সাম্প্রতিক
আশুলিয়ায় তালাবদ্ধ ঘর থেকে নবজাতকসহ তিনজনের মরদেহ উদ্ধার ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চ শুরু একাত্তরে বাবা কেন শান্তি কমিটিতে ছিলেন, জানালেন আসিফ আকবর অনূর্ধ্ব-২০ এশিয়া কাপ হকিতে চাইনিজ তাইপেকে বড় ব্যবধানে হারালো বাংলাদেশ গ‍্যাস সরবরাহ কমার পর বেড়েছে লোডশেডিং নিট ফেব্রিক আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা নিয়ে উদ্বেগ ইরানের ভূগর্ভস্থ পারমাণবিক স্থাপনায় হামলার হুমকি ট্রাম্পের নিজস্ব ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতির জাগরণ ঘটানোই আমাদের মহাপরিকল্পনা: রেজাউদ্দিন স্টালিন মদিনার সব মসজিদে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়তে পারবেন নারীরা রাজধানীতে তিন দিনব্যাপী পর্যটন মেলা শুরু
Skip to content

প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরে ‘অনুকূল পরিবেশ নেই’: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র একে এম শহীদুল করিম। ছবি:সংগৃহীত

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফরের জন্য এখনো ‘অনুকূল পরিবেশ’ তৈরি হয়নি বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ। সফরের আগে দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে অনুকূল পরিবেশ তৈরির ওপর গুরুত্ব দিয়েছে ঢাকা।

রোববার (১৬ আগস্ট) দুপুরে এক ব্রিফিংয়ে এ কথা জানান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র একে এম শহীদুল করিম।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য দ্বিপক্ষীয় সফর নিয়ে বাংলাদেশ ও ভারতের কর্মকর্তারা গত কয়েক সপ্তাহ ধরে যোগাযোগ করছেন। তবে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে দণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনা ৫ আগস্ট নয়াদিল্লিতে যেভাবে প্রকাশ্যে সংবাদ সম্মেলনে কথা বলেছেন, তাতে সফর ঘিরে চলমান প্রক্রিয়ার পরিবেশ বিনষ্ট হয়েছে।

এ বিষয়ে বাংলাদেশের অবস্থান পরিষ্কার করা হয়েছে জানিয়ে শহীদুল করিম বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের জন্য একটি অনুকূল পরিবেশ তৈরি করা প্রয়োজন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আরও বলেন, দ্বিপক্ষীয় প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুযায়ী শেখ হাসিনা ও অন্যান্য পলাতক অপরাধীকে দ্রুত বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর জন্য ভারতীয় কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে শরীফ ওসমান হাদি হত্যায় অভিযুক্তদেরও বাংলাদেশের কাছে হস্তান্তরের অনুরোধ করা হয়েছে। এসব বিষয়ে এখন ভারতের জবাবের অপেক্ষায় রয়েছে বাংলাদেশ।

সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সার্বভৌম সমতা, জাতীয় মর্যাদা, একে অপরের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা এবং পারস্পরিক স্বার্থের ভিত্তিতে প্রতিবেশীসহ বিশ্বের অন্যান্য দেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক উন্নয়নে বাংলাদেশ তার ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ (বাংলাদেশ প্রথম) নীতি অব্যাহত রাখবে।

এনএনবাংলা/