সাম্প্রতিক
তিতাসের ‘সিস্টেম লস’ বছরে ১০ কার্গো এলএনজির সমপরিমাণ গ্যাস হাম ও উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, প্রাণহানি ছাড়াল ১ হাজার জুলাই জাদুঘরে অশ্রুসজল রাষ্ট্রপতি, বললেন ‘মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি’ সালমান শাহর মৃত্যু: ডনের বিরুদ্ধে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ গোপনের অভিযোগ ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ‘দিগোস’ মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ‘ক্রিটিক্যাল’, ৪৬ পিলারে ফাটল: সংসদে মন্ত্রী আশির দশকে ফিরছে সোশ্যাল মিডিয়া, এআই ছবির ট্রেন্ডে নেটিজেনরা বিএনপি ক্ষমতায় আর বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংকট হবে না, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে না— সেটা হতে পারে না: রুমিন ফারহানা ডিসেম্বরে হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

মুক্তিযুদ্ধের ছবি তোলা প্রখ্যাত আলোকচিত্রী রঘু রাই মারা গেছেন

ভারতের প্রখ্যাত ও আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন আলোকচিত্রী রঘু রাই আর নেই। রোববার (২৬ এপ্রিল) নয়াদিল্লির একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৩ বছর।

রঘু রাই ছিলেন ভারতের অন্যতম প্রভাবশালী আলোকচিত্রী। বিশেষ করে বাংলাদেশের মানুষের হৃদয়ে তিনি অমর হয়ে থাকবেন ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের চিত্র বিশ্ববাসীর সামনে নিখুঁতভাবে তুলে ধরার জন্য। সে সময় তিনি ভারতের বিখ্যাত পত্রিকা ‘দ্য স্টেটসম্যান’-এর প্রধান আলোকচিত্র সাংবাদিক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে তিনি ভারতের বিভিন্ন সীমান্ত এলাকা ও শরণার্থী শিবিরে অবস্থান করে বাংলাদেশি শরণার্থীদের দুর্দশা এবং মানবিক বিপর্যয়ের হৃদয়স্পর্শী দৃশ্য ক্যামেরাবন্দি করেন। শুধু তাই নয়, জীবনের ঝুঁকি নিয়ে তিনি বাংলাদেশে প্রবেশ করে মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মুখযুদ্ধের দৃশ্য এবং পাকিস্তানি বাহিনীর আত্মসমর্পণের ঐতিহাসিক মুহূর্তগুলোও ধারণ করেন।

তার তোলা এসব আলোকচিত্র আজ বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসের এক অনন্য দলিল হিসেবে বিবেচিত হয়। বিজয়ী মুক্তিযোদ্ধাদের বীরবেশে দেশে ফেরা কিংবা রণাঙ্গনের ভয়াবহতা—সবকিছুই তার ক্যামেরার জাদুতে জীবন্ত হয়ে ফুটে উঠেছিল। এসব কাজই তাকে বিশ্বজুড়ে এনে দেয় আকাশচুম্বী খ্যাতি ও সম্মান।

রঘু রাইয়ের প্রয়াণে আন্তর্জাতিক আলোকচিত্র ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া। তার এই মৃত্যু দক্ষিণ এশিয়ার সাংবাদিকতা ও আলোকচিত্র জগতের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

এনএনবাংলা/পিএইচ