সাম্প্রতিক
তিতাসের ‘সিস্টেম লস’ বছরে ১০ কার্গো এলএনজির সমপরিমাণ গ্যাস হাম ও উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, প্রাণহানি ছাড়াল ১ হাজার জুলাই জাদুঘরে অশ্রুসজল রাষ্ট্রপতি, বললেন ‘মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি’ সালমান শাহর মৃত্যু: ডনের বিরুদ্ধে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ গোপনের অভিযোগ ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ‘দিগোস’ মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ‘ক্রিটিক্যাল’, ৪৬ পিলারে ফাটল: সংসদে মন্ত্রী আশির দশকে ফিরছে সোশ্যাল মিডিয়া, এআই ছবির ট্রেন্ডে নেটিজেনরা বিএনপি ক্ষমতায় আর বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংকট হবে না, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে না— সেটা হতে পারে না: রুমিন ফারহানা ডিসেম্বরে হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

চবির শাটলে কথা কাটাকাটি, ছাত্রলীগের ২ গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ৩

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) শাটল ট্রেনে কথা কাটাকাটির জেরে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় তিনজন আহত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেল স্টেশনে সংঘর্ষ শুরু হয়। রাত পৌনে ১২টা পর্যন্ত দু’পক্ষের সংঘর্ষ চলে।

আহতরা হলেন- ২০১৯-২০ সেশনের ইসলামের ইতিহাস বিভাগের মামুন, ২০১৮-১৯ সেশনের হিসাববিজ্ঞান বিভাগের মানিক এবং ২০১৭-১৮ সেশনের উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের শাহ পরান। এর মধ্যে শাহ পরানকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

গ্রুপ দুইটি হল- ভিএক্স ও সিক্সটি নাইন। গ্রুপ দুইটিই নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীনের অনুসারী হিসেবে ক্যাম্পাসে পরিচিত।

জানা গেছে, শহর থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে আসা রাতের শাটল ট্রেনে ভিএক্স গ্রুপের কর্মীদের সঙ্গে সিক্সটি নাইন গ্রুপের কর্মীদের কথা কাটাকাটি হয়। এর জেরে শাটল ট্রেন বিশ্ববিদ্যালয় স্টেশন পৌঁছার পর ভিএক্স গ্রুপের কর্মীরা সোহরাওয়ার্দী হল ও সিক্সটি নাইন গ্রুপের কর্মীরা শাহজালাল হলের সামনে অবস্থান নেয়। পরে দুই গ্রুপের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা-ধাওয়া শুরু হয়। এ সময় উভয় পক্ষ একে অপরের দিকে ইট-পাটকেল ছুঁড়তে থাকে।

জানতে চাইলে ভিএক্স গ্রুপের নেতা ও শাখা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি প্রদীপ চক্রবর্তী দুর্জয় বলেন, ‘জুনিয়রদের মধ্যে ঝামেলা হয়েছে। আমরা বসে মীমাংসা করে নেব।’

শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ও সিক্সটি নাইন গ্রুপের নেতা ইকবাল হোসেন টিপু জানান, এখানে কে কোন গ্রুপের তা দেখার সুযোগ নেই। প্রশাসন যেন অপরাধী খুঁজে বের করে শাস্তি নিশ্চিত করে।

বিশ্ববিদ্যালয় চিকিৎসা কেন্দ্রের প্রধান চিকিৎসা কর্মকর্তা ডা. আবু তৈয়ব বলেন, ‘সংঘর্ষে এখন পর্যন্ত তিনজন চিকিৎসা নিতে এসেছেন। এদের মধ্যে একজনের অবস্থা গুরুতর। বাকি দু’জন চিকিৎসা নিয়ে চলে গেছে। গুরুতর আহত শিক্ষার্থীকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।’

বিশ্ববিদ্যালয় পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মিজানুর রহমান বলেন, ‘দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। দুই পক্ষ এখনও আছে, আমারা তাদের থামানোর চেষ্টা করছি। ঘটনাস্থলে পুলিশ ও প্রক্টরিয়াল বডি আছে বলেও তিনি জানান।’

—ইউএনবি