সাম্প্রতিক
বাংলাদেশ-ভারতের সম্পর্ক নতুন করে তৈরি হবে: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মার্কিন ভিসা নিয়ে দুঃসংবাদ, পৌনে ২ লাখ ভিসা বাতিল করল যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ভয়ে তুরস্ক ছাড়ার সময় বিমান বদলেছিলেন ট্রাম্প একাত্তর টিভির চেয়ারম্যান-সিওওসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে সমন সপ্তাহে একদিন শিক্ষার্থীদের জন্য ফ্রি থাকবে জুলাই জাদুঘর গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত, নির্বাচন কমিশনে যাচ্ছে সংসদ সচিবালয়ের চিঠি সৌরভ ও ডোনাকে হত্যার হুমকি, কলকাতা পুলিশের তদন্ত শুরু বাংলাদেশি কৃষককে ধরে নিয়ে গেল বিএসএফ, পাল্টা দুই ভারতীয় কৃষককে আটক গ্রামবাসীর বেসরকারি খাতকে জ্বালানি তেল আমদানির সুযোগ দেবে সরকার
Skip to content

চাল-ডাল-সবজির দাম বেড়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক:

বাজারে দাম বেড়েছে চাল, ডাল, আটা ও সবজির। এ ছাড়া বাজারে অপরিবর্তিত আছে অন্য সব পণ্যের দাম। শুক্রবার (৪ নভেম্বর) সকালে রাজধানীর মিরপুরের ১১ নম্বর বাজার ঘুরে এসব চিত্র উঠে এসেছে। বাজারে সবজির দাম বেড়েছে। কেজিতে ১০-২০ টাকা দাম বেড়েছে। আকার ভেদে পাতাকপি ও ফুলকপি বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকায়। শসা প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৮০-৯০ টাকায়। লম্বা বেগুনের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৯০ টাকা। গোল বেগুন বিক্রি হচ্ছে ১৩০ টাকা কেজি। টমেটো বিক্রি হচ্ছে ১৬০ টাকা। বাজারে শিমের কেজি ১২০-১৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। করলা ৯০ টাকা, চাল কুমড়া প্রতিটি ৬০ টাকা, লাউ প্রতিটি আকারভেদে বিক্রি হচ্ছে ৬০-৭০ টাকায়, মিষ্টি কুমড়ার কেজি ৫০ টাকা, চিচিঙ্গা ৬০, পটল ৬০, ঢেঁড়স ৭০, কচুর লতি ৮০, পেঁপে ৫০, বরবটি ৮০ ও ধুন্দুল ৭০ টাকা কেজি। এইসব বাজারে কাঁচামরিচ প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ৮০-৯০ টাকায়। এ ছাড়া কাঁচা কলার হালি বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকায়। লেবুর হালি বিক্রি হচ্ছে ১৫-২০ টাকা। ১১ নম্বর বাজারের সবজি বিক্রেতা মো. আলআমিন বলেন, বাজারে সবজির সরবরাহ কম। সরবরাহ বাড়লে সবজির দাম কমে যাবে। বাজারে আলুর কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩০-৪০ টাকায়। বেড়েছে দেশি পেঁয়াজের দাম। কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫০-৬০ টাকা কেজি। এসব বাজারে রসুনের কেজি ৪০-৪৫ টাকা। বাজারে চায়না রসুন বিক্রি হচ্ছে ১৪৫-১৫০ টাকা। আদা ১২০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। বাজারে খোলা চিনি প্রতি কেজি ১০৫-১১০ টাকা আর প্যাকেট চিনি কেজি ১১৫-১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বাজারে বেড়েছে আটার দাম। খোলা আটার কেজি ৬০ টাকা ও প্যাকেট আটার কেজি ৬৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আটা বিক্রেতা নাদিম বলেন, হঠাৎ করেই বাড়লো আটার দাম। আরও দাম বাড়ার সম্ভাবনা আছে। এসব বাজারে দেশি মসুরের ডালের দাম বেড়েছে, কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৫০ টাকা। কেজিতে বেড়েছে ১০ টাকা। এক সপ্তাহ আগে মসুরের ডালের কেজি ছিল ১৪০ টাকা ইন্ডিয়ান মসুরের ডালের কেজি ১২০ টাকায়। লবনের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩৮-৪০ টাকা। বাজারে ভোজ্যতেল বিক্রি হচ্ছে ১৭৮ টাকায়। এসব বাজারে আগের দামে বিক্রি হচ্ছে ফার্মের মুরগির ডিম। ফার্মের লাল ডিমের ডজন বিক্রি হচ্ছে ১৪০-১৪৫ টাকা। আগের দামে হাঁসের ডিমের ডজন বিক্রি হচ্ছে ১৯৫-২০০ টাকা। দেশি মুরগির ডিমের ডজন ২২০-২২৫ টাকা। বাজারে গরুর মাংসের কেজি ৬৮০-৭০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। খাসির মাংসের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৮৫০-৯০০ টাকায়। বাজারে আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে মুরগি। ব্রয়লার কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৮০-১৯০ টাকা। সোনালি মুরগির কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩২০ টাকায়। লেয়ার মুরগির কেজি বিক্রি হচ্ছে ২৯০-৩০০ টাকায়। বাজারে বেড়েছে চিকন ও মোটা চালের দাম। ২৮ চালের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৬৫ টাকা। আগে কেজি ছিল ৬৩ টাকা। বেড়েছে মিনিকেট চালের দাম। কেজি বিক্রি হচ্ছে ৮৩-৮৫ টাকায়। চাল বিক্রেতা মো. শাহাদাত হোসেন বলেন, চালের দাম বেড়েছে। মিনিকেট চালের ৫০ কেজির বস্তায় দাম বেড়েছে ১০০ টাকা। এছাড়াও ২৮ চালের বস্তা প্রতি দাম বেড়েছে ১৫০ টাকা। হঠাৎ করেই বাজারে কোনো না কোনো পণ্যের দাম বাড়ছে। আসলে বাজারে সঠিক নজরদারি নেই। নজরদারি থাকলে এভাবে যে কোনো পণ্যের দাম বাড়তে পারে না।