সাম্প্রতিক
বাংলাদেশ-ভারতের সম্পর্ক নতুন করে তৈরি হবে: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মার্কিন ভিসা নিয়ে দুঃসংবাদ, পৌনে ২ লাখ ভিসা বাতিল করল যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ভয়ে তুরস্ক ছাড়ার সময় বিমান বদলেছিলেন ট্রাম্প একাত্তর টিভির চেয়ারম্যান-সিওওসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে সমন সপ্তাহে একদিন শিক্ষার্থীদের জন্য ফ্রি থাকবে জুলাই জাদুঘর গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত, নির্বাচন কমিশনে যাচ্ছে সংসদ সচিবালয়ের চিঠি সৌরভ ও ডোনাকে হত্যার হুমকি, কলকাতা পুলিশের তদন্ত শুরু বাংলাদেশি কৃষককে ধরে নিয়ে গেল বিএসএফ, পাল্টা দুই ভারতীয় কৃষককে আটক গ্রামবাসীর বেসরকারি খাতকে জ্বালানি তেল আমদানির সুযোগ দেবে সরকার
Skip to content

রাবির উর্দু বিভাগের শিক্ষার্থীরা অনশনে

নিজস্ব প্রতিবেদক:

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) দ্বিতীয় সেমিস্টার পরীক্ষায় ফল বিপর্যয়ের সমাধান না পেয়ে আমরণ অনশনে বসেছেন উর্দু বিভাগের শিক্ষার্থীরা। তবে তাদের অনশন ভাঙাতে এসে ব্যর্থ হয়ে ফিরে গেলেন শিক্ষকরা। সোমবার (৫ ডিসেম্বর) সকাল ১০টা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সৈয়দ নজরুল ইসলাম প্রশাসনিক ভবনের সামনে শিক্ষার্থীরা আমরণ অনশন শুরু করেন। এরপর বিকেল ৩টায় উর্দু বিভাগের শিক্ষকরা তাদের অনশন ভাঙাতে এসেও তাদের ব্যর্থ হয়ে ফিরে যেতে হয়েছে। বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক আতাউর রহমান শিক্ষার্থীদের নিজ বিভাগে গিয়ে অবস্থান নিতে বললেও দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তারা স্থান ত্যাগ করবেন না বলে জানান। একপর্যায়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে শিক্ষকদের বাক্যবিনিময় শুরু হলে বিভাগের সভাপতি অন্য শিক্ষকদের নিয়ে চলে যান। এ বিষয়ে অনশনরত শিক্ষার্থীরা বলেন, আমাদের দাবি পূরণ না হলে অনশন চলবে। আমাদের উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ফল বিপর্যয় ঘটানো হয়েছে। দাবি পূরণ না হলে আমরা এখান থেকে যাব না। শিক্ষকদের পারস্পরিক রাজনৈতিক কোন্দলের ফল আমরা কেন ভোগ করব? আশানুরূপ ফল না পেলে প্রয়োজনে জীবন দেওয়ার কথাও বলেছেন একাধিক শিক্ষার্থী। অনশনরত শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, প্রথমবর্ষের দ্বিতীয় সেমিস্টারে ৩৮ জন পরীক্ষায় অংশ নেন। তার মধ্যে ১৭ জন ফেল করেছেন। বাকিদের ফলাফলও খুবই খারাপ। তাদের দাবি, বিভাগের শিক্ষকদের মধ্যকার রাজনীতির কারণে ফলাফলের এমন অবস্থা। এ নিয়ে তারা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনে অভিযোগ করলে একাধিকবার আশ্বাস দিলেও ব্যবস্থা না নেওয়ায় অনশন শুরু করেছেন। উর্দু বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক আতাউর রহমান বলেন, আমরা শিক্ষার্থীদের বোঝানোর চেষ্টা করছি। ফল বিপর্যয়ের বিষয়টা এখন আর আমাদের বিভাগের হাতে নেই। মূলত বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এখন এই বিষয়টি দেখছে। তবে শিক্ষার্থীরা আমাদের কোনো কথাই শুনতে রাজি না। তাই আমাদের বাধ্য হয়ে ফিরে আসতে হয়েছে। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র উপদেষ্টা এম. তারেক নূর বলেন, আমরা শিক্ষার্থী এবং শিক্ষক উভয়ের কথাই শুনেছি। অল্প সময়ের মধ্যে এটার সমাধান করা যাবে না। এইটার জন্য তদন্ত কমিটি গঠন করে সঠিক কারণ বের করতে হবে। তারপর সমাধান করতে হবে। তিনি আরও বলেন, এরইমধ্যে বিষয়টি সমাধানের জন্য প্রক্রিয়া চলছে। প্রথম সেমিস্টারে ভালো রেজাল্ট করে দ্বিতীয় সেমিস্টারে এত খারাপ রেজাল্ট করার বিষয়টি অবশ্যই উদ্বেগজনক। আমরা দ্রুত বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করবো।