সাম্প্রতিক
বলিউডের খ্যাতিমান অভিনেতা নানা পাটেকর মারা গেছেন চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং টার্মিনাল পরিচালনায় ডিপি ওয়ার্ল্ড, ১৫ বছরের চুক্তি সই গঙ্গা চুক্তি ডিসেম্বরে, মার্চে দৃশ্যমান হবে পদ্মা ব্যারাজ: পানিসম্পদ মন্ত্রী দিল্লিতে ৩ বছর পর আলোচনায় বসছে বাংলাদেশ-ভারত জঙ্গল সলিমপুরে হচ্ছে সারদার আদলে পুলিশ একাডেমি, সরবে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারও সৌদি-হুথি সংঘাত তীব্র হচ্ছে, যুদ্ধে জড়াচ্ছে তুরস্ক-পাকিস্তান-সিরিয়া বিশ্বসেরা ২ শতাংশ বিজ্ঞানীর তালিকায় ঢাবির ২২ শিক্ষক-গবেষক সাহিত্যে নোবেল পেলেন কানাডার কবি অ্যান কারসন আবরার হত্যার দ্রুত বিচার নিশ্চিতের আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর রূপপুরে প্রথম ইউনিটে নিয়ন্ত্রিত পারমাণবিক বিক্রিয়া শুরুর অনুমতি
Skip to content

গায়ক হতে চাননি বাপ্পা মজুমদার

অনলাইন ডেস্ক :

বাপ্পা মজুমদার কখনো গান গাইবেন এটাই নাকি ভাবেননি। অথচ তিনি দেশের একজন পরিচিত গায়ক। কেন গাইতেন না, আর কেনই বা গান―এ নিয়েই ফেসবুকে মনের জমানো কথা জানিয়েছেন শিল্পী। সম্প্রতি বাপ্পা মজুমদারের একটি একক কনসার্ট হয়। সেই কনসার্টে অভিভূত হয়েছেন জনপ্রিয় এই সংগীতশিল্পী। পুরো বিষয়টি শেয়ার করতে গিয়েই বললেন তিনি আদতে গায়ক হতে চাননি। বাপ্পা লিখেছেন, গান গাইব কখনো ভাবিনি! হতে চেয়েছি তো অনেক কিছুই, শেষমেশ হয়ে গেলাম পুরোদস্তুর মিউজিশিয়ান! গিটার বাদক! বাজিয়েছি বাংলাদেশের প্রায় সব শিল্পীর সাথেই। হঠাৎ ‘সুমনের গান’ সব এলোমেলো করে দিল! সেই থেকেই গান গাইবার ভাবনা! জুয়েল ভাইয়ের প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় প্রথম অ্যালবাম। বেতার জগতের কচি ভাইয়ের লেবেল থেকে! আর তখন থেকে আজ অব্দি আমি একটাই লক্ষ্য নিয়ে এগিয়েছি! আমি ‘ভালো’ কথার গান গাইব! গায়ক বলেন, সময়ের পরিক্রমায় আজ এতগুলো দিন পরে এসেও আমরা কিছু মানুষ যুদ্ধ করে যাচ্ছি ভালো গান নিয়ে! ডিজিটাল পৃথিবীর নানা অনলাইন বা স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মে যখন দেখছি কুৎসিত কদাকার মানহীন স্থূল ক্রিঞ্জি কন্টেন্টগুলোর রমরমা ভিউ আর লাইকের মহাসাগর, বিনোদন মাধ্যমগুলো যখন এই ভিউ আর লাইকের সংখ্যার ওপর ভর করে তার মান নির্ধারণ করছে, তখন একধরনের শঙ্কা হয় বৈকি! একটু হলেও বিশ্বাসে টান যে পড়ে না তা কিন্তু না! সত্যি বলতে আমারও হয়েছে! একসময় একটু হলেও প্রশ্ন জেগেছে, তাহলে এতদিন কী করলাম? সব ভুল ছিল? কনসার্টেই ভাবনা পরিবর্তন হয়ে গেছে জানিয়ে বলেন, এই ভাবনা আমার আমূল পাল্টে গেল গত ২৩ সেপ্টেম্বরের শো-তে…! এই বাজারে রীতিমতো টিকিট কেটে প্রতিটি শ্রোতা এসেছেন, বসেছেন, গান শুনে বাহবা দিয়ে গেছেন পুরো আয়োজনের! লিটারেলি হাউসফুল! আর আমার মনে হয়েছে ৩০ বছরের শ্রম আসলেই বৃথা যায়নি! ভালো গানের শ্রোতা এখনো আছে, তারা সত্যিই ভালো গান শুনতে চান…শুধু আমরা ঠিকঠাক পৌঁছতে পারছি না! আয়োজনের কৃতিত্ব দিতে গিয়ে বলেন, এই আয়োজন কিন্তু কোনো একক কৃতিত্ব নয় মোটেই! এর সাথে সম্পৃক্ত প্রতিটি মানুষ এই কৃতিত্বের কারণ! শুধু একটা আয়োজন করা উদ্দেশ্য নয় বরং এই আয়োজনকে মনে-প্রাণে ভালোবেসে নিজের করে নিয়ে প্রত্যেকে সম্পৃক্ত হয়েছেন! জোহেব আর শাহান হয়তো নিজেরাও জানো না তোমরা অলরেডি কী করে ফেলেছ! সব কিছু মিলে মাথা খারাপ একটা ইভেন্ট ছিল! আবারও তোমাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা আমার গান নিয়ে এই আয়োজন করার জন্য! আমার ভাই ও বন্ধু ইমরান আসিফ আর চৈতীকে ধন্যবাদ দেবার ভাষা জানা নেই! এই চমৎকার দুটি মানুষ সব সময় আমার পাশে থেকেছেন…আয়োজন এর সাথে সম্পৃক্ততা তো আছেই সেই সাথে ব্যক্তিগতভাবে এই দুটি মানুষের অনুষ্ঠানের জন্য অন্তঃপ্রাণ ভালোবাসায় আমি আপ্লুত!’ এই আয়োজনের সঙ্গে যারা যুক্ত ছিলেন তাদের নাম উল্লেখ করে বাপ্পা কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানিয়েছেন। স্ত্রী তানিয়াকে নিয়ে বললেন, আমার পাওয়ার হাউস, আমার স্ত্রী তানিয়াই। তুমি তো আমার জীবনে আশীর্বাদের আরেক রূপ। এই আয়োজনে তুমি নিঃশব্দে আমাকে ক্রমাগত যেভাবে সহযোগিতা করেছ, তার কোনো তুলনা হয় না। তুমি পাশে না থাকলে আমি বোধ হয় কুলিয়ে উঠতে পারতাম না! তুমি অসাধারণ, অনন্যা! সব শেষে বাপ্পা মজুমদার বললেন, আমার এই সলো কনসার্টে দর্শক-শ্রোতার যে ভালোবাসা আমি পেয়েছি তাতে আমি ধন্য! আমি মুগ্ধ! সবার প্রতি আমার ভালোবাসা। শুদ্ধতার জয় হোক।