সাম্প্রতিক
বাংলাদেশ-ভারতের সম্পর্ক নতুন করে তৈরি হবে: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মার্কিন ভিসা নিয়ে দুঃসংবাদ, পৌনে ২ লাখ ভিসা বাতিল করল যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ভয়ে তুরস্ক ছাড়ার সময় বিমান বদলেছিলেন ট্রাম্প একাত্তর টিভির চেয়ারম্যান-সিওওসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে সমন সপ্তাহে একদিন শিক্ষার্থীদের জন্য ফ্রি থাকবে জুলাই জাদুঘর গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত, নির্বাচন কমিশনে যাচ্ছে সংসদ সচিবালয়ের চিঠি সৌরভ ও ডোনাকে হত্যার হুমকি, কলকাতা পুলিশের তদন্ত শুরু বাংলাদেশি কৃষককে ধরে নিয়ে গেল বিএসএফ, পাল্টা দুই ভারতীয় কৃষককে আটক গ্রামবাসীর বেসরকারি খাতকে জ্বালানি তেল আমদানির সুযোগ দেবে সরকার
Skip to content

জার্মানিতে আটকে আছে রাশিয়ার একাধিক বিমান

অনলাইন ডেস্ক :

জার্মানির বিভিন্ন বিমানবন্দরে আটকে আছে রাশিয়ার বেশকিছু বিমান। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ পরিস্থিতির জন্য এসব বিমান আটকে আছে বলে জানা যায়। খবর ডয়চে ভেলের। জার্মানির একটি সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, জার্মানির কোলন ও ফ্রাঙ্কফুর্টসহ একাধিক বিমানবন্দরে রাশিয়ার অন্তত ১০টি বিমান আটকে আছে। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর আগে থেকে বিভিন্ন সময়ে এসব বিমান দেশটির বিভিন্ন বিমানবন্দরে আটকে আছে। যুদ্ধ শুরুর পর এসব বিমান আর দেশের মাটিতে ফিরে যেতে পারেনি। যুদ্ধ শুরুর পর ইউরোপীয় ইউনিয়ন রাশিয়ার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করে। বন্ধ করে দেয়া হয় বিমান যোগাযোগ। ফলে রাশিয়ার বিমান আর ফিরতে পারেনি। কোলন, ফ্রাঙ্কফুর্ট, বাডেন বাডেনের মতো বিমানবন্দরে বিমানগুলো দাঁড়িয়ে আছে বলে জার্মান প্রশাসন সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছে। স্থানীয় সময় রোববার রাতে দৈনিক ভিডিওবার্তায় রাশিয়ার নাগরিকদের উদ্দেশে ভাষণ দিয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি। এ সময় তিনি বলেন, ছয়মাস ধরে নৃশংস যুদ্ধ চালাচ্ছে রাশিয়া। রুশ নাগরিকদের এর বিরুদ্ধে সরব হওয়া উচিত। চুপ করে থাকা আসলে সম্মতির লক্ষণ বলে জানিয়েছেন তিনি। যুদ্ধের প্রতিবাদ করে রাশিয়ার মানুষকে ইউক্রেনের পাশে দাঁড়ানোর আবেদন জানিয়েছেন তিনি। এদিকে দক্ষিণ ইউক্রেন থেকে শস্যবোঝাই একটি জাহাজ আফ্রিকার উদ্দেশে রওনা হয়েছে। জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে একটি চার্টার্ড জাহাজ গম নিয়ে ইথিওপিয়ার দিকে রওনা হয়েছে। জাহাজটিতে প্রায় ৬০ হাজার টন গম রয়েছে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ। কৃষ্ণসাগর দিয়ে জাহাজটি আফ্রিকায় প্রবেশ করবে। জাতিসংঘ এবং তুরস্কের মধ্যস্থতায় রাশিয়া এবং ইউক্রেন এ ব্যাপারে একটা মতৈক্যে পৌঁছেছে। ইউক্রেন থেকে আবার শস্যবাহী জাহাজ যাবে বলে সাব্যস্ত হয়েছে। এর আগে কৃষ্ণসাগর কার্যত অবরুদ্ধ ছিল। রাশিয়া এবং ইউক্রেন এর জন্য পরস্পরের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছিল।