সাম্প্রতিক
বাংলাদেশ-ভারতের সম্পর্ক নতুন করে তৈরি হবে: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মার্কিন ভিসা নিয়ে দুঃসংবাদ, পৌনে ২ লাখ ভিসা বাতিল করল যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ভয়ে তুরস্ক ছাড়ার সময় বিমান বদলেছিলেন ট্রাম্প একাত্তর টিভির চেয়ারম্যান-সিওওসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে সমন সপ্তাহে একদিন শিক্ষার্থীদের জন্য ফ্রি থাকবে জুলাই জাদুঘর গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত, নির্বাচন কমিশনে যাচ্ছে সংসদ সচিবালয়ের চিঠি সৌরভ ও ডোনাকে হত্যার হুমকি, কলকাতা পুলিশের তদন্ত শুরু বাংলাদেশি কৃষককে ধরে নিয়ে গেল বিএসএফ, পাল্টা দুই ভারতীয় কৃষককে আটক গ্রামবাসীর বেসরকারি খাতকে জ্বালানি তেল আমদানির সুযোগ দেবে সরকার
Skip to content

ভারতে বিবিসি অফিসে টানা তৃতীয় দিন আয়কর বিভাগের তল্লাশি

অনলাইন ডেস্ক :

বিবিসির দিল্লি এবং মুম্বাই অফিসে বৃহস্পতিবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) তৃতীয় দিনের মতো তল্লাশি চালিয়েছে ভারতের আয়কর বিভাগ। গত মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে কর ও অন্যান্য ব্যবসায়িক লেনদেন সম্পর্কিত আর্থিক তথ্য পেতে আয়কর কর্মকর্তারা বিবিসির দিল্লি ও মুম্বাই কার্যালয়ে পৌঁছায়। কর কর্মকর্তারা টাইমস অব ইন্ডিয়াকে জানান, বিবিসির সহযোগী সংস্থাগুলোর আন্তর্জাতিক কর ও স্থানান্তরের খরচের বিষয়ে তদন্তের জন্য এ অভিযান চালানো হচ্ছে। কর কর্মকর্তারা বিবিসির আর্থিক লেনদেন, কোম্পানির কাঠামো ও অন্যান্য বিষয়ের তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহের জন্য নথিপত্র দেখছে। প্রয়োজনে কপিও করা হচ্ছে। তল্লাশি চলার কারণে গত বুধবার কর্মীদের একটি ইমেইল পাঠিয়েছে বিবিসি। এতে বলা হয়, কর্মীদেরা যেন তদন্তকাজে সহযোগিতা করেন। সম্প্রচার বিভাগ ছাড়া বাকি সব কর্মীকে বাড়ি থেকে কাজ করতে বলেছে প্রতিষ্ঠানটি। ইমেইলে কর্মীদের আরও বলা হয়েছে, তদন্তকর্মকর্তাদের সব ধরনের প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করুন। তাদের প্রশ্নের বিস্তারিত জবাব দিন। আপনার ব্যক্তিগত আয় নিয়ে আপনাকে মুখ খুলতে হবে না। তবে বেতন সংক্রান্ত কোনো প্রশ্ন করা হলে তার উত্তর দিন। গত বুধবার বিবিসির কর্মীরা জানিয়েছিলেন, কার্যালয়ে পৌঁছে সংবাদকর্মীদের মোবাইল ফোন ও ল্যাপটপ জমা নেন আয়কর কর্মকর্তারা। এদিকে, তল্লাশি অভিযান নিয়ে দেশজুড়ে নিন্দা ও সমালোচনার ঝড় বইছে। এ ঘটনাকে অগণতান্ত্রিক ও স্বৈরাচারী আখ্যা দিয়েছে দেশটির বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো। এমনকি দেশটির সংবাদপত্র মালিকদের সংগঠন পর্যন্ত এই ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে নিয়ে একটি তথ্যচিত্র প্রকাশের কয়েক সপ্তাহ পরই দেশটিতে বিবিসির দুই কার্যালয়ে অভিযান চালানোর ঘটনাটি ঘটলো। বিবিসির ওই তথ্যচিত্রে ২০২২ সালে গুজরাটের সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার সময় মোদির ভূমিকা তুলে ধরা হয়, যা দেশটিতে বিতর্ক সৃষ্টি করেছে। তবে কর কর্মকর্তারা বলছেন, তল্লাশি নয়, ‘আয়কর জরিপের’ অংশ হিসেবে তারা বিবিসির কার্যালয় পরিদর্শন করেছেন। এদিকে এক বিবৃতিতে বিবিসি বলেছে, তারা আয়কর দপ্তরকে পূর্ণ সহযোগিতা করছে। ভারতে সংবাদপত্র মালিকদের সংগঠন এডিটর্স গিল্ড অব ইন্ডিয়া এক বিবৃতিতে বিবিসি কার্যালয়ে অভিযানের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। সংগঠনটি বলছে, সম্প্রতি একটা প্রবণতা দেখা যাচ্ছে, যেসব সংবাদমাধ্যম সরকারি নীতি বা ক্ষমতাসীন দলের সমালোচনা করছে, তাদেরই সরকারি এজেন্সি দিয়ে হেনস্থা করা হচ্ছে, ভয় দেখানো হচ্ছে। এই প্রবণতা সাংবিধানিক গণতন্ত্রের পরিপন্থী।