সাম্প্রতিক
তিতাসের ‘সিস্টেম লস’ বছরে ১০ কার্গো এলএনজির সমপরিমাণ গ্যাস হাম ও উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, প্রাণহানি ছাড়াল ১ হাজার জুলাই জাদুঘরে অশ্রুসজল রাষ্ট্রপতি, বললেন ‘মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি’ সালমান শাহর মৃত্যু: ডনের বিরুদ্ধে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ গোপনের অভিযোগ ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ‘দিগোস’ মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ‘ক্রিটিক্যাল’, ৪৬ পিলারে ফাটল: সংসদে মন্ত্রী আশির দশকে ফিরছে সোশ্যাল মিডিয়া, এআই ছবির ট্রেন্ডে নেটিজেনরা বিএনপি ক্ষমতায় আর বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংকট হবে না, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে না— সেটা হতে পারে না: রুমিন ফারহানা ডিসেম্বরে হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

ইরানে প্রবেশ করেছে মার্কিন স্পেশাল ফোর্সের সেনারা: দ্য টেলিগ্রাফ

 

ভূপাতিত যুদ্ধবিমানের নিখোঁজ ক্রুকে খুঁজে বের করতে যুক্তরাষ্ট্রের স্পেশাল ফোর্সের সেনারা ইরানে প্রবেশ করেছে বলে দাবি করেছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফ। প্রতিবেদনে বলা হয়, স্থানীয় সময় শুক্রবার রাতে তারা দেশটিতে ঢুকে পড়েন।

এর আগে শুক্রবার দিনের শুরুতে ইরান যুক্তরাষ্ট্রের একটি এফ-১৫ যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করার দাবি করে। ওই বিমানে থাকা দু’জন ক্রুর মধ্যে একজনকে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ অভিযানের মাধ্যমে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে বলে জানানো হয়।

উদ্ধার অভিযানের সময় মার্কিন বাহিনীর একটি হেলিকপ্টারকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে ইরানের পুলিশ। এতে একটি হেলিকপ্টারের লেজের অংশে আগুন ধরে যায় এবং সেখান থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখা যায়। তবে ক্ষতিগ্রস্ত হেলিকপ্টারটি শেষ পর্যন্ত নিরাপদে অবতরণ করতে সক্ষম হয়।

এদিকে নিখোঁজ ক্রুকে উদ্ধারে যখন মার্কিন স্পেশাল ফোর্স মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছে, তখন তাকে আটক করতে পাল্টা অভিযান চালাচ্ছে ইরানি মিলিশিয়ারা। তবে প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত নিখোঁজ ওই ক্রুর কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।

ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে এক ঘোষণায় জানানো হয়েছে, মার্কিন বিমানবাহিনীর ওই পাইলটকে জীবিত বা মৃত অবস্থায় আটক করতে পারলে ৬৬ হাজার ডলার পুরস্কার দেওয়া হবে।

শুক্রবার এফ-১৫ যুদ্ধবিমানের পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের আরেকটি এ-১০ ওয়ার্থগ যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করার দাবিও করে ইরানি সেনারা। তাদের দাবি অনুযায়ী, বিমানটি হরমুজ প্রণালির কাছাকাছি পারস্য উপসাগরে আছড়ে পড়ে। এ-১০ মডেলের যুদ্ধবিমান সাধারণত কাছ থেকে আক্রমণ চালানোর জন্য ব্যবহৃত হয়।

সূত্র: দ্য টেলিগ্রাফ, বিবিসি, আল-জাজিরা

এনএনবাংলা/পিএইচ