সাম্প্রতিক
তিতাসের ‘সিস্টেম লস’ বছরে ১০ কার্গো এলএনজির সমপরিমাণ গ্যাস হাম ও উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, প্রাণহানি ছাড়াল ১ হাজার জুলাই জাদুঘরে অশ্রুসজল রাষ্ট্রপতি, বললেন ‘মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি’ সালমান শাহর মৃত্যু: ডনের বিরুদ্ধে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ গোপনের অভিযোগ ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ‘দিগোস’ মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ‘ক্রিটিক্যাল’, ৪৬ পিলারে ফাটল: সংসদে মন্ত্রী আশির দশকে ফিরছে সোশ্যাল মিডিয়া, এআই ছবির ট্রেন্ডে নেটিজেনরা বিএনপি ক্ষমতায় আর বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংকট হবে না, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে না— সেটা হতে পারে না: রুমিন ফারহানা ডিসেম্বরে হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩২ বছর করে সংসদে বিল পাস

 

সরকারি চাকরিতে প্রবেশের সর্বোচ্চ বয়সসীমা ৩২ বছর নির্ধারণ করে জাতীয় সংসদে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিল কণ্ঠভোটে পাস হয়েছে। এর ফলে বিসিএসসহ সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও সংবিধিবদ্ধ সংস্থায় সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে বয়সসীমা বাড়লো।

রোববার (৫ এপ্রিল) সংসদ অধিবেশনে ‘সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, সংবিধিবদ্ধ সরকারি কর্তৃপক্ষ, পাবলিক নন-ফাইন্যানসিয়াল কর্পোরেশনসহ স্বশাসিত সংস্থাসমূহে সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ বয়সসীমা নির্ধারণ বিল, ২০২৬’ উত্থাপন করেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী। পরে কণ্ঠভোটে বিলটি পাস হয়।

বিলে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (বিসিএস) -এর সব ক্যাডার এবং বিসিএস বহির্ভূত সরকারি চাকরিতে প্রবেশের সর্বোচ্চ বয়সসীমা হবে ৩২ বছর। এছাড়া স্বায়ত্তশাসিত ও সংবিধিবদ্ধ সংস্থার যেসব পদে আগে বয়সসীমা ৩০ বা অনূর্ধ্ব ৩২ ছিল, সেগুলোতেও এখন থেকে ৩২ বছর নির্ধারিত হবে।

তবে যেসব পদের নিয়োগ বিধিমালায় আগে থেকেই ৩২ বছরের বেশি বয়সসীমা (যেমন ৩৫, ৪০ বা ৪৫ বছর) নির্ধারিত আছে, সেসব ক্ষেত্রে পূর্বের উচ্চতর বয়সসীমা অপরিবর্তিত থাকবে। ফলে নতুন আইনের কারণে কোনো প্রার্থীর সুযোগ কমবে না।

অন্যদিকে, প্রতিরক্ষা বিভাগ এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিয়োগের ক্ষেত্রে বিদ্যমান বিধিমালা বহাল থাকবে।

বিলের উদ্দেশ্য সম্পর্কে প্রতিমন্ত্রী জানান, শিক্ষিত বেকার যুবকদের জন্য আরও বেশি কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি এবং শ্রমবাজারে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতেই বয়সসীমা বৃদ্ধি করা হয়েছে। এর আগে ২০২৪ ও ২০২৫ সালে জারি করা সংশ্লিষ্ট অধ্যাদেশ বাতিল করে স্থায়ী আইনি কাঠামো গড়তেই এই বিল আনা হয়েছে।

এছাড়া পূর্বের অধ্যাদেশে সৃষ্ট কিছু কারিগরি জটিলতা ও অস্পষ্টতা দূর করে নতুন আইনে স্পষ্টতা আনা হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়।

এনএনবাংলা/