সাম্প্রতিক
বাংলাদেশ-ভারতের সম্পর্ক নতুন করে তৈরি হবে: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মার্কিন ভিসা নিয়ে দুঃসংবাদ, পৌনে ২ লাখ ভিসা বাতিল করল যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ভয়ে তুরস্ক ছাড়ার সময় বিমান বদলেছিলেন ট্রাম্প একাত্তর টিভির চেয়ারম্যান-সিওওসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে সমন সপ্তাহে একদিন শিক্ষার্থীদের জন্য ফ্রি থাকবে জুলাই জাদুঘর গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত, নির্বাচন কমিশনে যাচ্ছে সংসদ সচিবালয়ের চিঠি সৌরভ ও ডোনাকে হত্যার হুমকি, কলকাতা পুলিশের তদন্ত শুরু বাংলাদেশি কৃষককে ধরে নিয়ে গেল বিএসএফ, পাল্টা দুই ভারতীয় কৃষককে আটক গ্রামবাসীর বেসরকারি খাতকে জ্বালানি তেল আমদানির সুযোগ দেবে সরকার
Skip to content

তুরস্কে ভূমিকম্পের ২৯৬ ঘণ্টা পর দম্পতি জীবিত উদ্ধার, মারা গেছে তাদের সন্তান

এপি, ইস্তাম্বুল :

তুরস্ক ও সিরিয়ায় ৭ দশমিক ৮ মাত্রার ভূমিকম্পের ১২ দিনেরও বেশি সময় পর ধসে পড়া অ্যাপার্টমেন্ট ভবনের নিচ থেকে এক দম্পতি ও তাদের ছেলেকে জীবিত উদ্ধার করা হয়। তবে তাদের ছেলে হাসপাতালে মারা যায়। শনিবার তুরস্কের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম বিষয়টি জানিয়েছে।

রাষ্ট্র পরিচালিত আনাদোলু সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে, কিরগিজস্তান থেকে আগত এক অনুসন্ধান দল তুরস্কের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর আন্তাকিয়ায় অ্যাপার্টমেন্ট ভবনের ধ্বংসস্তূপ খনন করার সময় সামির মুহাম্মদ আকর (৪৯), তার স্ত্রী রাগদা আকর (৪০) এবং তাদের ১২ বছর বয়সী ছেলেকে উদ্ধার করে।

স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ১১টায় বা ৬ ফেব্রুয়ারি ভূমিকম্পের ২৯৬ ঘণ্টা পরে তাদের উদ্ধার করে দ্রুত অ্যাম্বুলেন্সে হাসপাতালে পাঠানো হয়। টিভি ফুটেজে দেখা গেছে, স্ট্রেচারে শুয়ে থাকা অবস্থায় চিকিৎসকরা ওই ব্যক্তির বাহুতে আইভি ড্রিপ ঠিক করছেন।

কিরগিজস্তানের একজন উদ্ধারকর্মী জানান, দলটি দুটি শিশুর লাশও পেয়েছে। সংবাদ সংস্থাটি পরে জানায় যে শিশুটিও সামির মুহাম্মদ ও রাগদা আকরের সন্তান।

হাতায় প্রদেশের রাজধানী আন্তাকিয়া সফরকালে তুরস্কের স্বাস্থ্যমন্ত্রী ফাহরেতিন কোকা বলেছেন, বাবা (সামির মুহাম্মদ) এর জ্ঞান ছিল এবং মুস্তাফা কামাল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। আনাদোলু আমেরিকান টিভি ব্যক্তিত্ব ও মার্কিন সিনেটের সাবেক প্রার্থী মেহমেত ওজকে উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের সঙ্গে দেখা করতে দেখা যায়।

সংবাদ সংস্থা আরও উল্লেখ করে, সামির মুহাম্মদ আকর বর্ণনা করেন যে কীভাবে তিনি নিজের প্রস্রাব পান করে বেঁচে ছিলেন। তিনি মেহমেত ওজকে বলেছিলেন যে তার সন্তানরা প্রথম দুই বা তিন দিন ধরে তার কণ্ঠস্বরে সাড়া দিয়েছিল কিন্তু তার পরে তিনি কিছুই শোনেননি।

তুরস্কে অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে। যদিও দেশটির দুর্যোগ মোকাবিলা সংস্থার প্রধান বলেছেন যে রবিবার কার্যক্রম শেষ করার সম্ভাবনা রয়েছে।