




কঙ্গোতে প্রাণঘাতী ইবোলা ভাইরাসের সংকটজনক পরিস্থিতির মুখে বৈশ্বিক জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। আফ্রিকার দেশটিতে এই সংক্রামক ভাইরাসে ইতোমধ্যে ৮০ জনের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে।
স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ভাইরাসটির বর্তমান ‘বান্ডিবুগিও’ ধরনটির জন্য এখনো কার্যকর কোনো প্রতিষেধক বা ভ্যাকসিন নেই। এ প্রেক্ষাপটে ডব্লিউএইচও রোববার (১৭ মে) এই প্রাদুর্ভাবকে ‘উদ্বেগজনক বৈশ্বিক পাবলিক হেলথ ইমার্জেন্সি’ হিসেবে ঘোষণা করেছে, যা আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য বিধিমালা অনুযায়ী দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সতর্কতা স্তর।
আক্রান্তের প্রকৃত সংখ্যা ও সংক্রমণের বিস্তার এখনো পুরোপুরি স্পষ্ট নয়। যদিও এটিকে এখনো মহামারি ঘোষণা করা হয়নি, তবুও আন্তর্জাতিক সংস্থা ‘ডক্টরস উইদাউট বর্ডারস’ বা এমএসএফ জানিয়েছে, তারা বৃহৎ পরিসরে জরুরি কার্যক্রম শুরু করার প্রস্তুতি নিচ্ছে।
ইবোলা সংক্রমণের লক্ষণ কী?
ইবোলা ভাইরাসে আক্রান্ত হলে সাধারণত যে লক্ষণগুলো দেখা যায়—
বিশেষজ্ঞদের ধারণা, এই ভাইরাসের উৎস বাদুড়। ভাইরাসটি মানুষের শরীরে প্রবেশের পর লালা, ঘাম, রক্তসহ বিভিন্ন দেহতরলের মাধ্যমে একজন থেকে আরেকজনের মধ্যে ছড়ায়।
আক্রান্ত হওয়ার পর লক্ষণ প্রকাশ পেতে সর্বোচ্চ ২১ দিন সময় লাগতে পারে।
মৃত্যুহার ও অতীত প্রাদুর্ভাব
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, গত ৫০ বছরে ইবোলার বিভিন্ন প্রাদুর্ভাবে মৃত্যুহার ছিল ২৫% থেকে ৯০% পর্যন্ত। আফ্রিকায় এ পর্যন্ত প্রায় ১৫ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে এই ভাইরাসে।
গত বছরের আগস্টেও কঙ্গোর মধ্যাঞ্চলে ইবোলার প্রাদুর্ভাব দেখা গিয়েছিল, যা পরিস্থিতিকে আরও উদ্বেগজনক করে তুলেছে।
এনএনবাংলা/
Tags: Congo Ebola CrisisEbola Outbreak 2026Ebola SymptomsEbola VirusWHO Global Emergencyবোলা ভাইরাস
এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন