সাম্প্রতিক
তেল-চিনি ও ডিমের বাড়তি দামে নাজেহাল ক্রেতা শাহজালালের বিমানবন্দরের ইডিকে হুমকি: জামায়াতের আখতারুজ্জামান গ্রেপ্তার ভারতে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ, আটক ৭০০ ১০ কোটি ব্যারেল তেল-ডিজেল ছাড়ার সিদ্ধান্ত জি-৭ দেশগুলোর অনলাইন ও ডিজিটাল সাংবাদিকতার ‘পথিকৃৎ’ হারালাম, তৌফিক ইমরোজ খালিদীর মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সম্পদের উৎস কী, ফেসবুক পোস্টে প্রশ্ন হাসনাতের অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে রপ্তানি বেড়েছে ৬ শতাংশের বেশি ডেঙ্গুতে ৯ মাসে প্রাণ গেল ২৫০ জনের মধ্যপ্রাচ্যের পথে নতুন রণতরী, ১০ হাজার মার্কিন সেনা: ইরান যুদ্ধ কি আরও তীব্র হচ্ছে? অক্টোবরে বৃষ্টি কমবে, কমবে তাপমাত্রাও; তবে ঘূর্ণিঝড়ের সম্ভাবনা
Skip to content

মিয়ানমারে সামরিক বিমান হামলা, নিহত বেড়ে ১৩৩

অনলাইন ডেস্ক :

মিয়ানমারে সামরিক বিমান হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৩৩ জনে। নিহতদের মধ্যে বেসামরিক নাগরিক ও অনেক শিশু রয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৩ এপ্রিল) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম সিএনএন। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে,গত মঙ্গলবার সকালে মিয়ানমারের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের সাগাইং প্রদেশে জান্তাবিরোধী সশস্ত্র গোষ্ঠী পিপলস ডিফেন্স ফোর্সের এক অনুষ্ঠানের সময় এ হামলা চালানো হয়। সকালে পিডিএফ স্থানীয় অফিসের প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিলো। এ সময় সেনাবাহিনী সেখানে বিমান হামলা চালায়। জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। এই হামলার জন্য মিয়ানমারকে জবাবদিহি করতে হবে বলেও সতর্ক করেন তিনি। একই সঙ্গে তিনি মিয়ানমারের জনগণের ওপর সেনাবাহিনীর হামলা বন্ধের আহ্বান জানান। ২০২১ সালে মিয়ানমারে সেনাবাহিনী ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকে দেশটির সামরিক বাহিনী জান্তাবিরোধীদের ওপর হামলা চালিয়ে আসছে। তবে, মঙ্গলবারের হামলাকে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে নৃশংস হামলা বলে মনে করা হচ্ছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন’র বরাত দিয়ে এনডিটিভি জানায়, হামলায় আরও ৫০ জন আহত হয়েছেন বলে ঘটনাস্থলে উপস্থিত কিয়ুনহলা গোষ্ঠী জানিয়েছে। এ ছাড়া আরও অন্তত ২০ শিশু নিহত হয়েছে। এমনকি হামলার পর চিকিৎসাকর্মীদের হামলাস্থলে পৌঁছাতে বাধা দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন মানবাধিকার মন্ত্রী অং মিও মিন। হামলার শিকার এই সাগাইং অঞ্চলটি মিয়ানমারের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর মান্দালয়ের প্রায় ১১০ কিলোমিটার (৭০ মাইল) উত্তরে অবস্থিত। কয়েক মাস ধরে লড়াইয়ের পর এই অঞ্চলটি সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে।