সাম্প্রতিক
তিতাসের ‘সিস্টেম লস’ বছরে ১০ কার্গো এলএনজির সমপরিমাণ গ্যাস হাম ও উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, প্রাণহানি ছাড়াল ১ হাজার জুলাই জাদুঘরে অশ্রুসজল রাষ্ট্রপতি, বললেন ‘মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি’ সালমান শাহর মৃত্যু: ডনের বিরুদ্ধে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ গোপনের অভিযোগ ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ‘দিগোস’ মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ‘ক্রিটিক্যাল’, ৪৬ পিলারে ফাটল: সংসদে মন্ত্রী আশির দশকে ফিরছে সোশ্যাল মিডিয়া, এআই ছবির ট্রেন্ডে নেটিজেনরা বিএনপি ক্ষমতায় আর বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংকট হবে না, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে না— সেটা হতে পারে না: রুমিন ফারহানা ডিসেম্বরে হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

ইরানের জব্দ সম্পদ ছাড়ার খবর নাকচ করলো হোয়াইট হাউস

ইসলামাবাদে যুদ্ধবিরতি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রতিনিধিদের মধ্যে আলোচনা চলার মধ্যেই ইরানের জব্দ থাকা সম্পদ মুক্ত করার বিষয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আলোচনার আগেই ইরানের একটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত মেনে যুক্তরাষ্ট্র বিভিন্ন দেশে আটকে থাকা তেহরানের সম্পদ ছাড়তে সম্মত হয়েছে—এমন দাবি ওঠে। তবে শনিবার এ দাবি সরাসরি নাকচ করেছে হোয়াইট হাউস।

এর আগে বার্তাসংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এক জ্যেষ্ঠ ইরানি সূত্রের বরাতে বলা হয়, কাতারসহ বিভিন্ন দেশে আটকে থাকা ইরানের সম্পদ ছাড়তে যুক্তরাষ্ট্র রাজি হয়েছে। ওই সূত্রের মতে, সম্পদ মুক্ত করার বিষয়টি হরমুজ প্রণালিতে নিরাপদ নৌ চলাচল নিশ্চিত করার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, আলোচিত অর্থের পরিমাণ প্রায় ৬ বিলিয়ন ডলার। ২০১৮ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর পুনরায় নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে এবং পারমাণবিক চুক্তি থেকে সরে আসে। এর পরই এই অর্থ জব্দ করা হয়। মূলত দক্ষিণ কোরিয়ায় ইরানের তেল বিক্রির আয় থেকে এ অর্থ জমা হয়েছিল, যা সেখানকার বিভিন্ন ব্যাংকে সংরক্ষিত ছিল।

পরবর্তীতে ২০২৩ সালে কাতারের মধ্যস্থতায় একটি বন্দি বিনিময় চুক্তির অংশ হিসেবে এই অর্থ কাতারের ব্যাংকে স্থানান্তর করা হয়। ওই চুক্তির আওতায় ইরানে আটক পাঁচ মার্কিন নাগরিক এবং যুক্তরাষ্ট্রে আটক পাঁচ ইরানি নাগরিককে মুক্তি দেওয়া হয়েছিল।

সে সময় যুক্তরাষ্ট্র জানায়, এই অর্থ কেবল মানবিক খাতে—যেমন খাদ্য, ওষুধ, চিকিৎসা সরঞ্জাম ও কৃষিপণ্য—ব্যবহারের জন্য অনুমোদিত থাকবে। পাশাপাশি অর্থের ব্যবহার মার্কিন ট্রেজারির তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হবে বলেও জানানো হয়।

তবে ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে হামাসের হামলার পর, যাকে ইরানের ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে বিবেচনা করা হয়, প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসন আবারও এই অর্থ জব্দ করে। তখন মার্কিন কর্মকর্তারা জানান, অনির্দিষ্ট সময়ের জন্য ইরান এই অর্থ ব্যবহার করতে পারবে না এবং প্রয়োজনে পুরো হিসাব স্থগিত রাখার অধিকার ওয়াশিংটনের হাতে থাকবে।

সূত্র: বিবিসি ও টাইমস অব ইন্ডিয়া

এনএনবাংলা/পিএইচ