সাম্প্রতিক
সড়ক দুর্ঘটনায় ৬ বছর ১০ মাসে নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে ৩০০ পরিবার প্রথম ধাপে ১,০৫০ ইউনিয়ন পরিষদে ভোট রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে মিয়ানমার সরকারের পাশাপাশি আরাকান আর্মির সঙ্গেও আলোচনা চলছে: শামা ওবায়েদ বাংলাদেশি নাগরিকদের মাথাপিছু বৈদেশিক ঋণ ৬৪৬ ডলার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ৬ স্থানে একই সময়ে হাতবোমা বিস্ফোরণ, আটক ১ গুলশান-১ গোলচত্বরে তিন বিঘা জমিতে ৪০ তলা ভবনের ছক এঁকেছে শান্তা হোল্ডিংস বিনা খরচে মালয়েশিয়ায় চাকরি, লটারিতে প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত ৩০০ জন ভাটারায় স্কুল বাসে আগুন, মালিবাগ সিআইডি কার্যালয়ের পার্কিংয়ে ককটেল বিস্ফোরণ রমজানের আগে ১০ পণ্যের এলসি খোলার শর্ত শিথিল করল বাংলাদেশ ব্যাংক এইচএসসি খাতা পুনঃনিরীক্ষণে ২ লাখ ৯১ হাজার আবেদন, ‘সবচেয়ে বেশি ইংরেজিতে’
Skip to content

ভিক্ষুকের টাকা আত্মসাৎ, চট্টগ্রামে কথিত এনজিও কর্মকর্তা আটক

সমিতির নামে মোটা অংকের ঋণ দেয়ার আশ্বাস দিয়ে ভিক্ষুক-প্রতিবন্ধীসহ নিম্ন আয়ের মানুষের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগে জান্নাতুল নাঈমা (৩৩) নামে কথিত এক নারী এনজিওর কর্মকর্তাকে আটক করেছে পুলিশ।

চট্টগ্রাম মহানগরীর হামজারবাগ এলাকা থেকে সোমবার তাকে আটক করা হয়।

ওই নারীকে আটক করার খবর পেয়ে সোমবার রাতে প্রতারিত শত শত নারী পুরুষ সিএমপির পাঁচলাইশ থানার সামনে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ করেন।

পুলিশ জানায়, জান্নাতুল নাঈমা হামজারবাগ এলাকায় নিজের বাড়িতে ‘সেভ এজ ইওর আর্ন (এসএজওয়াইএ)’ নামে একটি এনজিওর প্রধান বলে দাবি করেছেন। তিনি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় প্রতি জন মানুষকে অনুদান দিবে আশ্বাস দিয়ে প্রায় ১৪ হাজার মানুষের কাছ থেকে টোকেনের মাধ্যমে ২০০ টাকা করে জমা নেয়। যার বিপরীতে জমাদানকারীরা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো চার হাজার টাকা করে অনুদান পাবেন বলে আশ্বস্থ করেন। মানুষকে বিশ্বাস করাতে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর উপপরিচালকের ত্রাণ-১ শাখার উপসচিবের স্বাক্ষর জালিয়াতি করে একটি খসড়া বানিয়েছেন। যেখানে কীভাবে এনজিওটিতে টাকা দেবে সরকার আর পরে তা দেয়া হবে জমাদানকারীদের তার সবই লেখা আছে। সময় পার হতে থাকলে ক্ষণে ক্ষণে জমাদানকারীরা টাকা চাইতে অফিসে গেলেই হুমকি ধমকিও দিতেন।

এব্যাপারে পাঁচলাইশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদুল কবীর বলেন, ‘এসএইওয়াইএফ নামে সংস্থাটি এনজিওর আদলে পরিচালনা করেন জান্নাতুল নাঈমা। সেখানে তার অধীনে আরও লোকজন কাজ করেন। তারা মূলত ব্যাংকের মতো করে টাকা জমা নেন, এর বিপরীতে অনুদান ও ক্ষুদ্রঋণ দেয়ার আশ্বাস দেন। তবে সংস্থাটির এনজিও হিসেবে কোনো সরকারি অনুমোদন নেই।’

ওসি জানান, ভিক্ষুক, প্রতিবন্ধী ভাসমান লোকজন, ‘গৃহকর্মী, নিম্ন আয়ের হতদরিদ্র লোকজনের কাছ থেকে সংস্থার লোকজন টাকা সংগ্রহ করে। আমরা প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছি, করোনার শুরুতে তারা সংস্থার কার্যক্রম শুরু করে। হামজারবাগসহ আশপাশের এলাকায় প্রায় ১৩ থেকে ১৪ হাজার লোকের কাছ থেকে ২০০ টাকা করে আদায় করেছে। অনুদান- ক্ষুদ্রঋণ দেয়ার আশ্বাস দিলেও কেউই পাননি। বরং অফিসে ধর্না দিয়ে হয়রানির শিকার হয়েছেন।’

—ইউএনবি