সাম্প্রতিক
বাংলাদেশ-ভারতের সম্পর্ক নতুন করে তৈরি হবে: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মার্কিন ভিসা নিয়ে দুঃসংবাদ, পৌনে ২ লাখ ভিসা বাতিল করল যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ভয়ে তুরস্ক ছাড়ার সময় বিমান বদলেছিলেন ট্রাম্প একাত্তর টিভির চেয়ারম্যান-সিওওসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে সমন সপ্তাহে একদিন শিক্ষার্থীদের জন্য ফ্রি থাকবে জুলাই জাদুঘর গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত, নির্বাচন কমিশনে যাচ্ছে সংসদ সচিবালয়ের চিঠি সৌরভ ও ডোনাকে হত্যার হুমকি, কলকাতা পুলিশের তদন্ত শুরু বাংলাদেশি কৃষককে ধরে নিয়ে গেল বিএসএফ, পাল্টা দুই ভারতীয় কৃষককে আটক গ্রামবাসীর বেসরকারি খাতকে জ্বালানি তেল আমদানির সুযোগ দেবে সরকার
Skip to content

রোহিঙ্গাদের প্রতি চিন্তা-সহানুভূতি অব্যাহত রাখব: জাপানের রাষ্ট্রদূত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

ঢাকায় নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত ইতো নাওকি বলেছেন, আমি বাংলাদেশ সরকার, রোহিঙ্গা শরণার্থী এবং স্বাগতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আমার চিন্তা ও সহানুভূতি অব্যাহত রাখব। কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্প সফরকালে এ কথা বলেন তিনি। বৃহস্পতিবার (১লা ডিসেম্বর) ঢাকার জাপান দূতাবাস এ তথ্য জানায়। রাষ্ট্রদূত ইতো নাওকি ডাব্লিউএফপির একটি ই-ভাউচার আউটলেট, আপসাইক্লিং সেন্টার, ইউনিসেফের একটি লার্নিং সেন্টার, ইউএনএইচসিআর-এর একটি দক্ষতা উন্নয়ন সাইট ও রোহিঙ্গা শরণার্থী বিষয়ক কমিশনারের অফিস পরিদর্শন করেন। তিনি আইওএম-এর সুরক্ষা ও ক্যাম্প ব্যবস্থাপনা কার্যক্রমের পাশাপাশি ইউএনএইচসিআর-এর টেকসই ভূমি ব্যবস্থাপনা এবং পরিবেশগত পুনর্বাসন প্রকল্পও পর্যবেক্ষণ করেন। ২০১৭ সালের আগস্টে বিপুল পরিমাণ আগমনের পর থেকে জাপান আন্তর্জাতিক সংস্থা এবং এনজিওগুলির মাধ্যমে কক্সবাজারের পাশাপাশি ভাসান চরে বিভিন্ন হস্তক্ষেপে ১৭৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি অবদান রেখেছে। এই সহায়তার মধ্যে খাদ্য সহায়তা, স্বাস্থ্যসেবা, ওয়াশ, আশ্রয়, সুরক্ষা এবং লিঙ্গ অন্তর্ভুক্ত ছিল। মাঠ পর্যায়ে চলমান কার্যক্রম প্রত্যক্ষ করে রাষ্ট্রদূত ইতো নাওকি বলেন, আমি যতবারই রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করি, জাতিসংঘের সংস্থা ও এনজিওগুলোর অক্লান্ত পরিশ্রম দেখে আমি অভিভূত হয়েছি। তবে আমি বাংলাদেশ সরকার, রোহিঙ্গা শরণার্থী এবং স্বাগতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আমার চিন্তা এবং সহানুভূতি অব্যাহত রাখব। আমি আন্তরিকভাবে আশা করি, মিয়ানমারে নিরাপদ, স্বেচ্ছায় এবং মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসন শিগগিরই বাস্তবায়িত হবে। উল্লেখ্য, রোহিঙ্গা সংকট যখন ষষ্ঠ বছরে পরিণত হচ্ছে, তখন বিশ্ব সম্প্রদায়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করা অপরিহার্য। কেননা বিশ্বের বিভিন্ন অংশে একাধিক জরুরি অবস্থা চলছে। রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধানে জাপান কাজ চালিয়ে যাবে।