



পবিত্র হজকে কেন্দ্র করে এবার সৌদি আরবে বিরূপ আবহাওয়ার আশঙ্কার কথা জানিয়েছে দেশটির ন্যাশনাল সেন্টার ফর মেটিওরোলজি (এনসিএম)। সংস্থাটি জানিয়েছে, হজের সময় বিভিন্ন অঞ্চলে তীব্র গরমের পাশাপাশি ধুলিঝড়ের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।
এনসিএমের পূর্বাভাস অনুযায়ী, নজরান, রিয়াদ, ইস্টার্ন প্রভিন্স, নর্দার্ন বর্ডারস অঞ্চল, আল-জৌফ ও তাবুকের কিছু এলাকায় ধূলি ও বালুবাহী বাতাস বয়ে যেতে পারে। এছাড়া জাজান, আসির, আল-বাহা এবং মক্কার পার্বত্য অঞ্চলের কিছু অংশে বজ্রসহ বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনাও রয়েছে।
আবহাওয়া বিভাগ জানিয়েছে, মদিনা, মক্কা এবং পবিত্র স্থানগুলোর সংযোগ সড়কগুলোতে সামগ্রিক আবহাওয়া স্থিতিশীল থাকলেও দিনের বেলায় গরম থেকে অতি গরম অনুভূত হবে। হজের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম আগামী ২৫ মে শুরু হওয়ার আগে এসব পথে বিপুল সংখ্যক হজযাত্রীর চলাচল থাকবে।
পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, মক্কায় তাপমাত্রা সর্বোচ্চ ৪৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং মদিনায় ৪৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত উঠতে পারে। একই সঙ্গে আর্দ্রতার পরিমাণ ৪০ শতাংশ পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। খোলা এলাকাগুলোতে ধূলিবাহী বাতাসও প্রবাহিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
সৌদি প্রেস এজেন্সির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আবহাওয়া পরিস্থিতি বিবেচনায় হজযাত্রী ও ভ্রমণকারীদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। যাত্রার আগে যানবাহন প্রস্তুত রাখা, নিরাপত্তা নির্দেশনা মেনে চলা এবং পানিশূন্যতা এড়াতে পর্যাপ্ত পানি ও তরল পান করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
চলতি বছর হজ পালনে অন্তত ১৬ লাখ মুসল্লির মক্কায় সমবেত হওয়ার কথা রয়েছে। বিশ্বের বৃহত্তম বার্ষিক ধর্মীয় এই সমাবেশকে ঘিরে তাই আবহাওয়া ও নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে সৌদি কর্তৃপক্ষ।
হজের মূল আনুষ্ঠানিকতা মক্কা ও আশপাশের পবিত্র স্থানগুলোতে সম্পন্ন হলেও, অনেক হজযাত্রী হজের আগে কিংবা পরে ইসলামের দ্বিতীয় পবিত্রতম শহর মদিনা সফর করেন। যদিও মদিনা সফর হজের বাধ্যতামূলক অংশ নয়, তবুও এর আধ্যাত্মিক ও ঐতিহাসিক গুরুত্বের কারণে অধিকাংশ মুসল্লি সেখানে কয়েকদিন অবস্থানকে অগ্রাধিকার দেন।
এনএনবাংলা/পিএইচ
এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন