Skip to content

কক্সবাজারে ২০ একর পেলো বাফুফে

অনলাইন ডেস্ক :

ফিফার টেকনিক্যাল সেন্টার (সেন্টার অব এক্সিলেন্স) তৈরির জন্য ২০ একর জমি হস্তান্তর করেছে কক্সবাজার দক্ষিণ বন বিভাগ। কক্সবাজারের রামুর খুনিয়াপালং ইউনিয়নের জঙ্গল খুনিয়াপালং মৌজার রিজার্ভ ফরেস্টের বন অধিদপ্তর কতৃর্ক ২০ একর জমি সোমবার বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনকে (বাফুফে) হস্তান্তর করা হয়েছে। খুনিয়াপালং এ টি এম জাফর আলম মাল্টিডিসিপ্লিন একাডেমি মাঠে অনুষ্ঠান হয়েছে। সেখানে বাফুফে ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের কাছে জমির কাগজ হস্তান্তর করেন কক্সবাজার দক্ষিণ বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মো. সরোয়ার আলম। অনুষ্ঠানে বাফুফের সহসভাপতি ও ডেভেলপমেন্ট কমিটির আতাউর রহমান ভূঁইয়া মানিক উপস্হিত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেছেন, ‘বাংলাদেশ এত অল্প সময়ে সরকারি জমি দিয়ে ইতিহাস সৃষ্টি করেছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সদিচ্ছা, উনি অত্যন্ত ক্রীড়ামোদি। সবসময় প্রধানমন্ত্রী ফুটবলের পাশে থেকেছেন। স্হায়ীভাবে বিনা মূল্যে জমি দিয়েছেন। ফুটবলের উন্নয়নে এটি অনেক বড় পদক্ষেপ। বাফুফের জন্য আজ আনন্দের দিন।’ অত্যাধুনিক সুযোগ-সুবিধা থাকবে কক্সবাজারের এই টেকনিক্যাল সেন্টারে। আতাউর রহমান ভূঁইয়া মানিক বলেন, ‘এটা সেন্টার অব এক্সিলেন্স, এখানে জিমন্যাশিয়াম, আবাসিক হল, দুটি আর্টিফিসিয়াল টার্ফ এবং একাধিক ঘাসের মাঠ থাকবে।’ কক্সবাজার বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ পর্যটনকেন্দ্র। সেখানে এই টেকনিক্যাল সেন্টারে দেশের আগামীর ফুটবলার তৈরির প্রয়াস চালাবে বাফুফে, যা পর্যটন খাতের বিকাশেও ভূমিকা রাখবে বলে মনে করেন বাফুফের ডেভেলপমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান। অনুষ্ঠানে কর্মকর্তারা জানান, টেকনিক্যাল সেন্টারের জন্য নির্ধারিত জমির পরিমাণ ২০ একর। এর দৈর্ঘ্য ৯০৮ ফুট, প্রস্হ ৯৬৮ ফুট। সর্বমোট জমির পরিমাণ দাঁড়ায় ৮ লাখ ৭৯ হাজার ২০০ স্কয়ার ফুট, যার উন্নয়নে ফিফা প্রথম ধাপে সাড়ে ৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার দেবে। পরে ধাপে ধাপে আরও বরাদ্দ দেওয়া হবে। জমি হস্তান্তর অনুষ্ঠানে ফিফার দক্ষিণ এশিয়ার ডেভেলপমেন্ট কর্মকর্তা প্রিন্স রোফাস, ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মেজবাহ উদ্দিন, স্হানীয় সংসদ সদস্য সায়মুম সরোয়ার কমল, জেলা প্রশাসক মো. মামুনুর রশীদ, বাফুফের সাধারণ সম্পাদক আবু নাঈম সোহাগ, বাফুফের সদস্য বিজন বড়ুয়া উপস্হিত ছিলেন।