সাম্প্রতিক
তিতাসের ‘সিস্টেম লস’ বছরে ১০ কার্গো এলএনজির সমপরিমাণ গ্যাস হাম ও উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, প্রাণহানি ছাড়াল ১ হাজার জুলাই জাদুঘরে অশ্রুসজল রাষ্ট্রপতি, বললেন ‘মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি’ সালমান শাহর মৃত্যু: ডনের বিরুদ্ধে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ গোপনের অভিযোগ ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ‘দিগোস’ মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ‘ক্রিটিক্যাল’, ৪৬ পিলারে ফাটল: সংসদে মন্ত্রী আশির দশকে ফিরছে সোশ্যাল মিডিয়া, এআই ছবির ট্রেন্ডে নেটিজেনরা বিএনপি ক্ষমতায় আর বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংকট হবে না, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে না— সেটা হতে পারে না: রুমিন ফারহানা ডিসেম্বরে হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

শাহবাগে ৮ ছাত্র সংগঠনের মিছিলে পুলিশের বাধা

জ্বালানি তেল ও দ্রব্যের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদ এবং নিরাপদ সড়ক ও শিক্ষার্থীদের হাফ ভাড়ার দাবিতে আট ছাত্রসংগঠন শাহবাগ অবরোধ করতে গেলে পুলিশ বাধা দেয়। এ সময় ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটে। ছবিটি সোমবার তোলা।

নিজস্ব প্রতিবেদক:

হাফ ভাড়ার গেজেট পাস, নাঈম হাসান হত্যাকান্ডের বিচার দাবি ও নিরাপদ সড়কের দাবিতে রাজধানীর শাহবাগে পুলিশের সঙ্গে বাম ছাত্র সংগঠনগুলোর হাতাহাতি হয়েছে। সোমবার (২৯ নভেম্বর) দুপুর ১২টা দিকে আট ছাত্র সংগঠন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি থেকে শাহবাগ পর্যন্ত এলে পুলিশ মিছিলে বাধা দেয়। পরে মিছিলকারীরা সড়কে বসে পড়েন। এ সময় বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রীর সাধারণ সম্পাদক দিলীপ রায় বলেন, পুলিশ জনগণের বন্ধু নয়। রাস্তায় মিছিলে হামলা করে প্রমাণ করেছে, তারা নিরাপদ সড়ক চায় না। তারা এর আগেও আমাদের ওপর হামলা করেছে। তিনি আরও বলেন, পুলিশ দিয়ে আন্দোলন থামানো যাবে না।

সড়কে মানুষ মরে, সরকার কী করে? তিনি বলেন, দসড়কে হত্যাকান্ডের বিচার করতে হবে। শিক্ষার্থীদের জন্য হাফ পাস কার্যকর করতে হবে। বর্ধিত ভাড়া প্রত্যাহার করতে হবে। যতদিন পর্যন্ত আমাদের দাবি মানা না হবে, ততদিন আমাদের আন্দোলন চলবে। বাংলাদেশ ছাত্র ফেড়ারেশনের সভাপতি মিতু সরকার বলেন, শিক্ষার্থীদের মিছিল দেখে তারা ভয় পেয়েছে। আমাদের অনেক আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীকে তুলে নেওয়া হয়েছে। এই আন্দোলন চলবে। বিপ্লবী ছাত্র-যুব আন্দোলন অফিস ও দপ্তর সম্পাদক আবদুল মমিন বলেন, আজ নাঈম হত্যার পর মেয়র এসে মূলা ঝুলিয়ে দায় এড়াতে চান। ছাত্রদের সঙ্গে শ্রমিকদের একটা বিরোধ লাগিয়ে দেওয়ার চেষ্টা চলছে। সব জায়গায় এক ধরনের নৈরাজ্য চলছে।