডিসেম্বরে হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

ইরানের সঙ্গে ‘ফলপ্রসূ’ আলোচনা, ৫ দিনের জন্য হামলা স্থগিত করলেন ট্রাম্প

 

মধ্যপ্রাচ্যে সম্ভাব্য বড় সামরিক সংঘাতের মুখে হঠাৎ করেই অবস্থান পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইরানের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি অবকাঠামোতে হামলার ৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটাম শেষ হওয়ার আগমুহূর্তে তিনি পাঁচ দিনের জন্য সব ধরনের সামরিক হামলা স্থগিত করার ঘোষণা দিয়েছেন।

সোমবার দুপুরে নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প জানান, গত দুই দিনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে অত্যন্ত ‘ফলপ্রসূ ও গঠনমূলক’ আলোচনা হয়েছে। এই আলোচনার ইতিবাচক অগ্রগতির কারণেই তিনি মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগকে হামলা স্থগিত রাখার নির্দেশ দিয়েছেন।

তিনি বলেন, “শত্রুতাপূর্ণ পরিস্থিতির সম্পূর্ণ ও চূড়ান্ত সমাধানের লক্ষ্যে আলোচনা এগোচ্ছে।” তবে সতর্ক করে দিয়ে ট্রাম্প উল্লেখ করেন, এই স্থগিতাদেশ সম্পূর্ণভাবে চলমান আলোচনা সফল হওয়ার ওপর নির্ভর করছে।

বিশ্বের জ্বালানি সরবরাহের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রুট হরমুজ প্রণালি দিয়ে বিশ্বব্যাপী প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল ও এলএনজি পরিবাহিত হয়।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে হামলার পর থেকে এই প্রণালি কার্যত অচল হয়ে পড়ে, যার ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম এক পর্যায়ে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়ে যায়।

এর আগে ট্রাম্প ইরানকে ৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটাম দিয়ে এই পথ খুলে দেওয়ার নির্দেশ দেন। অন্যথায় ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র ও জ্বালানি অবকাঠামো ধ্বংস করার হুঁশিয়ারিও দেন।

ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির জবাবে ইরানের সেনাবাহিনী কঠোর প্রতিক্রিয়া জানায়। তারা সতর্ক করে দিয়ে বলে, অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্র ও তাদের মিত্রদের জ্বালানি ও পানি শোধনাগারগুলো হামলার লক্ষ্যবস্তু হতে পারে।

এছাড়া ইরানের শক্তিশালী সামরিক বাহিনী আইআরজিসি হুঁশিয়ারি দিয়ে জানায়, ইরানের স্থাপনায় হামলা হলে ইসরায়েলের বিদ্যুৎকেন্দ্র, জ্বালানি অবকাঠামো এবং তথ্যপ্রযুক্তি স্থাপনাগুলোর ওপর ব্যাপক আঘাত হানা হবে।

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি জানান, শুধুমাত্র যেসব দেশ ইরানের বিরুদ্ধে হামলায় জড়িত, তাদের জাহাজের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। অন্য দেশগুলোর জন্য সমুদ্রপথ খোলা থাকবে বলেও তিনি নিশ্চিত করেন।

এনএনবাংলা/