সাম্প্রতিক
বলিউডের খ্যাতিমান অভিনেতা নানা পাটেকর মারা গেছেন চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং টার্মিনাল পরিচালনায় ডিপি ওয়ার্ল্ড, ১৫ বছরের চুক্তি সই গঙ্গা চুক্তি ডিসেম্বরে, মার্চে দৃশ্যমান হবে পদ্মা ব্যারাজ: পানিসম্পদ মন্ত্রী দিল্লিতে ৩ বছর পর আলোচনায় বসছে বাংলাদেশ-ভারত জঙ্গল সলিমপুরে হচ্ছে সারদার আদলে পুলিশ একাডেমি, সরবে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারও সৌদি-হুথি সংঘাত তীব্র হচ্ছে, যুদ্ধে জড়াচ্ছে তুরস্ক-পাকিস্তান-সিরিয়া বিশ্বসেরা ২ শতাংশ বিজ্ঞানীর তালিকায় ঢাবির ২২ শিক্ষক-গবেষক সাহিত্যে নোবেল পেলেন কানাডার কবি অ্যান কারসন আবরার হত্যার দ্রুত বিচার নিশ্চিতের আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর রূপপুরে প্রথম ইউনিটে নিয়ন্ত্রিত পারমাণবিক বিক্রিয়া শুরুর অনুমতি
Skip to content

বাঘিনীদের রাজসিক বরণ

ছবি: মঈন আহমেদ

সাত জাতি সাফ মহিলা ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল চ্যাম্পিয়ন হয়ে দেশে ফেরার পর বাঘিনীদের রাজসিক বরণ করে নিলো ঢাকা। প্রিয় খেলোয়াড়দের ধুমধামে সংবর্ধনা দিলো ঢাকাবাসী। বুধবার বিকালে নেপাল থেকে শাহজালাল বিমানবন্দরে পৌঁছায় তারা।

সোমবার সন্ধ্যায় কাঠমান্ডুর দশরথ স্টেডিয়ামে (রঙ্গশালা) ফাইনালে বাংলাদেশ চারবারের রানার্সআপ এবং স্বাগতিক নেপালকে ৩-১ ব্যবধানে হারিয়ে ২০০৬ সালের পর তাদের দ্বিতীয় প্রচেষ্টায় প্রথমবারের মতো সাফ মহিলাদের মুকুট জয় করল বাঘিনীরা।

দুপুর ১টা ৫০ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বাঘিনী দলকে স্বাগত জানান যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল।

এসময় বিমানবন্দরে খেলোয়াড় ও কর্মকর্তাদের ফুলের মালা দিয়ে স্বাগত জানানোর পর কেক কাটা হয়। নারী ফুটবলারদের গৌরবময় কৃতিত্বের জন্য স্বাগত জানাতে হাজার হাজার ফুটবল-পাগল ও ভক্ত ঢাকা বিমানবন্দরে ভিড় করেন।

বিমানবন্দরে সংক্ষিপ্ত ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন, বাংলাদেশ মহিলা ফুটবল অধিনায়ক সাবিনা খাতুন ও মিডফিল্ডার সানজিদা আক্তার।

বিমানবন্দরের আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে বিকাল সাড়ে ৩টায় চ্যাম্পিয়নস ট্রফি নিয়ে সুসজ্জিত ওপেন-ডেক বিআরটিসি বাসে ওঠেন জাতীয় বীরাঙ্গনারা। মতিঝিলে বাফুফে অফিসে যাওয়ার পথে রাস্তার দুই পাশে দাঁড়িয়ে থাকা ভক্তদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন তারা।

ফাইনালের আগে, বাংলাদেশ মহিলা ফুটবল দলের সদস্য সানজিদা আক্তার এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে বলেছিলেন, তারা জয় উদযাপন করার জন্য একটি খোলা ডেক বাস নাও পেতে পারে। তবুও তারা টুর্নামেন্ট জয়ের জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

ফাইনালে সাবিনা আক্তারের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ দলের হয়ে দু’টি গোল করেন কৃষ্ণা রানী সরকার এবং অপর গোলটি করেন শামসুন্নাহার জুনিয়র।

ফ্লাইটটি ঢাকায় আসার আগেই হাজার হাজার ভক্ত দলে দলে এসে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের

বাইরে অপেক্ষা করতে থাকেন। তারা মেয়েদের অভিনন্দন জানিয়ে স্লোগান দিচ্ছিল।

ফাইনালে যাওয়ার পথে, বাংলাদেশ গ্রুপ ম্যাচে মালদ্বীপকে ৩-০, পাকিস্তান ৬-০, ভারত ৩-০, সেমিফাইনালে ভুটানকে ৮-০ এবং ফাইনালে স্বাগতিক নেপালকে ৩-১ গোলে পরাজিত করে, মোট ২৩ গোল করে। ফাইনালে প্রতিপক্ষ দল মাত্র একটি গোল করে।

এদিকে বিজয়ী মেয়েদের জন্য বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) পঞ্চাশ লাখ টাকা পুরস্কার ঘোষণা করেছে। এছাড়া দলকে ৫০ লাখ টাকা পুরস্কার ঘোষণা করেছে তমা গ্রুপ।

—ইউএনবি