সাম্প্রতিক
বিএনপি চাঁদাবাজ দল—এটা ‘ঢালাও’ অভিযোগ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলা সিনেমার মতো ‘ঘটনা ঘটার পরে পুলিশ এসেছে’: আসিফ মাহমুদ সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ভাঙচুর: মূল পরিকল্পনাকারীসহ গ্রেপ্তার ৪ ৫৩৮ কোটি টাকা আত্মসাৎ: সালমান এফ রহমান-শায়ানসহ ২৫ জনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা ভারতের উত্তর প্রদেশে ভারি বৃষ্টিতে ৫৬ মৃ’ত্যু, ক্ষতিগ্রস্ত হাজারের বেশি বাড়িঘর সংবিধান সংশোধনে আবারও গণভোট হবে: বিশেষ কমিটি ক্যান্টনমেন্ট থানার সাবেক ওসি রাকিবুলের সঙ্গে আ’লীগের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীদের যাতায়াত সুবিধায় সড়কে নামছে আরও ১০০ পিংক বাস আগামী দুই মাসে জাপান, তুরস্ক ও সৌদি আরব সফরের প্রস্তুতি প্রধানমন্ত্রীর রাজধানীতে ৮ মাসে ৭২৩ চাঁদাবাজির মামলা, তদন্তে প্রমাণ মিলেছে ৮৫ শতাংশের
Skip to content

রাবির উর্দু বিভাগের শিক্ষার্থীরা অনশনে

নিজস্ব প্রতিবেদক:

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) দ্বিতীয় সেমিস্টার পরীক্ষায় ফল বিপর্যয়ের সমাধান না পেয়ে আমরণ অনশনে বসেছেন উর্দু বিভাগের শিক্ষার্থীরা। তবে তাদের অনশন ভাঙাতে এসে ব্যর্থ হয়ে ফিরে গেলেন শিক্ষকরা। সোমবার (৫ ডিসেম্বর) সকাল ১০টা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সৈয়দ নজরুল ইসলাম প্রশাসনিক ভবনের সামনে শিক্ষার্থীরা আমরণ অনশন শুরু করেন। এরপর বিকেল ৩টায় উর্দু বিভাগের শিক্ষকরা তাদের অনশন ভাঙাতে এসেও তাদের ব্যর্থ হয়ে ফিরে যেতে হয়েছে। বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক আতাউর রহমান শিক্ষার্থীদের নিজ বিভাগে গিয়ে অবস্থান নিতে বললেও দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তারা স্থান ত্যাগ করবেন না বলে জানান। একপর্যায়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে শিক্ষকদের বাক্যবিনিময় শুরু হলে বিভাগের সভাপতি অন্য শিক্ষকদের নিয়ে চলে যান। এ বিষয়ে অনশনরত শিক্ষার্থীরা বলেন, আমাদের দাবি পূরণ না হলে অনশন চলবে। আমাদের উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ফল বিপর্যয় ঘটানো হয়েছে। দাবি পূরণ না হলে আমরা এখান থেকে যাব না। শিক্ষকদের পারস্পরিক রাজনৈতিক কোন্দলের ফল আমরা কেন ভোগ করব? আশানুরূপ ফল না পেলে প্রয়োজনে জীবন দেওয়ার কথাও বলেছেন একাধিক শিক্ষার্থী। অনশনরত শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, প্রথমবর্ষের দ্বিতীয় সেমিস্টারে ৩৮ জন পরীক্ষায় অংশ নেন। তার মধ্যে ১৭ জন ফেল করেছেন। বাকিদের ফলাফলও খুবই খারাপ। তাদের দাবি, বিভাগের শিক্ষকদের মধ্যকার রাজনীতির কারণে ফলাফলের এমন অবস্থা। এ নিয়ে তারা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনে অভিযোগ করলে একাধিকবার আশ্বাস দিলেও ব্যবস্থা না নেওয়ায় অনশন শুরু করেছেন। উর্দু বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক আতাউর রহমান বলেন, আমরা শিক্ষার্থীদের বোঝানোর চেষ্টা করছি। ফল বিপর্যয়ের বিষয়টা এখন আর আমাদের বিভাগের হাতে নেই। মূলত বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এখন এই বিষয়টি দেখছে। তবে শিক্ষার্থীরা আমাদের কোনো কথাই শুনতে রাজি না। তাই আমাদের বাধ্য হয়ে ফিরে আসতে হয়েছে। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র উপদেষ্টা এম. তারেক নূর বলেন, আমরা শিক্ষার্থী এবং শিক্ষক উভয়ের কথাই শুনেছি। অল্প সময়ের মধ্যে এটার সমাধান করা যাবে না। এইটার জন্য তদন্ত কমিটি গঠন করে সঠিক কারণ বের করতে হবে। তারপর সমাধান করতে হবে। তিনি আরও বলেন, এরইমধ্যে বিষয়টি সমাধানের জন্য প্রক্রিয়া চলছে। প্রথম সেমিস্টারে ভালো রেজাল্ট করে দ্বিতীয় সেমিস্টারে এত খারাপ রেজাল্ট করার বিষয়টি অবশ্যই উদ্বেগজনক। আমরা দ্রুত বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করবো।