Skip to content

ওয়ানডের ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল, বিশ্বকাপ জিততে চায় অনেকে : ডি কক

অনলাইন ডেস্ক :

ঠাসা সূচিতে হাঁপিয়ে উঠেছেন ক্রিকেটাররা। এক সঙ্গে তিন সংস্করণে খেলা চালিয়ে যাওয়া তাদের জন্য হয়ে উঠেছে বেশ কঠিন। তবে এর প্রভাব ওয়ানডে ক্রিকেটের ওপর পড়ছে বলে মনে করেন না কুইন্টন ডি কক। অনেকের দৃষ্টিতে ৫০ ওভারের সংস্করণ প্রাণ হারাতে শুরু করেছে, কিন্তু দক্ষিণ আফ্রিকার এই কিপার-ব্যাটসম্যান দেখছেন ওয়ানডের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ। সা¤প্রতিক সময়ে ওয়ানডে ক্রিকেট নিয়ে এত আলোচনা মূলত বেন স্টোকসের এই সংস্করণ থেকে হুট করে অবসর নেওয়ায়। গত মঙ্গলবার দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচ খেলে এই সংস্করণকে বিদায় বলে দেন ইংলিশ অলরাউন্ডার। কদিন আগে অস্ট্রেলিয়ার টপ অর্ডার ব্যাটসম্যান উসমান খাওয়াজা বলেন, ওয়ানডে ক্রিকেট ধীরে ধীরে মরে যাচ্ছে। পাকিস্তানের পেস বোলিং গ্রেট ওয়াসিম আকরাম তো সরাসরি ক্রিকেট ক্যালেন্ডার থেকে এই সংস্করণ বাদ দেওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেন। ওয়ানডে ক্রিকেটের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন আরও অনেকেই। তবে ডি ককের চোখে, এই সংস্করণ এখনও দারুণ প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক ক্রিকেট উপহার দিচ্ছে। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে বৃষ্টির কারণে পরিত্যক্ত হওয়া তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডের পর রোববার তিনি বললেন, এখনও বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন দেখেন অনেকে। “আমি বলতে চাই, আমাদের আরও অনেক ম্যাচ খেলতে হবে, কিন্তু উপায় দেখছি না। ক্রিকেটাররা যেভাবে খেলছে, ব্যাটিং ও বোলিংয়ে যে প্রতিযোগিতা হচ্ছে, ওয়ানডে তো ভালোই করছে। এই সংস্করণের ভবিষ্যৎ আছে এবং আমাদের অনেকেই এখনও ৫০ ওভারের বিশ্বকাপ জিততে চায়।” টানা খেলার ধকল সহ্য করতে না পেরে ওয়ানডে থেকে অবসর নেন স্টোকস। ইংলিশ ক্রিকেটারের শারীরিক ও মানসিক অবস্থা বুঝতে পারছেন ডি কক। পরিবারকে আরও বেশি সময় দেওয়ার জন্য তিনিও যে গত বছর বিদায় বলে দেন টেস্ট ক্রিকেটকে। এখনকার ঠাসা সূচিতে এক সঙ্গে তিন সংস্করণে খেলার সিদ্ধান্ত ক্রিকেটারদেরই নেওয়া উচিত বলে মনে করেন ডি কক। “ক্রিকেটারদের জন্য বিষয়টি কঠিন হতে শুরু করেছেৃতিন সংস্করণে খেলা অনেক আর বছর জুড়ে মনে হয় এখন আরও বেশি ম্যাচ হচ্ছে। ক্রিকেটারদের ব্যক্তিগতভাবে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। তারা যদি মনে করে এটা (তিন সংস্করণে খেলা) করতে পারবে, আমি তাদের জন্য খুশি। তবে ছেলেদের সিদ্ধান্ত নিজে নিতে হবে।”