সাম্প্রতিক
তিতাসের ‘সিস্টেম লস’ বছরে ১০ কার্গো এলএনজির সমপরিমাণ গ্যাস হাম ও উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, প্রাণহানি ছাড়াল ১ হাজার জুলাই জাদুঘরে অশ্রুসজল রাষ্ট্রপতি, বললেন ‘মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি’ সালমান শাহর মৃত্যু: ডনের বিরুদ্ধে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ গোপনের অভিযোগ ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ‘দিগোস’ মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ‘ক্রিটিক্যাল’, ৪৬ পিলারে ফাটল: সংসদে মন্ত্রী আশির দশকে ফিরছে সোশ্যাল মিডিয়া, এআই ছবির ট্রেন্ডে নেটিজেনরা বিএনপি ক্ষমতায় আর বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংকট হবে না, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে না— সেটা হতে পারে না: রুমিন ফারহানা ডিসেম্বরে হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

ইরানের পর তুরস্ককে শত্রু ঘোষণা করতে পারে ইসরায়েল: হাকান ফিদান

 

কোনো শত্রু রাষ্ট্র ছাড়া ইসরায়েল টিকে থাকতে পারে না— এমন মন্তব্য করেছেন তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, ইরানের পর ইসরায়েল তুরস্ককে নতুন শত্রু হিসেবে চিহ্নিত করতে পারে।

আঙ্কারায় আনাদোলু এজেন্সি আয়োজিত ‘এডিটর’স ডেস্ক’ অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি আঞ্চলিক বিভিন্ন ইস্যুতে তুরস্কের অবস্থান তুলে ধরেন।

ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চলমান সংঘাতের প্রেক্ষাপটে হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচলে সৃষ্ট অচলাবস্থার প্রসঙ্গ তুলে ফিদান বলেন, গুরুত্বপূর্ণ বৈশ্বিক সমুদ্রপথ নিরাপদ রাখতে সামরিক পন্থা গ্রহণ করা অত্যন্ত জটিল হতে পারে।

তিনি বিশ্ব জ্বালানি সরবরাহের গুরুত্বপূর্ণ চোকপয়েন্ট হরমুজ প্রণালী দিয়ে নির্বিঘ্ন সামুদ্রিক বাণিজ্য চালু রাখতে কূটনৈতিক উদ্যোগ জোরদারের আহ্বান জানান। উপসাগরীয় অঞ্চলে বাড়তে থাকা উত্তেজনার মধ্যে আন্তর্জাতিক নৌপথ খোলা রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

ফিদান বলেন, বিশ্বের প্রত্যাশা হচ্ছে আন্তর্জাতিক যাতায়াত যেন অবাধ থাকে এবং কোনোভাবে বাধাগ্রস্ত না হয়। শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে এই জলপথে স্থিতিশীলতা আনা সম্ভব নয় বলেও সতর্ক করেন তিনি। তার ভাষায়, শান্তিপূর্ণ উপায়ে এই পথ পুনরায় চালু করাই তুরস্কের অবস্থান।

তিনি আরও বলেন, আন্তর্জাতিক সশস্ত্র শান্তিরক্ষী বাহিনী দিয়ে এই পরিস্থিতিতে হস্তক্ষেপ করাও অত্যন্ত কঠিন।

উত্তেজনা কমানোর বিষয়ে ওয়াশিংটন ও তেহরান উভয় পক্ষই সচেতন বলে উল্লেখ করেন ফিদান। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান— উভয় পক্ষই যুদ্ধবিরতির প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করছে এবং এ বিষয়ে আন্তরিক রয়েছে।

ইসরায়েলের আঞ্চলিক অবস্থান প্রসঙ্গে ফিদান বলেন, ইরানের পর তুরস্ককে নতুন প্রতিপক্ষ হিসেবে চিহ্নিত করার সম্ভাবনা রয়েছে, কারণ শত্রু ছাড়া ইসরায়েল টিকে থাকতে পারে না— এমন প্রবণতা দেখা যাচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, ইরানে চলমান যুদ্ধের কারণে আপাতত ইসরায়েল কিছু পদক্ষেপ নিচ্ছে না। তবে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি ভিন্ন হতে পারে এবং সময় এলে তারা সিরিয়ার বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিতে চাইতে পারে।

মধ্যপ্রাচ্যে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতার প্রতি পারস্পরিক সম্মানের ভিত্তিতে একটি বিস্তৃত আঞ্চলিক নিরাপত্তা কাঠামো গড়ে তোলার আহ্বানও জানান তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

এনএনবাংলা/পিএইচ