সাম্প্রতিক
তিতাসের ‘সিস্টেম লস’ বছরে ১০ কার্গো এলএনজির সমপরিমাণ গ্যাস হাম ও উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, প্রাণহানি ছাড়াল ১ হাজার জুলাই জাদুঘরে অশ্রুসজল রাষ্ট্রপতি, বললেন ‘মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি’ সালমান শাহর মৃত্যু: ডনের বিরুদ্ধে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ গোপনের অভিযোগ ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ‘দিগোস’ মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ‘ক্রিটিক্যাল’, ৪৬ পিলারে ফাটল: সংসদে মন্ত্রী আশির দশকে ফিরছে সোশ্যাল মিডিয়া, এআই ছবির ট্রেন্ডে নেটিজেনরা বিএনপি ক্ষমতায় আর বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংকট হবে না, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে না— সেটা হতে পারে না: রুমিন ফারহানা ডিসেম্বরে হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

টাইম ম্যাগাজিনের ১০০ প্রভাবশালীর তালিকায় তারেক রহমান

 

বিশ্বখ্যাত সাময়িকী টাইম-এর ২০২৬ সালের বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকায় স্থান পেয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এতে ‘লিডারস’ ক্যাটাগরিতে ১৬তম অবস্থানে রয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী।

বুধবার (১৫ এপ্রিল) প্রকাশিত এই তালিকায় তারেক রহমানকে নিয়ে মুখবন্ধ লিখেছেন টাইমের সিঙ্গাপুর ব্যুরো প্রধান ও ভূ-রাজনীতি বিশ্লেষক চার্লি ক্যাম্পবেল।

প্রতিবেদনে বলা হয়, দীর্ঘদিনের নির্বাসন শেষে বাংলাদেশের রাজনীতিতে তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তন এবং সাম্প্রতিক রাজনৈতিক উত্থানই তাকে এই তালিকায় জায়গা করে দিয়েছে।

নিবন্ধে উল্লেখ করা হয়, কয়েক মাস আগেও তিনি লন্ডনের দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলে সবুজ-শ্যামল পরিবেশে নির্বাসিত জীবন কাটাচ্ছিলেন। তবে ২০২৪ সালে বাংলাদেশের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ক্ষমতাচ্যুতি তার রাজনৈতিক অবস্থানে বড় পরিবর্তন আনে। এতে তিনি বিরোধী আন্দোলনকারী রাজনৈতিক ব্যক্তি থেকে জাতীয় নেতৃত্বের কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে আসেন।

স্বদেশ থেকে ১৭ বছর দূরে থাকার পর ফেব্রুয়ারিতে বিপুল ভোটে নির্বাচনী বিজয়ের মাধ্যমে তার রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নির্ধারিত হয়।

এতে আরও বলা হয়, এই বিজয়ের মাধ্যমে তিনি তার মা ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার পথ অনুসরণ করেন। তবে ঢাকায় ফেরার মাত্র পাঁচ দিনের মাথায় তার মৃত্যুর ঘটনা তার ব্যক্তিগত জীবনে গভীর শোক বয়ে আনে।

জানুয়ারিতে যখন তারেক রহমান টাইম-এর সঙ্গে কথা বলেন, তখনও তার শোক ছিল তীব্র। তবে তিনি এই শোককে তার ১৭৫ মিলিয়ন মানুষের দেশকে ঐক্যবদ্ধ করার কাজে লাগানোর এবং দক্ষিণ এশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতিকে পুনরায় সচল করার অঙ্গীকার করেন।

প্রতিবেদনে বাংলাদেশের উচ্চ মূল্যস্ফীতি, যুব বেকারত্ব এবং ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের অবনতির কথাও উল্লেখ করা হয়, যা দ্রুত সমাধানের প্রয়োজন বলে তুলে ধরা হয়েছে।

নিবন্ধে চার্লি ক্যাম্পবেল উল্লেখ করেন, ২০০০-এর দশকের দুর্নীতির অভিযোগগুলোর কারণে (যদিও পরে আদালত তা খারিজ করে দিয়েছে) তাদের সুসময় হয়তো অন্য যেকোনও সময়ের চেয়ে সংক্ষিপ্ত হবে। কিন্তু এত বছর লোকচক্ষুর অন্তরালে থাকার পর, তিনি আর সময় নষ্ট না করার জন্য দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। তারেক রহমান বলেন, আমাদের একসঙ্গে কাজ করতে হবে, ঐক্যবদ্ধ হতে হবে, যাতে মানুষ তাদের রাজনৈতিক অধিকার পেতে পারে।

এনএনবাংলা/