সাম্প্রতিক
তিতাসের ‘সিস্টেম লস’ বছরে ১০ কার্গো এলএনজির সমপরিমাণ গ্যাস হাম ও উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, প্রাণহানি ছাড়াল ১ হাজার জুলাই জাদুঘরে অশ্রুসজল রাষ্ট্রপতি, বললেন ‘মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি’ সালমান শাহর মৃত্যু: ডনের বিরুদ্ধে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ গোপনের অভিযোগ ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ‘দিগোস’ মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ‘ক্রিটিক্যাল’, ৪৬ পিলারে ফাটল: সংসদে মন্ত্রী আশির দশকে ফিরছে সোশ্যাল মিডিয়া, এআই ছবির ট্রেন্ডে নেটিজেনরা বিএনপি ক্ষমতায় আর বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংকট হবে না, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে না— সেটা হতে পারে না: রুমিন ফারহানা ডিসেম্বরে হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

বন্ধ হচ্ছে না পেট্রোল পাম্প, ব্যাংক খুললেই স্বাভাবিক হবে জ্বালানি সংকট

ছবি: সংগৃহীত

 

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে দেশে জ্বালানি তেলের সরবরাহে তৈরি হওয়া সংকট ঈদের ছুটিতে আরও প্রকট হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে ব্যাংক বন্ধ থাকায় পেট্রোল পাম্প মালিকরা পে-অর্ডার করতে না পারায় তেল উত্তোলন ব্যাহত হয়েছে। তবে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) থেকে ব্যাংক খুললে পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক হবে।

সোমবার (২৩ মার্চ) বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ডিলার্স, ডিস্ট্রিবিউটর্স, এজেন্টস অ্যান্ড পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের কেন্দ্রীয় কমিটির আহ্বায়ক সৈয়দ সাজ্জাদুল করিম কাবুল বলেন, চাহিদার তুলনায় ডিপো থেকে এক-তৃতীয়াংশ তেলও সরবরাহ করা হচ্ছে না। ফলে যেখানে তেল আছে সেখানে পাম্প চালু থাকলেও, অন্যত্র বন্ধ রাখতে হচ্ছে। তবে স্থায়ীভাবে পাম্প বন্ধ হওয়ার কোনো আশঙ্কা নেই।

সংগঠনটির সভাপতি নাজমুল হক জানান, ব্যাংক বন্ধ থাকায় মালিকরা পে-অর্ডার করতে পারেননি, ফলে তেল উত্তোলন সম্ভব হয়নি। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, “মঙ্গলবার ব্যাংক খুললে বুধবার থেকে পরিস্থিতি অনেকটাই স্বাভাবিক হয়ে আসবে।”

বর্তমানে ডিজেলের সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলেও পেট্রোল ও অকটেনের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। এতে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন মোটরসাইকেল চালকরা। বিভিন্ন পাম্পে দীর্ঘ লাইনের কারণে ভিড় ও উত্তেজনা বাড়ছে।

সংকটের মধ্যে দেশের বিভিন্ন স্থানে পাম্প কর্মীদের ওপর হামলা, ভাঙচুর ও উত্তেজনার ঘটনা ঘটছে। এ অবস্থায় পাম্প মালিকদের সতর্ক থাকতে এবং স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতা নেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছে সংগঠনটি। জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারদের কাছেও বিষয়টি জানানো হয়েছে।

সংগঠনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না এলে পাম্প কর্তৃপক্ষকে নিজ দায়িত্বে নিরাপত্তা নিশ্চিত করে কার্যক্রম চালাতে হবে।

ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হওয়ায় বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এর প্রভাব পড়েছে দেশীয় বাজারেও।

এই আতঙ্কে অনেক ক্রেতা প্রয়োজনের অতিরিক্ত জ্বালানি কিনতে শুরু করলে সরকার গত ৬ মার্চ জ্বালানি বিক্রিতে সীমা নির্ধারণ করে। পরে ঈদকে সামনে রেখে ১৪ মার্চ সেই রেশনিং তুলে নেওয়া হয়। তবে এরপর থেকেই সরবরাহে নতুন করে চাপ তৈরি হয়।

রোববার রাতে সামাজিক মাধ্যমে পাম্প বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা ছড়িয়ে পড়লে জনমনে উদ্বেগ বাড়ে। তবে সোমবার মালিকপক্ষ স্পষ্ট জানায়—পাম্প স্থায়ীভাবে বন্ধ হওয়ার কোনো পরিস্থিতি নেই এবং দ্রুত সংকট কেটে যাবে।

এনএনবাংলা/