



প্রথমার্ধে একের পর এক আক্রমণ চালিয়েও প্যারাগুয়ের রক্ষণভাগ ভাঙতে পারেনি ফ্রান্স। তবে দ্বিতীয়ার্ধে পাওয়া পেনাল্টি থেকে কিলিয়ান এমবাপ্পের একমাত্র গোলে ১-০ ব্যবধানে জয় তুলে নিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা নিশ্চিত করেছে দিদিয়ের দেশমের দল।
ম্যাচের শুরু থেকেই বলের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের কাছে রেখে আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে ফরাসিরা। এমবাপ্পে ও মাইকেল ওলিসেকে ঘিরে একাধিক আক্রমণ গড়ে তুললেও প্যারাগুয়ের দৃঢ় রক্ষণ তাদের গোলের দেখা পেতে দেয়নি।
প্রথমার্ধে প্রায় ৮০ শতাংশ সময় বলের দখল ছিল ফ্রান্সের কাছে। তবে আধিপত্য ধরে রাখলেও পরিষ্কার গোলের সুযোগ খুব বেশি তৈরি করতে পারেনি তারা। ফলে গোলশূন্য সমতায় থেকেই বিরতিতে যায় দুই দল।
দ্বিতীয়ার্ধে গোলের খোঁজে ৬১তম মিনিটে প্রথম পরিবর্তন আনেন ফ্রান্সের কোচ দিদিয়ের দেশম। ব্র্যাডলি বারকোলার পরিবর্তে মাঠে নামেন দেজিরে দুয়ে। মাঠে নেমেই তিনি পেনাল্টি আদায় করে নেন, যা ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়।
স্পটকিক থেকে ঠান্ডা মাথায় বল জালে পাঠিয়ে ফ্রান্সকে এগিয়ে দেন অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপ্পে। এই গোলের মাধ্যমে চলতি বিশ্বকাপে নিজের গোলসংখ্যা সাতে উন্নীত করে লিওনেল মেসির সমান হয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতাদের তালিকায় মেসির ২০ গোলের রেকর্ড থেকে মাত্র এক গোল দূরে পৌঁছে গেছেন এমবাপ্পে, যার গোলসংখ্যা এখন ১৯।
গোল হজমের পর সমতায় ফেরার জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে প্যারাগুয়ে। শেষ দিকে এমবাপ্পেও ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ পেয়েছিলেন। ডি-বক্সের ভেতর থেকে তার টানা দুটি শট দারুণ দক্ষতায় রুখে দেন প্যারাগুয়ের গোলরক্ষক গিল।
শেষ পর্যন্ত এমবাপ্পের একমাত্র গোলই ম্যাচের পার্থক্য গড়ে দেয়। ১-০ ব্যবধানে জয় তুলে নিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করে ফ্রান্স।
এনএনবাংলা/
Tags: কোয়ার্টার ফাইনালপ্যারাগুয়েফ্রান্স
এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন