কুবিতে চালু হচ্ছে ভাষা ইনস্টিটিউট, কোর্সে অকৃতকার্য হলে আটকে যেতে পারে স্নাতক সনদ

উচ্চশিক্ষা ও কর্মসংস্থানের বৈশ্বিক সম্ভাবনা বাড়াতে শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন ভাষা শেখানোর উদ্যোগ নিয়েছে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় (কুবি)। এ লক্ষ্যে একটি ভাষা ইনস্টিটিউট চালুর পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে যাচ্ছে প্রশাসন। প্রাথমিক পর্যায়ে ইংরেজির পাশাপাশি জাপানি, চীনা ও আরবি ভাষা প্রশিক্ষণের পরিকল্পনা রয়েছে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, একাডেমিক কাউন্সিলে অনুমোদনের পর ইউজিসি থেকেও মৌখিক অনুমতি মিলেছে। ইউজিসির নির্দেশনায় ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠার প্রস্তাবটি ইতোমধ্যে পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে ইউজিসিতে প্রস্তাবটি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। ভাষা ইনস্টিটিউটের কার্যক্রম আগামী ২০২৬–২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকে শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে প্রশাসনের। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি ভাষা শেখার সুযোগ থাকবে বাইরের আগ্রহী শিক্ষার্থীদেরও।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, শিক্ষার্থীদের প্রথম বা দ্বিতীয় সেমিস্টারে একটি ক্রেডিটভিত্তিক বেসিক ইংরেজি কোর্স এবং প্রথম বা দ্বিতীয় বর্ষে তৃতীয় ভাষার কোর্স করতে হবে। তৃতীয় ভাষার কোর্সটি নন-ক্রেডিট হলেও শিক্ষার্থীদের জন্য তা বাধ্যতামূলক করা হবে। একাডেমিক কার্যক্রমের বাইরে ভিন্ন সময়ে চলবে এর শিখন কার্যক্রম। কোর্সের মেয়াদ হবে ছয় মাস। কোনো শিক্ষার্থী এক মেয়াদে কোর্স সম্পন্ন করেও অকৃতকার্য হলে তাকে পুনরায় কোর্সে ভর্তি হতে হবে। এমনকি ভাষাশিক্ষা কোর্সে উত্তীর্ণ হওয়ার সনদ ছাড়া শিক্ষার্থীদের স্নাতকের সনদ আটকে দেওয়ার কথাও জানিয়েছে প্রশাসন।
ইতোমধ্যে অবকাঠামো নির্মাণের কাজ শুরু করেছে প্রশাসন। বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠের পূর্ব-দক্ষিণ কোণে এর কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. আমজাদ হোসেন সরকার বলেন, ছয় মাস মেয়াদি এই কোর্সের মূল লক্ষ্য শিক্ষার্থীদের দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহারযোগ্য ভাষাজ্ঞান দেওয়া। বিদেশে উচ্চশিক্ষার সময় যোগাযোগ, দৈনন্দিন কাজ এবং সম্ভাব্য কর্মসংস্থানে এই দক্ষতা তাদের সহায়ক হতে পারে।
এনএনবাংলা/
