সাম্প্রতিক
এআইইউবি’র ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান ড. হাসানুল এ. হাসান, ভাইস চেয়ারম্যান ইশতিয়াক আবেদীন ডেঙ্গুতে বাড়ছে মৃত্যু, সেপ্টেম্বরের ১৩ দিনেই ৬০ প্রাণহানি যুক্তরাজ্য ভেঙে দিতে চায় তিন দেশ, ফার্স্ট মিনিস্টারদের চুক্তি বিদ্যুতে লুটপাট: ১৭ বছরে পরিশোধ ২,৮৯,৯৪৯ কোটি টাকার ক্যাপাসিটি চার্জ! ডাকসুতে জিন্নাহ’র ছবি প্রদর্শনকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে: ঢাবি কর্তৃপক্ষ ঢাকা দক্ষিণে সাদিক কায়েম, উত্তরে সেলিম উদ্দিনকে মেয়র প্রার্থী করল জামায়াত ব্যাংকে কোটি টাকার হিসাব ছাড়াল ১ লাখ ৪১ হাজার হরমুজ বন্ধের খবরে তেলের দাম বাড়ছে হু হু করে ময়মনসিংহ মেডিকেলে আগুন, আতঙ্কে পদদলিত হয়ে শিশুসহ নিহত ৬ টানাপোড়েনের মধ্যেও বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক রাখতে চায় ভারত
Skip to content

স্নিগ্ধা চৌধুরীর বিলাসী জীবনযাত্রার আয়ের উৎস অনুসন্ধানে দুদকে অভিযোগ

ছবি: স্নিগ্ধা চৌধুরীর ইনস্টাগ্রাম থেকে নেওয়া

সাম্প্রতিক সময়ে বিতর্কিত মডেল ও অভিনয়শিল্পী স্নিগ্ধা চৌধুরীর বিলাসবহুল জীবনযাত্রার আয়ের উৎস অনুসন্ধান এবং তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে।

রোববার (৯ আগস্ট) রাজধানীর মিরপুরের বাসিন্দা মইনুদ্দিন আহমদ দুদক চেয়ারম্যান বরাবর এ আবেদন করেন।

দুদকের প্রাপ্তি শাখায় জমা দেওয়া অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, দৃশ্যমান কোনো বড় আয়ের উৎস না থাকা সত্ত্বেও স্নিগ্ধা চৌধুরী বিলাসবহুল জীবনযাপন করছেন। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, এ পর্যন্ত তিনি ‘রাস্তা’ ও ‘প্রেশার কুকার’ নামে দুটি সিনেমায় কাজ করেছেন।

অভিযোগপত্রে আরও বলা হয়, ‘প্রেশার কুকার’ সিনেমায় স্নিগ্ধা চৌধুরীর নিজেরও বড় অঙ্কের বিনিয়োগ রয়েছে বলে জানা গেছে। হাতে গোনা কয়েকটি বিজ্ঞাপন ও র‍্যাম্প শোতে অংশ নেওয়া সত্ত্বেও তিনি কোটি টাকা মূল্যের গাড়ি ব্যবহার করেন এবং বিলাসবহুল ফ্ল্যাটে বসবাস করেন বলে অভিযোগে দাবি করা হয়েছে।

অভিযোগে আরও দাবি করা হয়, ব্ল্যাকমেইলিং, অবৈধ উপায়ে সম্পদ অর্জন, মাদক ও স্বর্ণ চোরাচালানের মতো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে তিনি বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছেন। পাশাপাশি দেশ-বিদেশের একাধিক শীর্ষ সন্ত্রাসীর সঙ্গে তার সখ্যতা রয়েছে বলেও অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।

সাম্প্রতিক একটি ভিডিও বার্তার প্রসঙ্গ টেনে অভিযোগে বলা হয়, স্নিগ্ধা চৌধুরী প্রকাশ্যে দাবি করেছেন, তার মূল্যবান গাড়ি মিরপুরের মতো এলাকায় চলাচলের উপযুক্ত নয়। এছাড়া সবসময় বডিগার্ড সঙ্গে রাখা এবং তার প্রভাবশালী বয়ফ্রেন্ড দেশের শাসনব্যবস্থাকে পরোয়া করেন না—এমন উসকানিমূলক ও অবমাননাকর মন্তব্য করতেও তাকে দেখা গেছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

এসব কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে সামাজিক মূল্যবোধের চরম অবক্ষয় ঘটছে উল্লেখ করে, স্নিগ্ধা চৌধুরীর অর্জিত সম্পদের উৎস দ্রুত অনুসন্ধান এবং অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন আবেদনকারী।

তবে অভিযোগপত্রে উত্থাপিত এসব অভিযোগের বিষয়ে স্নিগ্ধা চৌধুরীর বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

এনএনবাংলা/