সাম্প্রতিক
বলিউডের খ্যাতিমান অভিনেতা নানা পাটেকর মারা গেছেন চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং টার্মিনাল পরিচালনায় ডিপি ওয়ার্ল্ড, ১৫ বছরের চুক্তি সই গঙ্গা চুক্তি ডিসেম্বরে, মার্চে দৃশ্যমান হবে পদ্মা ব্যারাজ: পানিসম্পদ মন্ত্রী দিল্লিতে ৩ বছর পর আলোচনায় বসছে বাংলাদেশ-ভারত জঙ্গল সলিমপুরে হচ্ছে সারদার আদলে পুলিশ একাডেমি, সরবে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারও সৌদি-হুথি সংঘাত তীব্র হচ্ছে, যুদ্ধে জড়াচ্ছে তুরস্ক-পাকিস্তান-সিরিয়া বিশ্বসেরা ২ শতাংশ বিজ্ঞানীর তালিকায় ঢাবির ২২ শিক্ষক-গবেষক সাহিত্যে নোবেল পেলেন কানাডার কবি অ্যান কারসন আবরার হত্যার দ্রুত বিচার নিশ্চিতের আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর রূপপুরে প্রথম ইউনিটে নিয়ন্ত্রিত পারমাণবিক বিক্রিয়া শুরুর অনুমতি
Skip to content

‘বিউটি সার্কাস’ নিয়ে যা বললেন জয়া আহসান

অনলাইন ডেস্ক :

মুক্তি পেতে যাচ্ছে জয়া আহসান অভিনীত বহুল প্রতীক্ষিত চলচ্চিত্র ‘বিউটি সার্কাস’। মুক্তি সামনে রেখে প্রচারের কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন সিনেমাটির পরিচালক মাহমুদ দিদার। এবার সার্কাসের বিউটি হয়ে সামনে এলেন জয়া আহসান। গত শনিবার রাতে মুক্তি পেয়েছে ‘বিউটি সার্কাস’ সিনেমাটির ট্রেইলার। ২ মিনিট ৮ সেকেন্ড দৈর্ঘ্যরে এই ট্রেইলারে গ্রাম-বাংলার ঐতিহ্যবাহী মেলা, সার্কাস, জাদুর পাশাপাশি সম্পর্ক, সমাজ ও প্রতিশোধের ইঙ্গিত মেলে। যাতে জয়ার একাধিক রূপ দেখা যায়। অল্প সময়ে জয়ার উপস্থিতি মুগ্ধ করেছে দর্শকদের। বিশেষ করে একাধিক সংলাপে পাওয়া যায় আড়ালের অন্য গল্প। কখনো বলেছেন, ‘এই গল্পটা শুধু আমার না। এইটা যদি শুধু একটা গল্প হইতো অথবা ছোটবেলায় শোনা কোনো রূপকথা হইতো, কতই না মজা অইতো।’ কখনো বলেছেন, ‘আমি বলি এইটা কোনো গল্প না। না বিউটির, না সার্কাসের।’ আবার কখনো বলেছেন, ‘আমি আজ আপনাদের মাঝে ইতিহাসের সাক্ষ্য দিতে এসেছি। রক্তের ইতিহাসের সাক্ষ্য।’ ২০১৭ সালে নির্মাণ কাজ শুরু হলেও চলচ্চিত্রটির ব্যাপ্তি ও নির্মাণের বৃহৎ আয়োজন সম্পন্ন করতে প্রায় পাঁচ বছর সময় লেগেছে পরিচালকের। করোনা মহামারির কারণেও পিছিয়েছে বহুল প্রতীক্ষিত চলচ্চিত্রটির মুক্তি। চলচ্চিত্রটির মধ্য দিয়ে দীর্ঘদিন পর ২৩ সেপ্টেম্বর দেশের বড়পর্দায় হাজির হচ্ছেন দুই বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান। সরকারের অনুদানপ্রাপ্ত ইমপ্রেস টেলিফিল্ম প্রযোজিত মাহমুদ দিদার নির্মিত ‘বিউটি সার্কাসে জয়া আহসান ছাড়াও আর অন্যান্য চরিত্রে অভিনয় করেছেনÑচিত্রনায়ক ফেরদৌস আহমেদ, তৌকীর আহমেদ, এবিএম সুমন, শতাব্দী ওয়াদুদ, গাজী রাকায়েত, হুমায়ূন সাধু, মানিসা অর্চি প্রমুখ। চলচ্চিত্রটিতে তিনটি গান ব্যবহার করা হয়েছে। গানগুলো গেয়েছেন চিরকুট ব্যান্ডের শারমীন সুলতানা সুমী, অ্যাশেজ ব্যান্ডের ইভান ও টুনটুন বাউল।