সাম্প্রতিক
তিতাসের ‘সিস্টেম লস’ বছরে ১০ কার্গো এলএনজির সমপরিমাণ গ্যাস হাম ও উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, প্রাণহানি ছাড়াল ১ হাজার জুলাই জাদুঘরে অশ্রুসজল রাষ্ট্রপতি, বললেন ‘মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি’ সালমান শাহর মৃত্যু: ডনের বিরুদ্ধে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ গোপনের অভিযোগ ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ‘দিগোস’ মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ‘ক্রিটিক্যাল’, ৪৬ পিলারে ফাটল: সংসদে মন্ত্রী আশির দশকে ফিরছে সোশ্যাল মিডিয়া, এআই ছবির ট্রেন্ডে নেটিজেনরা বিএনপি ক্ষমতায় আর বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংকট হবে না, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে না— সেটা হতে পারে না: রুমিন ফারহানা ডিসেম্বরে হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

দুবাইয়ে জাহাজে ইরানের হামলার পর এশিয়ায় শেয়ারবাজারে পতন, বাড়ল তেলের দাম

ছবি: এএফপি

 

সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই উপকূলের কাছে একটি অপরিশোধিত তেলবাহী ট্যাঙ্কারে হামলার ঘটনা ঘটেছে, যার জন্য ইরানকে দায়ী করা হচ্ছে। এই ঘটনার পর মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম আবারও সাময়িকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।

কুয়েতের পতাকাবাহী ‘আল-সালমি’ নামের জাহাজটি প্রায় ২০ লাখ ব্যারেল অপরিশোধিত তেল বহনে সক্ষম। এর বর্তমান বাজারমূল্য ২০০ মিলিয়ন ডলারেরও বেশি। জাহাজটির মালিকানা প্রতিষ্ঠান কুয়েত পেট্রোলিয়াম করপোরেশন জানিয়েছে, মঙ্গলবার ভোরে এই হামলার ঘটনা ঘটে। হামলার পর জাহাজটিতে আগুন ধরে যায় এবং কিছু কাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হলেও এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

দুবাই কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ট্যাঙ্কারটিতে ড্রোন হামলা চালানো হয়েছিল। পরে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে।

এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের জ্বালানিকেন্দ্র ও তেলকূপগুলো লক্ষ্য করে হামলার হুমকি দিয়েছিলেন। তাঁর এই হুমকি এবং ট্যাঙ্কারে হামলার ঘটনার প্রভাব পড়ে বৈশ্বিক অর্থবাজারে।

মঙ্গলবার সকালে এশিয়ার শেয়ারবাজারে বড় ধরনের পতন লক্ষ্য করা যায়। দক্ষিণ কোরিয়ার প্রধান শেয়ারবাজার সূচক ‘কোসপি’ ৪ শতাংশেরও বেশি কমে যায়, আর জাপানের ‘নিক্কেই’ সূচক পড়ে যায় ২ দশমিক ২৪ শতাংশ। তবে পরে উভয় বাজারই কিছুটা ঘুরে দাঁড়াতে সক্ষম হয়।

আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দামও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ‘ব্রেন্ট ক্রুড’-এর দাম মঙ্গলবার ভোরে ২ দশমিক ২৩ শতাংশ বেড়ে প্রতি ব্যারেল ১০৯ দশমিক ৭৮ ডলারে পৌঁছায়। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান মানদণ্ড ‘ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই)’ তেলের দাম ৩ দশমিক ৩০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে প্রতি ব্যারেল ১০৬ দশমিক ২৮ ডলারে ওঠে। যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর সোমবার প্রথমবারের মতো তেলের দাম ১০০ ডলারের ওপরে থেকে বাজার বন্ধ হয়েছিল।

তেল ও জ্বালানির এই ঊর্ধ্বগতির প্রভাব ইতোমধ্যে মার্কিন পরিবারগুলোর বাজেটে পড়তে শুরু করেছে। আগামী নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে এই পরিস্থিতি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এবং তাঁর রিপাবলিকান পার্টির জন্য একটি বড় রাজনৈতিক মাথাব্যথা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

প্রাইস-ট্র্যাকিং সার্ভিস ‘গ্যাসবাডি’র তথ্য অনুযায়ী, সোমবার যুক্তরাষ্ট্রে খুচরা পর্যায়ে গ্যাসোলিনের গড় দাম গত তিন বছরের মধ্যে প্রথমবারের মতো প্রতি গ্যালন ৪ ডলার ছাড়িয়েছে। চলমান অস্থিরতার কারণে বিশ্বব্যাপী সরবরাহ কমে যাওয়ায় মার্কিন অপরিশোধিত তেলের দাম প্রতি ব্যারেল ১০১ ডলারের ওপরে উঠেছে।

এনএনবাংলা/পিএইচ